সরকারি কর্মচারীর পর শ্রমিকের পালা কবে?
সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ানো নিয়ে আমার কিছু প্রশ্ন আছে।প্রথমেই একটা কথা পরিষ্কার করে বলা দরকার—সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বে...
সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ানো নিয়ে আমার কিছু প্রশ্ন আছে।প্রথমেই একটা কথা পরিষ্কার করে বলা দরকার—সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বে...
বাংলাদেশে তীব্র গ্যাস সংকট ও বিদ্যুৎ বিভ্রাট জনজীবনকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে। এলএনজি টার্মিনালের যান্ত্রিক ত্রুটির অজুহাতে সরবরাহ কমলেও দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব জনমনে গভীর ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। পেট্রোবাংলার এই কৌশল কি কৃত্রিম সংকট তৈরির পাঁয়তারা নাকি অব্যবস্থাপনার প্রতিফলন?
সরকার পরিবর্তনের পরেও বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির পুরোনো ধারা অব্যাহত থাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আইএমএফের শর্ত ও জ্বালানি খাতের ভর্তুকি কমাতে গিয়ে বারবার গ্রাহকের পকেট থেকেই সেই খরচ মেটানো হচ্ছে। এখন বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থায় বেসরকারি খাতকে যুক্ত করার পরিকল্পনা নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
সুদহার বাড়িয়ে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের পুরনো ফর্মুলা বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক সংকটে কেবল ব্যর্থই হয়নি, বরং নতুন সংকট তৈরি করেছে। একদিকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি অনুসরণ করছে, অন্যদিকে নবম পে-স্কেলের মাধ্যমে বাজারে বিশাল অঙ্কের টাকা ছেড়ে রাজস্বনীতিকে বিপরীতমুখী করে তোলা হয়েছে।
নতুন সরকার ক্ষমতার মসনদে বসার চার মাসের মাথায় এক গভীর অর্থনৈতিক ফাঁদে আটকা পড়েছে। একদিকে আমলাদের ৯ম পে-স্কেলের বিশাল আবদার, অন্যদিকে রাজস্ব আয়ের চরম ঘাটতি সরকারকে উভয় সংকটে ফেলেছে। আইএমএফের ঋণের শর্ত ও ফ্যামিলি কার্ডের মতো প্রকল্পগুলো এখন সরকারের জন্য গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
মুনাফা যখন মানুষের মৌলিক চাহিদার চেয়ে বড় হয়ে ওঠে, তখন পুরো অর্থনৈতিক কাঠামোটিই বৈষম্যমূলক হয়ে পড়ে। কৃষক ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত হন, সাধারণ মানুষ আবাসন ও পরিবহনের চাপে পিষ্ট হন। এই সমস্যাগুলো বিচ্ছিন্ন নয়, বরং একে অপরের সাথে গভীরভাবে যুক্ত একটি চক্র।
বাজেট ২০২৬-২৭: সংখ্যার আড়ালে কার স্বার্থ?
Shams-uddin byapariগত ১১ জুন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জাতীয় সংসদে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পেশ করেছেন, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বাজেট এবং বিএনপি সরকারের বিগত দুই দশকে প্রথম বাজেট। সংখ্যাটা বিশাল, প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ৬.৫ শতাংশ, মুদ্রাস্ফীতি কমিয়ে ৭.৫ শতাংশে আনার প্রতিশ্রুতি। কিন্তু বাজেটের আকার নিয়ে মুগ্ধ হওয়ার চেয়ে জরুরি প্রশ্ন হলো, এই অর্থ কোথা থেকে আসছে, কাদের ওপর তার চাপ পড়ছে, এবং কাদের কাছে গিয়ে পৌঁছাচ্ছে।
Bangladesh’s FY2026-27 budget expands development spending, but women and children may not feel its impact. Delayed funds, unclear targeting, and weak traceability risk keeping promises on paper.
বাজেট ২০২৬-২৭ঃ কতটা গরীব বান্ধব ও সমতা ভিত্তিক?
Mahtab Uddinপ্রস্তাবিত ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেটটি সামষ্টিক অর্থনীতির (Macroeconomics) দৃষ্টিকোণ থেকে পর্যালোচনা করলে বেশ কিছু আশাব্যঞ্জক দিকের পাশাপাশি গভীর কিছু শঙ্কার জায়গাও উন্মোচিত হয়। বাজেটের বেশ কিছু ইতিবাচক দিক রয়েছে, বিশেষ করে সাপ্লাই-সাইড বা জোগান ব্যবস্থায়। ব্যবসা সহজীকরণের লক্ষ্যে ৭ দিনের মধ্যে লাইসেন্স এবং ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কোম্পানি নিবন্ধনের জন্য 'Single Window System' চালু করার উদ্যোগ প্রশংসনীয়।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তিতে বাংলাদেশের শঙ্কার জায়গা গুলো কোথায়?
Mahtab Uddinগত ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে, জাতীয় নির্বাচনের মাত্র তিন দিন...
গিগ ইকোনোমির সবচেয়ে বড় বৈপরীত্য হলো শ্রমিকদের জন্য কাজটি অনিশ্চিত হলেও ক্রমাগত নতুন মানুষ এই খাতে প্রবেশ করছে। এর পেছনে রয়েছে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক বাস্তবতা। বিশ্বজুড়ে স্থায়ী চাকরির সুযোগ ক্রমশ কমছে, বিশেষ করে তরুণদের জন্য শ্রমবাজারে প্রবেশ করা কঠিন হয়ে উঠেছে।
অ্যাকাউন্ট নেই?
ইতিমধ্যে অ্যাকাউন্ট আছে?