কেন স্তালিন কমিন্টার্নকে সমাধিস্ত করলেন: একটি বর্ণনা
হাকিম মির্জা (কমলেশ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম)-র ‘After Thoughts on Dissolution of the Comintern’ প্রবন্ধ অবলম্বনে। প্রবন্ধটি প্রথ...
হাকিম মির্জা (কমলেশ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম)-র ‘After Thoughts on Dissolution of the Comintern’ প্রবন্ধ অবলম্বনে। প্রবন্ধটি প্রথ...
আরব দিগন্তে বিশ্বাসের দাসত্ব
Muhammadullah Bin Mostofaসৌদি আরবের অন্ধ আনুগত্য ও দেশটির পশ্চিমা এজেন্ডা বাস্তবায়নের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার সময় এসেছে। ধর্মের দোহাই দিয়ে শ্রমিকদের ওপর অমানবিক আচরণ ও অবমাননা আর মেনে নেওয়া যায় না।
হরমুজ প্রণালি অচল হয়ে পড়লে বিশ্ব অর্থনীতি এক ভয়াবহ জ্বালানি সংকটের মুখে পড়েছিল, যা উড়োজাহাজ থেকে কারখানা—সবকিছু থামিয়ে দেওয়ার উপক্রম করেছিল। কোনো একক জাদুতে নয়, বরং বিকল্প পাইপলাইন, জরুরি মজুত এবং চীনের অপ্রত্যাশিত আমদানি হ্রাসের মতো একাধিক প্রতিরক্ষার দেয়াল বিশ্বকে এই বিপর্যয় থেকে বাঁচিয়েছে।
প্রযুক্তি বিলিয়নিয়ারদের ডানপন্থী রাজনীতির দিকে ঝুঁকে পড়ার পেছনে আদর্শের চেয়ে বড় ভূমিকা রাখছে মুনাফা ও রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ এড়ানোর কৌশল। একসময় উদারতার প্রতীক সিলিকন ভ্যালি এখন ট্রাম্প প্রশাসনের কাছ থেকে অবকাঠামো সুবিধা ও এআই নীতিতে ছাড় পেতে মরিয়া।
ক্রীড়া ক্ষেত্রের এই সাম্রাজ্যবাদী রূপ আমাদের মনে করিয়ে দেয়, ক্ষমতাধরদের কাছে দুর্বল রাষ্ট্রের নাগরিকেরা শুধুই দ্বিতীয় শ্রেণীর মানুষ।
কিউবান বিপ্লব আজ কেবল একটি দ্বীপের অস্তিত্বের লড়াই নয়, বরং বিশ্বজুড়ে সাম্রাজ্যবাদবিরোধী সংগ্রামের এক অগ্নিপরীক্ষা। মার্কিন অবরোধের মুখে দাঁড়িয়ে এই বিপ্লব প্রমাণ করেছে যে, বিচ্ছিন্নভাবে সমাজতন্ত্র টিকিয়ে রাখা অসম্ভব। এর ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে মেক্সিকো থেকে আর্জেন্টিনা পর্যন্ত ছড়িয়ে থাকা শ্রমিকশ্রেণির ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে।
সাহেলের সামরিক জান্তা এবং সেনেগালের নতুন নেতৃত্ব সার্বভৌমত্বের নতুন সংজ্ঞা খুঁজলেও আইএমএফ-এর কঠোর অর্থনৈতিক শর্তাবলি তাদের সামনে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সাহেলের শাসকরা খনিজ সম্পদে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করলেও সরকারি ব্যয়ের ক্ষেত্রে আইএমএফ-এর পুরোনো নব্য-উদারবাদী কাঠামোর মধ্যেই আটকে আছেন।
গাজার শিশুরা কোনো রাজনৈতিক সংঘাতের অংশ না হয়েও যুদ্ধের চরম মূল্য দিচ্ছে। আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে স্কুল ও আশ্রয়কেন্দ্রগুলো মৃত্যুফাঁদে পরিণত হওয়ায় একটি পুরো প্রজন্মের ভবিষ্যৎ ধ্বংসের পথে।
পাকিস্তান বহু দশক ধরে কাশ্মীর প্রশ্নে আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। কিন্তু আজাদ কাশ্মীরে চলমান ঘটনাবলী সেই অবস্থানের সঙ্গে একটি স্পষ্ট বৈপরীত্য সৃষ্টি করেছে। যদি জনগণের মতামত ও রাজনৈতিক অংশগ্রহণকে সত্যিই গুরুত্ব দেওয়া হয়, তাহলে কেন শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের প্রতি সহনশীলতা দেখানো হচ্ছে না?
এই ধরনের সামগ্রিক নির্যাতনকে বিচারের আওতায় আনার জন্য আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার কোনো সুনির্দিষ্ট আইনি কাঠামো নেই; যদি তা থাকত, তবে অন্য কোথাও প্রাতিষ্ঠানিক বৈষম্যের অনুরূপ ধরণগুলোকেও সমশক্তির সাথে মোকাবিলা করা যেত।
এখন জেনেছি , মিথ্যা বলা একটি অন্যতম কৌশল যা দিয়ে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করা যায় এবং হিরো হওয়া কোন ব্যাপারই না । তাহলে আমরা দেখি , বর্তমান প্রযুক্তি ব্যবহার করে কিভাবে আমাদের কাছে পরিবেশন করা হচ্ছে!
পশ্চিমবঙ্গ ও তামিলনাড়ুর সাম্প্রতিক নির্বাচন ভারতের প্রতি?...
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে প্রতিরক্ষা চুক্তি, জাতীয় নিরাপত্তা ও উদ্বেগ, উৎকন্ঠা
মারুফ হাসান ভূঞাবিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম ও প্রতিরক্ষা-ভিত্তিক প্রকাশনার তথ্য অ?...
অ্যাকাউন্ট নেই?
ইতিমধ্যে অ্যাকাউন্ট আছে?