আমরা আসলে কী শিখেছিলাম?
স্কুলজীবনে বাংলা পাঠ্যবইয়ে কত রকমের গল্প পড়েছি। প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে কলেজ পর্যন্ত। পঞ্চম, ষষ্ঠ কিংবা সপ্তম শ্রেণির অনেক কিছুই...
স্কুলজীবনে বাংলা পাঠ্যবইয়ে কত রকমের গল্প পড়েছি। প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে কলেজ পর্যন্ত। পঞ্চম, ষষ্ঠ কিংবা সপ্তম শ্রেণির অনেক কিছুই...
স্প্যাগেটি ওয়েস্টার্ন ধারার সর্বশ্রেষ্ঠ সিনেমা হিসেবে স্বীকৃত দ্য গুড দ্য ব্যাড অ্যান্ড দ্য আগলি আজও দর্শকদের মুগ্ধ করে। আমেরিকার গৃহযুদ্ধের পটভূমিতে নির্মিত এই মহাকাব্যে তিন ধূর্ত চরিত্রের স্বর্ণমুদ্রা খোঁজার লড়াই ফুটে উঠেছে।
বাংলার লোকায়ত সাধনচর্চা কেবল আধ্যাত্মিকতার আড়ালে লুকানো কোনো আফিম নয়, বরং এটি ছিল তৎকালীন সমাজব্যবস্থার বিরুদ্ধে এক বলিষ্ঠ প্রতিবাদ। বাউল, কর্তাভজা বা বলাহাড়ি সম্প্রদায়ের মতো গোষ্ঠীগুলো প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মের সংকীর্ণতা ভেঙে মানুষকে শ্রেষ্ঠ উপাস্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছিল।
Masud Hasan Ujjal's film Bonolota Sen attempts to bridge the gap between Jibanananda Das's surreal poetry and the harsh realities of his life. While the cinematography captures a dreamlike essence, the narrative struggles with problematic depictions of consent and gendered labor. The film highlights the stark contrast between the male poet's freedom to exist in isolation and the domestic burdens placed upon women. It forces viewers to confront the poet's personal failures alongside his literary genius.
সম্প্রতি কোক স্টুডিও বাংলার নতুন গান 'মেঘ' প্রকাশের পর থেকেই দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে আলোচনার ঝড় উঠেছে। শায়ান চৌধুরী অর্ণবের সংগীতায়োজনে এই গানে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কালজয়ী কবিতা ‘সোনার তরী’র সাথে যুক্ত করা হয়েছে আধুনিক র্যাপ (Rap)। আর ঠিক এই জায়গাটিতেই শ্রোতা এবং সমালোচকদের মধ্যে তৈরি হয়েছে তীব্র মেরুকরণ।
গতকাল বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্মদিন ছিলো(, তবে কোনো কোনো সূত্রে ২৭ জুনের উল্লেখও মেলে) বাংলা সাহিত্যের এই বিতর্কিত ও বহুমাত্রিক পুরুষকে নিয়ে নতুন করে আলোচনা করা বাতুলতা। ইতিমধ্যেই সাহিত্যের বহু মহারথীরা বহু আলোচনা করে গেছেন। কেননা বঙ্কিমচন্দ্র এমন এক ব্যক্তিত্ব, যাঁকে নিয়ে ডানপন্থী হিন্দুত্ববাদী থেকে মার্কসবাদী—সবাই-ই নিজ নিজ যুক্তিতে বিচার করতে চান।
আমি একজন কমিউনিস্ট
Nadira Yeasminভাইভা বোর্ডে নম্বর দেওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষকদের অনৈতিক চাপ ও দুর্নীতির চিত্র ফুটে উঠেছে এই অভিজ্ঞতায়। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ঘুষ বা উপঢৌকন প্রত্যাখ্যান করে এক অনন্য মানবিক তৃপ্তি পেয়েছেন লেখক। শিক্ষকদের কাছ থেকে চাঁদা তুলে মেহমান আপ্যায়নের প্রথাটি তাকে ব্যথিত করেছে।
রোমান পোলানস্কির দ্য পিয়ানিস্ট কেবল একটি যুদ্ধের সিনেমা নয়, বরং এটি পরিচালকের নিজের জীবনের ট্রমা ও বাস্তবতার এক জীবন্ত দলিল। নাৎসি বাহিনীর অমানবিক নির্যাতনের মুখে একজন সাধারণ শিল্পীর বেঁচে থাকার লড়াই এখানে শিল্পের শক্তিকে নতুন করে সংজ্ঞায়িত করেছে।
সিনেমার ক্যামেরা যখন মানুষের জীবনের একদম মুখোমুখি এসে দাঁড়ায় তখন সত্য আর কল্পনার সীমানাটা আবছা হয়ে যায়। ১৯৯০ সালে ইরানি মাস্টারমেকার আব্বাস কিয়ারোস্তামি ঠিক এই জাদুটাই করেছিলেন তার ‘Close-Up’ সিনেমায়। একটি সত্য অপরাধের ঘটনাকে কেন্দ্র করে নির্মিত এই সিনেমাটি প্রামাণ্যচিত্র ও কল্পকাহিনীর মধ্যকার চেনা দেয়ালটিকে ভেঙে চুরমার করে দিয়েছে।
অনেক সিনেমা সমালোচক ও দর্শকের মতে বাংলাদেশের সিনেমা ইতিহাসের সবচেয়ে সাহসী ও প্রভাবশালী সিনেমাগুলোর একটি হলো ‘জীবন থেকে নেয়া’। ১৯৭০ সালের এপ্রিলে যখন সিনেমাটি মুক্তি পায় তখন এদেশের মানুষ পাকিস্তানি শোষণের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছিল। আর জহির রায়হান অত্যন্ত চতুরতা ও সাহসিকতার সাথে একটি সাধারণ পরিবারের গল্পকে রূপক হিসেবে ব্যবহার করে তৎকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতি সেলুলয়েডে বন্দি করেছিলেন।
একটি জাতির আত্মপরিচয় খুঁজতে গেলে প্রথমেই যে দরজাটি খুলতে হয়,...
Roid is a visually rich film with beautiful color grading, cinematography, and strong use of metaphor. In the end, Sadu cooks spicy mutton while his wife used to prepare taler pitha, which represents love, affection, and home. Sadu eats the mutton greedily, almost like a demon, and his body eventually rejects it. He dies while experiencing hallucinations.
এটি এমন এক মিথ, যা নারী দর্শকদের নিয়ন্ত্রণ ও শাসনের উদ্দেশ্যে নির্মিত।এর ম্যাসেজ ক্লিয়ার, নিজের জায়গায় থাকো।বেশি কিছু চেয়ো না। অন্য নারীর সঙ্গে প্রতিযোগিতা কইরো না।মেইল ডমিনেটেড ফিল্ডে সফল হতে যাইয়ো না।কারণ সেই জগত তোমাকে ব্যবহার করবে, ফেলে দেবে; তারপর তোমার স্বামী তোমাকে হত্যা করবে, আর সবাই বলবে,এটা তোমারই দোষ।সংসার একটি কেইজ, কিন্তু নিরাপদ কেইজ।এইটা ছেড়ে বেরোলে ধ্বংস অনিবার্য।
সিনেমার গল্পটি মূলত ফরাসি প্রতিরোধ যোদ্ধা রোজ ভ্যাল্যান্ডের বই ‘Le Front de l'Art’ এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ সময়ের একটি সত্য ঘটনা অবলম্বনে তৈরি। ১৯৪৪ সালের যুদ্ধবিধ্বস্ত প্যারিস মুক্তির মাত্র কয়েকদিন আগের ঘটনা। যুদ্ধে পরাজয় জেনেও শেষমেশ জার্মান কর্নেল ভন ওয়াল্ডহেইম একটা কাজ সেরে যেতে চান। সে ফ্রান্সের মিউজিয়াম ‘জিউ ডি পমে’ থেকে বিপুল পরিমাণ অমূল্য ফরাসি চিত্রকর্ম যেমনঃ পিকাসো, ক্লদ মনে, ভ্যান গগ, রেনোয়ার মতো বিখ্যাত শিল্পীদের অসংখ্য চিত্রকর্ম জার্মানিতে পাচারের পরিকল্পনা করেন।
সম্প্রতি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় 'বনলতা এক্সপ্রেস' সিনেমার প্রদর্শ...
অক্ষয় মালবেরির শুরুতে ‘মনীন্দ্র গুপ্ত’ লিখেছিলেন, “শত শরদ ম?...
কল্পনা করা যায়! এমন একটি সিনেমা যেটা দেখে খোদ মার্কিন প্রতি?...
ফ্রানৎস কাফকা সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পাননি, কিন্তু তাঁর প্রেতাত্মা সুইডিশ একাডেমির করিডোরে ঘুরে বেড়ায়। তাঁর সৃষ্ট জগৎ—যেখানে যুক্তি পরাস্ত, আমলাতন্ত্র সর্বগ্রাসী এবং অস্তিত্ব এক অর্থহীন দুঃস্বপ্ন—বিংশ শতাব্দীর সাহিত্যকে এতটাই গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে যে, বহু নোবেলজয়ীর লেখায় তাঁর ছায়া খুঁজে পাওয়া এক অবশ্যম্ভাবী অন্বেষা।
অ্যাকাউন্ট নেই?
ইতিমধ্যে অ্যাকাউন্ট আছে?