ভারতের সিপিআই, সিপিআই(এম) বা সিপিআই(এমএল) লিবারেশনের কোনও কর্মীকে জিজ্ঞেস করুন, তাঁদের দল কেন নির্বাচনে লড়ে, সরকারে যায় কিংবা ইন্ডিয়া জোট বা মহাগঠবন্ধনের মতো জোটে যোগ দেয়। উত্তরে মোটামুটি একই কথা শোনা যাবে: এই ব্যবস্থার মধ্যে থেকেই, এখনই মানুষের জীবনযাত্রার কিছুটা উন্নতি করার জন্য আমরা নির্বাচনে লড়ি সরকার গঠন করার উদ্দেশ্যে। বাংলায় ভূমি সংস্কার, কেরলে জনকল্যাণমূলক প্রকল্প ও সাক্ষরতা অভিযান, বিহারে কংগ্রেস-আরজেডি নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক হয়ে “বিধানসভা থেকে রাস্তায়” লড়াই করা, সব ক্ষেত্রেই যুক্তিটা একই।
এই রাজনীতিতে পরিবর্তনের পথ হল “রাষ্ট্রযন্ত্র ভেঙে শ্রমিকশ্রেণির ক্ষমতা প্রতিষ্ঠা করা” নয়; বরং বুর্জোয়া ব্যবস্থার মধ্যেই ক্ষমতায় যাও, আরও ভালোভাবে প্রশাসন চালাও এবং যথেষ্ট আসন ও জনসমর্থন গড়ে তুলে ধীরে ধীরে সমাজকে উন্নত কর। অর্থাৎ নির্বাচনের পর নির্বাচন, জোটের পর জোটে, বিদ্যমান রাষ্ট্রেরই একটি তুলনামূলকভাবে ভালো সংস্করণ গড়ে তোলাই হয়ে দাঁড়ায় লক্ষ্য।
এই লেখার মূল যুক্তি এই রাজনীতির বিরুদ্ধেই। কারণ বিপ্লবীদের কাছে নির্বাচন অপ্রয়োজনীয় বলে নয়, বরং মার্কস, এঙ্গেলস বা লেনিন যে অর্থে নির্বাচনী রাজনীতিকে ব্যবহারের কথা বলেছিলেন, এই রাজনীতি তার সম্পূর্ণ বিপরীত। তাঁরা সাধারণভাবে সংসদ বয়কটের কথা বলেননি। বরং বলেছিলেন, নির্বাচন ও সংসদের মঞ্চকে ব্যবহার করতে হবে শ্রমিক শ্রেণির ক্ষমতা দখলের বিপ্লবী সংগ্রামের প্রচারের স্বার্থে। ১৯২০ সালের কমিউনিস্ট ইন্টারন্যাশনালের পার্লামেন্টারিজম-বিষয়ক থিসিসে এই অর্থেই একে বলা হয়েছিল “সহায়ক ঘাঁটি”।
আন্তর্জাতিক শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাস থেকে
১৯০৫-এর পর বলশেভিকরা দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ দুমায় তীব্র লড়াই চালিয়েছিল। কিন্তু তারা সেখানে কেবল সংস্কার আদায় করে নিজেদের জনপ্রিয়তা বাড়ানোর জন্য বা বিদ্যমান ব্যবস্থা সম্পর্কে মোহ তৈরি করতে যায়নি। বলশেভিক দুমা-গোষ্ঠীর কর্তব্য ছিল দুমা, জারতন্ত্র এবং উদারপন্থী কাদেতদের রাজনৈতিক চরিত্র জনগণের সামনে উন্মোচিত করা। ১৯১৪ সালে এই দুমা প্রতিনিধিরা গোপন যুদ্ধবিরোধী প্রচারের সঙ্গে তাঁদের বৈধ দুমা-সদস্যপদ ব্যবহার করার কারণে গ্রেফতার হয়ে সাইবেরিয়ায় নির্বাসিত হন। এই ঘটনা তাঁদের নির্বাচনী কৌশলেরই অংশ। এ অভিজ্ঞতার মাধ্যমে জনগণ এই সংসদীয় ব্যবস্থা সম্পর্কে শিক্ষিত হওয়ার ও তাদের প্রকৃত বন্ধুদের চিহ্নিত করার সুযোগ পায়।
১৯২০ সালে কমিউনিস্ট ইন্টারন্যাশনালের দ্বিতীয় কংগ্রেসে দুটি বিপরীতমুখী ভ্রান্তির বিরুদ্ধে এই অভিজ্ঞতার একটি স্পষ্ট মূল্যায়ন হাজির করা হয়। একদিকে ছিল অতি-বাম “বয়কটপন্থী” ধারা, বোর্দিগা এবং জার্মান ও ডাচ বামপন্থীরা, যারা পার্লামেন্টারি কাজকেই সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করেছিল। অন্যদিকে ছিল পুরনো দ্বিতীয় আন্তর্জাতিকের সংস্কারবাদী পার্লামেন্টারিজম, যেখানে নির্বাচনী প্রচারের উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছিল আসন জেতা এবং সরকারে যাওয়াই অন্তিম লক্ষ্য।
সেই কংগ্রেসে লেনিনের বিতর্ক, যা পরে “বামপন্থী” কমিউনিজম: একটি শিশুরোগ-এ আরও বিস্তৃত রুপ পায়, দেখিয়ে দেয় কেন বিপ্লবীদের সংসদের ভিতরে কাজ করা দরকার। কারণ সাধারণ শান্তিপূর্ণ সময় সংসদের প্রতি আস্থাশীল এমন শ্রমিকরাই সংখ্যাগুরু, “যারা পুরোহিতদের দ্বারা প্রতারিত এবং গ্রামীণ জীবনের পরিস্থিতিতে বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে অবদমিত।” তাই পার্লামেন্টারি কাজের উদ্দেশ্য ছিল সেখানে গিয়ে জনগণকে বিপ্লবী রাজনীতির প্রতি আকৃষ্ট কর।
কমিউনিস্ট ইন্টারন্যাশনালের পার্লামেন্টারিজম-বিষয়ক থিসিসে বলা হয়, প্রার্থীদের কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদন ও নিয়ন্ত্রণের অধীনে থাকতে হবে। নির্বাচনী প্রচার চালাতে হবে “জনগণের বিপ্লবী সংগঠনের চেতনায়”, নিছক আসন জেতার জন্য নয়। দলের নির্দেশে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের পদত্যাগ করতেও প্রস্তুত থাকতে হবে। পার্লামেন্টে তাঁদের সমস্ত কাজকে পার্টির পার্লামেন্ট-বহির্ভূত সংগ্রামের অধীনস্থ রাখতে হবে। আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, সংসদে একজন কমিউনিস্ট সদস্য কোনও সমঝোতাপ্রবণ আইনপ্রণেতা নন; তিনি শত্রুর শিবিরে পাঠানো একজন আন্দোলনকারী ও প্রচারক।
স্থানীয় সরকারে কমিউনিস্টরা সংখ্যাগরিষ্ঠ হলে কী করা উচিত, ১৩ নম্বর পয়েন্টে তার নির্দেশও তাৎপর্যপূর্ণ। বলা হয়েছিল, স্থানীয় ক্ষমতায় থাকা [উদাহরণ: পঞ্চায়েত, জেলা পরিষদ, পৌরসভা বা ইত্যাদি] কমিউনিস্টদের কেন্দ্রীয় বুর্জোয়া সরকারের বিরুদ্ধে বিরোধিতা সংগঠিত করতে হবে, দরিদ্র মানুষের স্বার্থে পদক্ষেপ নিতে হবে, যেমন সশস্ত্র শ্রমিক মিলিশিয়া গড়ে তোলা, এবং বুর্জোয়া রাষ্ট্র কাঠামোগতভাবে কী দিতে পারে না, তা জনগণের সামনে বারবার তুলে ধরতে হবে। যেখানে সম্ভব, স্থানীয় সরকারকে শ্রমিক পরিষদ [সোভিয়েত] দিয়ে প্রতিস্থাপন করতে হবে।
অর্থাৎ সরকারি ক্ষমতায় থাকা বিপ্লবীদের কাজ হল সেই ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা জনগণের সামনে স্পষ্ট করা। সৎ ও দক্ষ কমিউনিস্টদের হাতে পুঁজিবাদও গরিব মানুষের জন্য ভালোভাবে কাজ করতে পারে, এমন মিথ্যে আশা সৃষ্টি করা নয়।
এটাই সেই মৌলিক পার্থক্য, যা আজ প্রায় সম্পূর্ণ মুছে দেওয়া হয়েছে। প্যারি কমিউনের অভিজ্ঞতার পর মার্কস বলেছিলেন, শ্রমিকশ্রেণি শুধু “বিদ্যমান রাষ্ট্রযন্ত্রটি দখল করে নিজেদের উদ্দেশ্যে ব্যবহার” করতে পারে না। কমিউনিস্ট ইন্টারন্যাশনালের থিসিস আরও স্পষ্ট করে: এমনকি প্রলেতারিয়েতের একনায়কত্বের অধীনেও এই সংসদীয় কাঠামো রূপান্তরের বাহন হতে পারে না। কারণ বুর্জোয়া রাষ্ট্রকে ভেঙে দেওয়াই কর্তব্য; তাকে উত্তরাধিকারসূত্রে নিয়ে আরও ভালোভাবে চালানো যায় না।
বোর্দিগার বিরুদ্ধে লেনিন বলেছিলেন যে অক্টোবর বিপ্লবের অভিজ্ঞতার পরেও কমিউনিস্টদের গণপরিষদ (Constituent Assembly)-র দাবি করতে হতে পারে। মিথ্যে সংসদীয় মোহকে টিকিয়ে রাখবার জায়গা থেকে তিনি তা বলেননি। এটি ছিল একটি কৌশলগত পদক্ষেপ। জারের শাসনে ভুক্তভোগী কৃষক জনগণ যাতে নিজের চোখে দেখে, বাস্তব অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে বুঝতে পারে যে গণপরিষদ তাদের সমস্যার সমাধান করতে অক্ষম, সেই সুযোগ তৈরি করাই ছিল উদ্দেশ্য। এরপর গণপরিষদের নিজস্ব কাজের মধ্য দিয়ে সেই শিক্ষা দেওয়ার পর সেটিকে ভেঙে সোভিয়েতের হাতে ক্ষমতা তুলে দেওয়া হয়। অর্থাৎ বুর্জোয়া প্রজাতন্ত্রের ব্যালট ব্যবহার করা হয়েছিল সেই ব্যালট বাক্সের সীমাবদ্ধতা উন্মোচনের জন্য।
ভারতীয় সংস্কারবাদীদের পথ
এই মানদণ্ডে সিপিআই/সিপিআই(এম)-এর রাজনীতিকে বিচার করলে ছবিটা পরিষ্কার হয়ে যায়। সিপিআই(এম)-এর ১৯৬৪ সালের কর্মসূচিতে প্রথম পর্যায়ে নির্বাচনী ও পার্লামেন্টারি পথের মাধ্যমে একটি “জনগণতান্ত্রিক” রূপান্তর অর্জনের কথা বলা হয়েছিল। বাস্তবে এর ফল হয়েছিল পশ্চিমবঙ্গে ১৯৭৭ থেকে ২০১১ পর্যন্ত চৌত্রিশ বছরের বামফ্রন্ট সরকার। এই সরকারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সাফল্যগুলির একটি হল অপারেশন বর্গার মাধ্যমে বর্গাদারদের অধিকার প্রতিষ্ঠা। কিন্তু তার সীমাবদ্ধতাও ছিল স্পষ্ট। পুঁজিবাদের ভিতরে এই পুনর্বণ্টনমূলক সংস্কার সম্ভব হয়েছিল পুঁজির চাহিদার সাথে মানিয়ে নিয়েই।
২০০৬–০৭ সালে “ভালো প্রশাসন”-এর এই যুক্তিটি সবচেয়ে কঠোর বিরোধিতার মুখে পড়ে। সিঙ্গুর ও নন্দীগ্রামে কর্পোরেট শিল্প বিনিয়োগ আনার নামে একই বামফ্রন্ট সরকার সেই কৃষকদের বিরুদ্ধেই পুলিশ ও দলীয় ক্যাডার নামিয়েছিল, যাদের স্বার্থ রক্ষার দাবি তারা করত। ২০০৭ সালের মার্চে নন্দীগ্রামে আন্দোলনরত কৃষকদের উপর গুলি চালানো হয় এবং মানুষ নিহত হন। ভূমি সংস্কারের জন্য নির্বাচিত একটি সরকার শেষ পর্যন্ত টাটার গাড়ি কারখানার জন্য বলপূর্বক জমি অধিগ্রহণের বিরুদ্ধে নিজেদের জমি রক্ষায় আন্দোলনরত কৃষকদের উপর গুলি চালাল। এই কারখানা তৈরি হলেও কোন স্থায়ী কাজের নিশ্চয়তা তৈরি হত না, কারণ এটা সাম্রাজ্যবাদের যুগ, এখন বিশ্ব ঐতিহাসিকভাবে নতুন করে শিল্পায়ন সামাজিক প্রগতি আনতে ব্যর্থ। বরং বাম আমলেই একের পর এক কারখানা লকাউট হয়ে যেতে দেখা গেছে। এটি কোনও আকস্মিক বিচ্যুতি বা বিচ্ছিন্ন ভ্রান্তি নয়। যখন “বিদ্যমান ব্যবস্থাকে ভালোভাবে চালানো”ই কৌশলগত লক্ষ্য হয়ে ওঠে, তখন এই পরিণতি তারই স্বাভাবিক ফল। কেরলের এলডিএফ সরকারগুলি একই রাজনীতির সংস্করণ দেখায়।
বিশ্বের অভিজ্ঞতাও একই কথা বলে
এটি ভারতীয় রাজনীতির কোনও বিশেষ বৈশিষ্ট্য নয়। ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে গ্রিসে সিরিজা স্পষ্ট অ্যান্টি-অস্টেরিটি কর্মসূচি নিয়ে ক্ষমতায় এসেছিল। কিন্তু কয়েক মাসের মধ্যেই পুঁজিবাদী রাষ্ট্রযন্ত্র পরিচালনার দায়িত্ব নেওয়ার পর ট্রয়কার শর্তের কাছে আত্মসমর্পণ করে। কারণ যে দল বিদ্যমান রাষ্ট্রকে ভেঙে দেওয়ার বদলে সেটিই চালাতে চায়, সেই রাষ্ট্রের ঋণদাতারা ‘না’ বললে তার হাতে আর কোনও কার্যকর অস্ত্র থাকে না।
সালভাদোর আলেন্দের পপুলার ইউনিটি সরকার একই ভুলের আরও রক্তাক্ত উদাহরণ। ১৯৭০ সালে একটি সমাজতান্ত্রিক কর্মসূচি নিয়ে নির্বাচিত হলেও সরকার সেনাবাহিনী, বিচারব্যবস্থা এবং রাষ্ট্রযন্ত্রকে অক্ষত রেখেছিল, এই বিশ্বাসে যে ব্যালটের মাধ্যমে পাওয়া জনাদেশ পুরনো রাষ্ট্র মেনে নেবে। তা হয়নি। ১৯৭৩ সালের জুন্তা ক্যু চরম সহিংসতার মাধ্যমে সেই কথাই প্রমাণ করে, যা মার্কস এবং কমিউনিস্ট ইন্টারন্যাশনাল ইতিমধ্যেই তাত্ত্বিকভাবে দেখিয়েছিলেন: বুর্জোয়া রাষ্ট্রকে ব্যালট বাক্সের মাধ্যমে দখল করা যায় না।
বিকল্প পথটি কী
এর কোনওটাই সাধারণভাবে নির্বাচন বয়কটের পক্ষে যুক্তি নয়। মেনশেভিক-স্তালিনবাদী নির্বাচনী রাজনীতির বিকল্প নির্বাচনে না যাওয়া নয়। একটি বিপ্লবী দল প্রার্থী দেবে, কিন্তু তারা থাকবে কঠোর কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণের অধীনে এবং কাজ করবে প্রচারক ও আন্দোলনকারী হিসেবে। নির্বাচিত প্রতিটি আসন ব্যবহার করা হবে বিদ্যমান ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা জনগণের সামনে উন্মোচিত করার জন্য। বুর্জোয়া বা সংস্কারবাদী দলগুলির সঙ্গে মন্ত্রীসভায় যোগ দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে গড়ে তুলতে হবে শ্রমিকশ্রেণির স্বাধীন ক্ষমতার অঙ্গ, সোভিয়েত, যেগুলিই হবে সমাজ রূপান্তরের প্রকৃত বাহন। আর প্রতিটি নির্বাচনী সাফল্যকে দেখতে হবে পরবর্তী পর্যায়ের পার্লামেন্ট-বহির্ভূত সংগ্রামের মঞ্চ হিসেবে, চূড়ান্ত সাফল্য হিসেবে নয়।
লেনিনের “বিপ্লবী পার্লামেন্টারিজম”-এর অর্থ ছিল এটাই। অথচ সিপিআই(এম)-এর চার দশকের রাজ্য সরকার এবং এখন লিবারেশনের মহাগঠবন্ধন-নির্ভর রাজনীতি সেই ধারণাকে সম্পূর্ণ উল্টে দিয়েছে। তার জায়গায় এসেছে এমন একটি রাজনীতি যা পুঁজিবাদী রাষ্ট্রকে ভিতর থেকে আরও মানবিক করে তোলার ব্যর্থ চেষ্টার মাধ্যমে শ্রমিক শ্রেণিকে বামপন্থী রাজনীতি সম্পর্কে অনাস্থাশীল ও হতাশ করে তুলছে ও আপামর জনগণকে ফ্যাসিবাদের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
About the Author
Sankalpa
মজদুরের নিয়মিত লেখকশিক্ষার্থী
বই পড়ি, প্রশ্ন করি, তর্ক করি। সাহিত্য, ইতিহাস আর রাজনীতি নিয়ে ভাবতে ভালোবাসি। বিশেষ করে সমাজকে তার অন্তর্নিহিত দ্বন্দ্ব, পরিবর্তন ও সম্ভাবনার মধ্য দিয়ে বোঝার চেষ্টা করি। জটিল বিষয়কে সহজ করে বোঝার চেয়ে, তাকে গভীরভাবে বোঝার চেষ্টাটাকেই বেশি মূল্য দিই।
প্রোফাইল দেখুন
মতামত
এখনও কোনো মতামত নেই।
প্রথম মতামতটি আপনিই দিন।
আলোচনায় অংশ নিতে লগ ইন করুন অথবা এ্যাকাউন্ট খুলুন