সকল লেখা জানতে চাই
Searching…

সকলের মৌলিক অধিকার: ফের স্তালিন করিলেন

অক্টোবর বিপ্লবের মাধ্যমে অর্জিত শ্রমিকশ্রেণির গণতান্ত্রিক অধিকার ও সামাজিক মুক্তি স্তালিনের আমলাতান্ত্রিক শাসনে কীভাবে সংকুচিত হয়েছিল, তা এক বড় ঐতিহাসিক প্রশ্ন। লেনিনের মৃত্যুর পর স্তালিন সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেননি, বরং বিপ্লবের ভিত্তিকে ব্যবহার করে এক রক্ষণশীল ও আমলাতান্ত্রিক কাঠামো গড়ে তুলেছিলেন।

Sankalpa
Sankalpa মজদুরের নিয়মিত লেখক
পড়তে 8 মিনিট লাগতে পারে
এই লেখাটি 118 বার পড়েছে এ মাসে লেখকের লেখা 2 জন পাঠক পড়েছেন
সকলের মৌলিক অধিকার: ফের স্তালিন করিলেন

কমরেড অনিন্দ্য শুভ্রের “কমিউনিজম ও কমরেড জোসেফ স্তালিন” লেখার উত্তরে পূর্বে আমি “বিপ্লবের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস: স্তালিন করিলেন” শিরোনামে একটি বিশদ প্রতিক্রিয়া লিখেছিলাম। সেখানে আমি মূলত দেখানোর চেষ্টা করি যে অক্টোবর বিপ্লবের অর্জনগুলো, যা শ্রমিকশ্রেণির রাষ্ট্রক্ষমতা দখল, উৎপাদনের উপায়ের সামাজিকীকরণ এবং পরিকল্পিত অর্থনীতির ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে ছিল, তা কীভাবে স্তালিনের নেতৃত্বে রাষ্ট্রযন্ত্রের আমলাতান্ত্রিক রূপান্তরের মাধ্যমে ধীরে ধীরে সংকুচিত হয়। কিন্তু অনিন্দ্য শুভ্র তাঁর লেখায় “মহান বিশ্বনেতা” স্তালিনের আমলে শুধু শিল্পায়ন বা সামরিক বিজয় নয়, এমনকি “সকলের মৌলিক অধিকার নিশ্চিতকরণ”-এর মতো দাবিও উত্থাপন করেন। [উল্লেখ্য, বলশেভিক চিন্তায় অধিকার ধারণাটি সার্বজনীন-লিবারেল অর্থে নয়; বরং শ্রেণি-ভিত্তিক রাষ্ট্রক্ষমতার অধীনস্থ এক ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক ফল হিসেবে বিবেচিত ছিল।] অথচ বাস্তব ইতিহাস দেখায় যে যদিও অক্টোবর বিপ্লব শ্রমিকশ্রেণির নেতৃত্বে একটি পশ্চাৎপদ কৃষিভিত্তিক দেশে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে সত্যিই বহু মৌলিক সামাজিক অধিকার ও গণতান্ত্রিক অগ্রগতির সূচনা করেছিল; মেনশেভিকদের “দ্বিস্তরীয় বিপ্লবের তত্ত্ব”কে ভুল প্রমাণ করে সমাজতান্ত্রিক রূপান্তরের পূর্বশর্তগুলির বাস্তব সূচনা ঘটিয়েছিল। কিন্তু স্তালিনের অধীনে এই অর্জনগুলির একটি বড় অংশকেই ধারাবাহিকভাবে পুনর্গঠিত, সংকুচিত বা প্রত্যাহার করা হয়। এই দ্বিতীয় অংশে আমি তাই দেখাব কীভাবে শ্রমিক গণতন্ত্র, পারিবারিক আইন, নারীমুক্তি, যৌন স্বাধিকারের প্রশ্ন এবং জাতীয় অধিকার, সব ক্ষেত্রেই বিপ্লব-উত্তর অগ্রগতিকে স্তালিনীয় আমলাতান্ত্রিক রাষ্ট্র ধীরে ধীরে উল্টে দিয়ে এক ভিন্ন, আমলাতান্ত্রিক ও প্রতিক্রিয়াশীল কাঠামো প্রতিষ্ঠা করে যা শেষ অবধি প্রতিবিপ্লবের পথ খুলে দিয়েছিল।

লেনিনের মৃত্যুর পর স্তালিন সমাজতন্ত্র "প্রতিষ্ঠা" করেননি। অক্টোবর বিপ্লবের মাধ্যমে শ্রমিকশ্রেণি উৎপাদনের উপায়কে সামাজিক মালিকানায় নিয়ে আসে, পরিকল্পিত অর্থনীতির ভিত্তি স্থাপন করে এবং সেই ভিত্তির ওপরই পরবর্তী শিল্পায়ন সম্ভব হয়। সোভিয়েত অর্থনীতির বিরাট সাফল্যের উৎস ছিল অক্টোবর বিপ্লবের সামাজিক ভিত্তি, স্তালিনের আমলাতন্ত্র নয়। বরং সেই আমলাতন্ত্রই শ্রমিকশ্রেণির গণতান্ত্রিক ক্ষমতা দখল করে রাষ্ট্রকে বিকৃত শ্রমিকরাষ্ট্রে পরিণত করে।

অক্টোবর বিপ্লবের পর বলশেভিকরা নারীমুক্তির ক্ষেত্রে বিশ্বের সবচেয়ে অগ্রগামী আইন প্রবর্তন করেছিল। বিবাহ ও বিবাহবিচ্ছেদ সহজ করা হয়, গর্ভপাত বৈধ করা হয়, নারীর সমান আইনি অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয় এবং গৃহস্থালির বোঝা সামাজিকভাবে ভাগ করে নেওয়ার লক্ষ্যে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়। কিন্তু স্তালিনের আমলে এই বিপ্লবী নীতির বড় অংশই উল্টে দেওয়া হয়। পরিবারকে আবার "সমাজের মৌলিক একক" হিসেবে মহিমান্বিত করা হয়, ১৯৩৬ সালে গর্ভপাত কার্যত নিষিদ্ধ করা হয়, বিবাহবিচ্ছেদ কঠিন করা হয় এবং মাতৃত্বকে রাষ্ট্রীয় কর্তব্য হিসেবে প্রচার করা হয়। নারীমুক্তির পরিবর্তে রক্ষণশীল পারিবারিক নীতিই রাষ্ট্রের আদর্শে পরিণত হয়। যথেষ্ট সংখ্যক সন্তানের জন্ম দেওয়া মায়েদের জোসেফ স্তালিনের নির্দেশে ১৯৪৪ সালে অর্ডার অফ ম্যাটারনাল গ্লোরি নামক বেসামরিক পুরস্কার চালু করা হয়। এই চূড়ান্ত পিতৃতান্ত্রিক ভাবনাকে আজও বিভিন্ন স্তালিনবাদী দল অনুসরণ করে চলেছে।

একইভাবে, ১৯১৭ সালের বিপ্লবের পর সমকামিতাকে অপরাধের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল, যা সে সময় বিশ্বের সবচেয়ে প্রগতিশীল পদক্ষেপগুলির একটি ছিল। চিচেরিনের মতো একজন উচ্চপদস্থ বিপ্লবী ব্যক্তিত্বের উপস্থিতি দেখায় যে প্রাথমিক সোভিয়েত রাষ্ট্রে যৌন স্বাধীকারের প্রশ্নটি তখনও অপরাধীকরণের মাধ্যমে দমন করা হয়নি, এবং পার্টি ও প্রশাসনিক উচ্চপর্যায়ে এমন ব্যক্তিদেরও অবস্থান সম্ভব ছিল যাদের ব্যক্তিগত যৌন পরিচয় তাদের রাজনৈতিক ভূমিকার সঙ্গে সরাসরি সংঘর্ষে পড়েনি। কিন্তু ১৯৩৪ সালে স্তালিনবাদী আমলাতন্ত্র পুনরায় সমকামিতাকে অপরাধ ঘোষণা করে। অজস্র মানুষ সমকামিতার “অপরাধে” কারাবন্দী হন এবং রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের শিকার হন। যদি "সকলের মৌলিক অধিকার" নিশ্চিত করা হয়ে থাকে, তবে কেন ব্যক্তিগত যৌন স্বাধীনতাকে আবার অপরাধে পরিণত করা হল। উদাহরণস্বরূপ, সোভিয়েত সঙ্গীতজগতে জনপ্রিয় টেনর ভাদিম কোজিন, যিনি প্রকাশ্যে সমকামী ছিলেন, ১৯৩৪ সালে আইন পরিবর্তনের পর গ্রেফতার ও দীর্ঘকালীন নির্বাসনের শিকার হন, এবং তাঁর জীবন কার্যত রাষ্ট্রীয় দমনযন্ত্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে। মিখাইল কুজমিন রুশ সিলভার এজের একজন প্রভাবশালী কবি এবং প্রকাশ্যভাবে সমকামী অভিজ্ঞতার সাহিত্যিক রূপকারদের একজন ছিলেন। ১৯৩০-এর দশকে স্তালিনীয় সাংস্কৃতিক আবহে তাঁর কাজ ক্রমশ প্রান্তিক হয়ে পড়ে।

স্তালিনের অধীনে সোভিয়েত ইউনিয়নে সমকামিতার প্রতি দমনমূলক নীতির প্রবর্তনের বিরুদ্ধে ইউরোপীয় কমিউনিস্ট পার্টির সদস্যদের মধ্যে যে উদ্বেগ জন্মেছিল, তার একটি উদাহরণ পাওয়া যায় ব্রিটিশ কমিউনিস্ট পার্টির এক সদস্যের অভিজ্ঞতায়, যিনি মস্কো ডেইলি নিউজে কাজ করছিলেন। ১৯৩৪ সালে নতুন আইন প্রবর্তনের খবর পেয়ে তিনি স্তালিনকে একটি চিঠি লেখেন, যেখানে তিনি জিজ্ঞাসা করেন যে সমকামিতাকে অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করা কীভাবে ন্যায়সঙ্গত হতে পারে। ওই লেখক, হ্যারি হোয়াইট, নিজেও একজন সমকামী ব্যক্তি ছিলেন এবং তাঁর রুশ সঙ্গী সিক্রেট পুলিশের দ্বারা গ্রেফতার হয়ে নিখোঁজ হয়ে পড়েন। চিঠিতে তিনি যুক্তি দেন যে বিপ্লব-পরবর্তী সময়ে এই বিষয়ে যে অগ্রগতি হয়েছিল, নতুন আইন তা পুরোপুরি বাতিল করে দিচ্ছে। হোয়াইট, পার্টির একজন অনুগত সদস্য হিসেবেই মনে করতেন যে শুধুমাত্র প্রকৃত প্রতিবিপ্লবী কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদেরই শাস্তি দেওয়া হবে; কিন্তু তিনি দ্রুতই বুঝতে পারেন যে আইনটি সকল সমকামীর বিরুদ্ধেই প্রযোজ্য। স্তালিন এই চিঠিটি সংরক্ষণ করেন এবং তাতে নিজের হাতে মন্তব্য লেখেন: “একজন বিকৃত নির্বোধ”, যা চিঠির লেখকের প্রতিই অবমাননাকর ইঙ্গিত ছিল।

এরপর, এমন প্রতিবাদগুলোকে মোকাবিলা করতে স্তালিন প্রচারমূলক উদ্যোগের প্রয়োজন অনুভব করেন। তিনি লেখক ম্যাক্সিম গোর্কির সহায়তা নেন, যিনি ১৯৩৪ সালের মে মাসে প্রাভদা ও ইজভেস্তিয়ায় “প্রলেতারীয় মানবতাবাদ” শিরোনামে একটি নিবন্ধ লেখেন। সেখানে সমকামিতাকে “বুর্জোয়া পশ্চিমের রোগ” এবং এমনকি “ফ্যাসিবাদের নৈতিক অবক্ষয়ের প্রকাশ” হিসেবে চিত্রিত করা হয়, এবং প্রচারিত হয় এই উক্তি: “সমকামীদের ধ্বংস করো—ফ্যাসিবাদ বিলুপ্ত হবে।”

স্তালিনবাদী আমলাতন্ত্রের সামাজিক নীতিগুলোর পরিবর্তন, বিশেষ করে গর্ভপাতের নিষেধাজ্ঞা, মাতৃত্বের রাষ্ট্রীয় মহিমাকরণ এবং সমকামিতার অপরাধীকরণ নিছক আলাদা আলাদা নৈতিক সিদ্ধান্ত নয়। এগুলি সোভিয়েত আমলাতন্ত্রের আত্মরক্ষামূলক দৃষ্টিভঙ্গির অংশ, শ্রমিক-গণতন্ত্র থেকে ক্রমশ বিচ্ছিন্ন হয়ে ওঠা একটি বিশেষাধিকারপ্রাপ্ত স্তরের নীতিগত রূপান্তর। বিপ্লব যখন আন্তর্জাতিকভাবে বিস্তৃত হতে ব্যর্থ হয় এবং “এক দেশে সমাজতন্ত্র” তত্ত্বের অধীনে সংকুচিত হয়ে পড়ে, তখন সোভিয়েত রাষ্ট্রের আমলাতন্ত্র নিজস্ব স্থিতি ও সামাজিক পুনরুৎপাদনের প্রয়োজন অনুযায়ী সমাজকে পুনর্গঠন করতে থাকে। শ্রমিক গণতন্ত্রের সম্প্রসারণের বদলে অগ্রাধিকার পায় জনসংখ্যাগত স্থিতিশীলতা, সামাজিক শৃঙ্খলা এবং রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণের ঘনত্ব। এই প্রেক্ষিতেই পরিবারকে আবার “সমাজের মৌলিক একক” হিসেবে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হয়, কারণ পরিবার অধঃপতিত রাষ্ট্রটির জন্য একটি স্থিতিশীল সামাজিক পুনরুৎপাদন কাঠামো যার মাধ্যমে শ্রমশক্তি এবং ভবিষ্যৎ সৈন্য উভয়ই উৎপাদিত হয়। একইভাবে, যৌনতার ক্ষেত্রে কঠোর নিয়ন্ত্রণ, যেমন সমকামিতার অপরাধীকরণ, সমাজকে “শৃঙ্খলিত” ও “উৎপাদনমুখী” পারিবারিক কাঠামোর মধ্যে আবদ্ধ রাখার একটি উপায় হিসেবে কাজ করে।

জাতীয় প্রশ্নেও একই চিত্র দেখা যায়। লেনিন ও বলশেভিকরা বিভিন্ন নিপীড়িত জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারকে স্বীকৃতি দিয়েছিলেন এবং ৎসারতান্ত্রিক “মহান রুশ” জাতীয়তাবাদের বিরুদ্ধে লড়েছিলেন। কিন্তু স্তালিনের আমলে রুশ-কেন্দ্রিক আমলাতান্ত্রিক কেন্দ্রীকরণ বৃদ্ধি পায়। বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর ওপর দমন-পীড়ন চালানো হয় এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় সম্পূর্ণ জাতিসমূহকে জোরপূর্বক নির্বাসনে পাঠানো হয়। এমনকি যে ১৯৩৬ সালের সংবিধানকে "পৃথিবীর সবচেয়ে গণতান্ত্রিক সংবিধান" বলে প্রচার করা হতো, ত্রৎস্কি দেখিয়েছিলেন যে কাগজে লেখা অধিকারের সঙ্গে বাস্তব জীবনের কোনও মিল ছিল না। বাকস্বাধীনতা, সংগঠনের স্বাধীনতা কিংবা শ্রমিকদের রাজনৈতিক ক্ষমতা কার্যত অনুপস্থিত ছিল। সোভিয়েত, ট্রেড ইউনিয়ন ও পার্টি—সবকিছুই আমলাতন্ত্রের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।

নিরক্ষরতা দূর হওয়া, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, বিজ্ঞান, শিক্ষা ও শিল্পের উন্নতি, এসব ছিল পরিকল্পিত অর্থনীতি ও জাতীয়কৃত সম্পত্তির বাস্তব শক্তির প্রকাশ। কিন্তু এই অর্জনের কৃতিত্ব শ্রমিক বিপ্লবের সামাজিক ভিত্তির, কোনও ব্যক্তির নয়। স্তালিনের ভূমিকা ছিল সেই ভিত্তির ওপর পরজীবী আমলাতান্ত্রিক শাসন কায়েম করা, শ্রমিক গণতন্ত্র ধ্বংস করা এবং শেষ পর্যন্ত এমন একটি বিশেষাধিকারপ্রাপ্ত স্তরের নেতৃত্ব দেওয়া, যার উত্তরসূরীরাই পরে সোভিয়েত ইউনিয়নে পুঁজিবাদ পুনঃপ্রতিষ্ঠার পথ খুলে দেবেন।

অতএব, "স্তালিন সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এবং সকলের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করেছিলেন"—এই বক্তব্য ইতিহাস সম্মত নয়; এটি স্তালিনবাদী মিথ্যা প্রচার। বাস্তবে, অক্টোবর বিপ্লবের সৃষ্টি করা সমাজতান্ত্রিক পূর্বশর্ত গঠনোন্মুখ অর্থনৈতিক ভিত্তি অসাধারণ সামাজিক অগ্রগতি সম্ভব করেছিল, কিন্তু স্তালিনের আমলাতান্ত্রিক একনায়কতন্ত্র সেই বিপ্লবের গণতান্ত্রিক ও আন্তর্জাতিকতাবাদী চেতনাকে ক্রমাগত ধ্বংস করেছে ও নিজের ধ্বংস নিজেই ডেকে এনেছে।


#স্তালিন #অক্টোবর_বিপ্লব #সমাজতন্ত্র #সোভিয়েত_ইউনিয়ন #ইতিহাস #বলশেভিক #রাজনীতি #আমলাতন্ত্র
Sankalpa

About the Author

Sankalpa

মজদুরের নিয়মিত লেখক

শিক্ষার্থী

বই পড়ি, প্রশ্ন করি, তর্ক করি। সাহিত্য, ইতিহাস আর রাজনীতি নিয়ে ভাবতে ভালোবাসি। বিশেষ করে সমাজকে তার অন্তর্নিহিত দ্বন্দ্ব, পরিবর্তন ও সম্ভাবনার মধ্য দিয়ে বোঝার চেষ্টা করি। জটিল বিষয়কে সহজ করে বোঝার চেয়ে, তাকে গভীরভাবে বোঝার চেষ্টাটাকেই বেশি মূল্য দিই।

প্রোফাইল দেখুন

মতামত

এখনও কোনো মতামত নেই।

প্রথম মতামতটি আপনিই দিন।

আলোচনায় অংশ নিতে লগ ইন করুন অথবা এ্যাকাউন্ট খুলুন

Reading

Font size

Auto scroll
Slow Fast