ড. ভীমরাও রামজি আম্বেদকর স্বাধীন গনত্রান্তিক ভারতের স্থপতি শুধু তাই নয়ে তিনি একজন সমাজ সংস্কারক এবং নিপীড়িত মানুষের কণ্ঠস্বর যা আজও প্রবাহমান । আম্বেদকর তাছাড়াও একজন প্রগতিশীল অর্থনীতিবিদ, সমাজবিদ ছিলেন । ড. ভীমরাও রামজি আম্বেদকর এমন এক ভারতের স্বপ্ন দেখেছিলেন, যেখানে সমতা, স্বাধীনতা এবং ভ্রাতৃত্ব কেবল সংবিধানের শব্দ নয়, বরং জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতা। তাঁর ১৩৫তম জন্মবার্ষিকীতে সেই স্বপ্নের ভারতের সঙ্গে একটি ভিন্ন রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক ধারণা মৌলবাদী আরএসএস-প্রভাবিত ভারতের রূপরেখার তুলনা করা অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।
ড. আম্বেদকর যে ভারত গড়তে চেয়েছিলেন, তার ভিত্তি ছিল যুক্তিবাদ, মানবাধিকার এবং সামাজিক ন্যায়। তাঁর কাছে রাষ্ট্র মানে এমন একটি কাঠামো, যেখানে প্রতিটি নাগরিক, তার জাত, ধর্ম, লিঙ্গ বা আর্থিক অবস্থান নির্বিশেষে সমান মর্যাদা পাবে।
"হানা অ্যারেন্ট" তাঁর বিখ্যাত বই The Human Condition এ সমাজজীবনের অন্তর্নিহিত বিরোধাভাসের যে দিকটি নির্দেশ করেছিলেন Hannah Arendt, তার সঙ্গে গিবসনীয় ঘরানার মনস্তত্ত্ব বিশেষত James J. Gibson এর ভাবনার , একটি গভীর ও প্রত্যক্ষ সম্পর্ক বিদ্যমান। গ্রন্থের একেবারে সূচনাতেই অ্যারেন্ট মানবক্রিয়ার তিনটি মৌলিক মাত্রার প্রতি পাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন: শ্রম (labor), সৃজন (work) এবং কৃতি (action)।
মহাদেব গোবিন্দ রানাডে নেতৃত্বে দেখা নিয়ে কোনো অস্বস্তি নেই, কারণ “great man” হওয়া মানে শুধু নায়ক হওয়া বা সামাজিকভাবে জনপ্রিয় হওয়া নয়, বরং ইতিহাসে নতুন দিশা দেখানো। নায়ক আসলে সমাজের তৈরি ও তার শিকার, কিন্তু প্রকৃত নেতা সেই সমাজ-নির্মিত শক্তির বিরুদ্ধেই চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন। সত্যিকারের রাজনীতি হলো সমষ্টির ভ্রান্তি ভাঙার রাজনীতি, যদিও বাস্তবে ক্ষমতাশালী গোষ্ঠীই বেশি সুবিধা পায় এবং তাদের জন্য নৈতিকতা অপরিহার্য নয়। Annihilation of Caste-এ ড. ভীমরাও রামজি আম্বেদকর যে দ্বিমুখী বিরোধিতার কথা বলেন, সেখানে “political reformers”-এর সমালোচনা থাকলেও, তা থেকে তাঁর রাজনীতিবিমুখতা বোঝায় না।
ড. ভীমরাও রামজি আম্বেদকর, হংসা মেহতা, দুর্গাবাই দেশমুখ, রাজকুমারী অমৃত কৌর, রেণুকা রায় এবং সরোজিনী নাইডু ভারতের সংবিধানে নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন কিন্তু আজ এই মৌলবাদী আর.এস.এস ও তার রাজনৈতিক ডানা বিজেপি মিলে ভারতের সংবিধানকে ধ্বংস করতে নেমেছে , সে কোন নারী বিরোধী বিল বা ধর্ষকের মুক্তি হোক , কোন সময়ে কোন ব্যক্তিতা তে নারী বিদ্বেষী বক্তব্য হোক না কেন বার বার আমদের ভারতীয় নারীদের তারা ভোগ্য বস্তু বলে দাবি করেছে তার কয়এক টা উদাহরণ দেওয়া যাক " ১৯৬০ সালে গুজরাট বিশ্ববিদ্যালয়ে মাধব সদাশিবরাও গোলওয়ালকর ছাত্রদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দেবার সময়ে বলেছিল যে প্রতি হিন্দু নারী গর্ভে প্রথম সন্তান ব্রাহ্মণ পুরুষের সাথে যৌন সম্পর্কের দ্বারা হওয়া উচিত । "
কে এই মাধব সদাশিবরাও গোলওয়ালকর ?? এই মাধব সদাশিবরাও গোলওয়ালকর 'গুরুজি' নামেও পরিচিত, ছিল, এবং রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (RSS)-এর দ্বিতীয় সরসঙ্ঘচালক (প্রধান)। এই গোলওয়ালকর ১৯৪০ থেকে ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ৩৩ বছর আরএসএস-এর নেতৃত্ব দিয়েছিল। সেই একই কথা বার বার বিজেপি নেতারা জনসমক্ষে বলেচলেছে ।
আর.এস.এস এর বর্তমান প্রধান মোহন ভাগবত ২০২৬ এর এই নির্বাচনের সময়ে এক আর.এস.এস এর সভাতে বলে যে " আমরা কিছুতেই বামেদের জায়গা দেবনা । তার চেয়ে ভালো তৃনমূল কে রেখে দেব। " তাই পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে যে এই সব মুখোশ ধারি দল গুলি ভারতের সংবিধান কে গলা টিপে মেরে ফেলার সব রকম চেষ্টা করে চলেছে ।
মৌলবাদী আর.এস.এস এর কল্পিত ভারতের রূপরেখা মূলত একটি হিন্দুত্ববাদী আদর্শিক কাঠামোর উপর দাঁড়ানো, যা শ্রেণি-সংগ্রামের বাস্তবতাকে আড়াল করে মৌলবাদী ধর্মীয় পরিচয়কে কেন্দ্র করে সমাজকে গঠন করতে চায় যা ভারতীয় সংবিধান বিরোধী । মৌলবাদী আর.এস.এস এর দৃষ্টিভঙ্গিতে “ভারত” কোনও বহুত্ববাদী, বহুস্তরীয় সমাজ নয়; বরং একটি একরৈখিক পুরুষত্রান্তিক, উগ্রবাদী হিন্দু জাতিরাষ্ট্র হিসেবে কল্পিত, যেখানে হিন্দুত্বই জাতীয় পরিচয়ের মূল ভিত্তি। কমিউনিস্ট বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এই ধরনের
আদর্শ মূলত শাসক শ্রেণির স্বার্থ রক্ষার একটি হাতিয়ার, যা মানুষের প্রকৃত অর্থনৈতিক সমস্যা ,বেকারত্ব, দারিদ্র্য, শ্রমিক শোষণ থেকে মনোযোগ সরিয়ে ধর্মীয় মেরুকরণের দিকে নিয়ে যায়।
সে আবার হতে পারে গরু দুধে সোনা বা জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয় বা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কে সন্ত্রাসের আখরা বলা সবই মৌলবাদী হিন্দুত্ববাদী রাজনৈতিক রূপরেখা যা আর.এস.এস দ্বারা পরিকল্পিত ।
যারা এই মৌলবাদী হিন্দুত্ববাদী রাজনৈতিক রূপরেখা বিরুদ্ধে কথা বলছে তাদের অনেকেই চিরতরে হারিয়ে যেতে হচ্ছে তা হতে পারে নাজিব আহমেদের (১৬ অক্টোবর, ২০১৬ সালে জে.এন.ইউ থেকে নিখোঁজ) মতো অথবা নরেন্দ্র দ্রভাল্কার , গৌরী লঙ্কেশের হোক মতো। বা কোন বিচার ছাড়া উমার খালিদ বা সারজিলের মতন তরুণ বিপ্লবী দের মুখ বন্ধ করার সর্ব চেষ্টা করে চলছে ।
এবার আসা যাক আর.জি . কর ধর্ষণের বিষয়ে অর্থাৎ অভয়া সেই সময়ে মৌলবাদী হিন্দুত্ববাদী আর.এস.এস এর বর্তমান প্রধান মোহন ভাগবত নারী স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন । সেই একই রকম তৎকালীন পশ্চিমবঙ্গের মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গ সরকার রাজ্যের মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালগুলিকে মহিলা ডাক্তারদের রাতের ডিউটি না দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন ।
এবার আসা যাক শ্রমিকদের কথায়ে ১লা মে, আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস, এই দিনটি কেবল শ্রমের মর্যাদা স্মরণ করার দিন নয়, বরং রাষ্ট্র, সংবিধান এবং সমাজের প্রকৃত চরিত্রকে নতুন করে মূল্যায়নেরও সময়। ড. ভীমরাও রামজি আম্বেদকর যে ভারতের স্বপ্ন দেখেছিলেন, তা ছিল একটি সংবিধাননির্ভর, সমতা ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ, যেখানে শ্রমিক বিশেষত নারী শ্রমিক হবে মর্যাদাসম্পন্ন নাগরিক, শোষণের বস্তু নয়; সেই স্বপ্নের কেন্দ্রে ছিল শ্রমের অধিকার, ন্যায্য মজুরি, নিরাপদ কর্মপরিবেশ এবং সামাজিক সুরক্ষা। ভারতের সংবিধান শ্রমিকদের জন্য মৌলিক অধিকার, সমতার নীতি এবং বৈষম্যবিরোধী কাঠামো তৈরি করে, যা রাষ্ট্রকে বাধ্য করে প্রান্তিক মানুষের পাশে দাঁড়াতে; কিন্তু এই সাম্প্রতিক শ্রম আইন সংস্কার যা সাধারণভাবে “নতুন শ্রম কোড” নামে পরিচিত সেই কাঠামোর সঙ্গে এক জটিল সম্পর্ক তৈরি করেছে, যেখানে একদিকে শ্রম আইনকে সহজ করার যুক্তি দেওয়া হয়, অন্যদিকে অনেক শ্রমিক সংগঠন এবং বিশ্লেষকদের মতে এতে কাজের সময় বৃদ্ধি, সংগঠিত প্রতিবাদের সীমাবদ্ধতা এবং সামাজিক সুরক্ষার ক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এই বাস্তবতায় আজকের শ্রমিক হোক সে কারখানার মজুর, নির্মাণ শ্রমিক, ডেলিভারি কর্মী বা অস্থায়ী চুক্তিভিত্তিক কর্মী অনেক ক্ষেত্রে অনিশ্চিত কাজ, কম মজুরি এবং অধিকারহীনতার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে; বিশেষ করে নারী শ্রমিকদের ক্ষেত্রে এই সংকট আরও গভীর, কারণ তারা একই সঙ্গে মজুরি বৈষম্য, কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তাহীনতা এবং সামাজিক বাধার মুখোমুখি হয়, উপরন্তু অনেক ক্ষেত্রেই তাদের শ্রম অদৃশ্য থেকে যায়। জাতপাত ও লিঙ্গ বৈষম্য আজও শ্রমবাজারে স্পষ্টভাবে বিদ্যমান নিম্নবর্গ ও প্রান্তিক সম্প্রদায়ের মানুষরা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কঠিন, অনিরাপদ এবং কম মজুরির কাজে নিযুক্ত থাকে, এবং নারীরা প্রায়শই একই কাজের জন্য কম পারিশ্রমিক পায়; এই বাস্তবতা সংবিধানের ঘোষিত সমতার ধারণার সঙ্গে একটি তীব্র বৈপরীত্য তৈরি করে। এই প্রেক্ষাপটে মৌলবাদী আরএসএস প্রভাবিত ভারতের রূপরেখা যেখানে সমাজকে একটি নির্দিষ্ট সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে সংগঠিত করার উপর জোর দেওয়া হয় শ্রমিকদের বাস্তব সমস্যাগুলিকে অনেক সময় আড়াল করে দেয়, কারণ সেখানে প্রধান গুরুত্ব পায় সাংস্কৃতিক ঐক্য, শৃঙ্খলা এবং পরিচয়, কিন্তু অর্থনৈতিক বৈষম্য, শ্রমের শোষণ এবং শ্রেণিগত অসাম্যের প্রশ্ন ততটা গুরুত্ব পায় না। ফলে প্রশ্ন উঠে আসে , ভারত কি সংবিধানের সেই ন্যায়ভিত্তিক পথেই এগোচ্ছে, যেখানে শ্রমিকের অধিকার, নারীর সমতা এবং বৈচিত্র্যের মর্যাদা রক্ষিত হবে, নাকি এমন এক পথে যেখানে সাংস্কৃতিক আধিপত্যের আড়ালে বাস্তব বৈষম্যগুলি অদৃশ্য হয়ে যাবে? ১লা মে-র এই দিনে দাঁড়িয়ে তাই স্মরণ করা জরুরি শ্রমিকের অধিকার, নারীর মর্যাদা এবং সামাজিক সমতা কেবল অর্থনৈতিক প্রশ্ন নয়, এটি গণতন্ত্রের ভিত্তি; এবং একটি দেশের প্রকৃত শক্তি তার ঐক্যে নয়, সেই ঐক্যের ভেতরে ন্যায় ও সমতা কতটা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, তার উপরেই নির্ভর করে।
ডঃ ভীমরাও রামজি আম্বেদকর স্বপ্ন দেখেছিলেন ভারত এমন একটি দেশ হবে যেখানে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মানুষ সুখে-শান্তিতে বসবাস করবে এবং সকলের সাথে সমান ও সম্মানজনক আচরণ করা হবে। সংবিধান কেবল সরকারের জন্য কিছু নিয়মকানুনের চেয়েও বেশি কিছু; এটি দেখায় যে ভারত সকলের অধিকার রক্ষা করার প্রতিশ্রুতি দেয়, বিশেষ করে তাদের, যারা প্রায়শই অন্যায় আচরণের শিকার হন, যেমন শ্রমিক, নারী, দলিত, সংখ্যালঘু এবং অন্যান্য বঞ্চিত জনগোষ্ঠী। আজ, যখন কিছু মানুষ ধর্ম বা সংস্কৃতির ভিত্তিতে দেশকে বিভক্ত করার চেষ্টা করছে, তখন এই প্রশ্নটি করা জরুরি: ভারত কি সংবিধান অনুসরণ করে তার বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মানুষকে ঐক্যবদ্ধ রাখবে, নাকি এটি এমন একটি জায়গায় পরিণত হবে যেখানে ভেদাভেদকে উপেক্ষা করা হবে? ইতিহাস দেখায় যে, একটি দেশ কেবল ‘সবাই এক’ বললেই শক্তিশালী থাকতে পারে না; এর জন্য প্রয়োজন সকলের জন্য ন্যায্যতা, সমতা এবং স্বাধীনতা। একারণেই আম্বেদকরের বার্তা আজও প্রাসঙ্গিক: “শিক্ষিত হও, সংগঠিত হও, সক্রিয় হও,” কারণ সংবিধান রক্ষা করার অর্থ হলো ভারতের গণতন্ত্রের চেতনা এবং সকলের জন্য ন্যায্যতা রক্ষা করা।
About the Author
সোহম || سوہم || SOHAM
সোহম একজন বহুমুখী গবেষক,প্রযুক্তিবিদ,শিক্ষাবিদ ও আইন-অন্বেষী, যিনি কম্পিউটার সায়েন্সে স্নাতক এবং সাইবার সিকিউরিটিতে বিশেষজ্ঞ হিসেবে তথ্যপ্রযুক্তিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী; বর্তমানে তিনি এলএলবি অধ্যয়নরত। তিনি একজন সমাজকর্মী ও বিজ্ঞানকর্মী হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় এবং ওপেন সোর্স সফটওয়্যার আন্দোলনের কর্মী ও ডেভেলপার হিসেবে যুক্ত। আদর্শগতভাবে তিনি গনতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল চিন্তাধারায় বিশ্বাসী, যা তাঁর গবেষণা ও লেখনীতে সামাজিক ন্যায়, শ্রেণি-বিশ্লেষণ এবং অর্থনৈতিক সমতার প্রশ্নকে কেন্দ্রীয় করে তোলে। তাঁর গবেষণার ক্ষেত্র বিস্তৃত ও আন্তঃবিষয়ক বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, ইতিহাস, রাজনীতি ও আইনের সংযোগস্থলে তিনি কাজ করেন। বিশেষভাবে তিনি ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক অ্যান্থ্রোপলজি এবং বিজ্ঞান ইতিহাস নিয়েও গবেষণা করেন। প্রযুক্তিগত গবেষণায় তাঁর মূল আগ্রহ নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি, আন্ডারওয়াটার ও কগনিটিভ রেডিও কমিউনিকেশন, ফোটোনিক্স ও ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক তত্ত্ব, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং ও ইনফরমেশন সিকিউরিটি,আইওটি,সাইবার-ফিজিক্যাল সিস্টেম সিকিউরিটি, ক্রিপ্টোলজি, ডিজিটাল ফরেনসিকস, আইওটি, মেশিন লার্নিং, কম্পিউটার ভিশন, সিগন্যাল প্রসেসিং এবং কম্পিউটেশনাল বায়োলজি , কম্পিউটেশনাল জ্যোতির্পদার্থবিদ্যা । পাশাপাশি আইনভিত্তিক গবেষণায় তিনি তফসিলি জাতি ও উপজাতি ন্যায়বিচার, হোয়াইট-কলার অপরাধ, ফৌজদারি বিচারব্যবস্থা, কিশোর ন্যায়, পরিবেশ আইন, তথ্যপ্রযুক্তি আইন, সাইবার আইন এবং জুরিসপ্রুডেন্স ও লিগ্যাল থিওরির ওপর কাজ করছেন। গবেষণার পাশাপাশি তাঁর ব্যক্তিগত আগ্রহের মধ্যে রয়েছে ফটোগ্রাফি, ভ্রমণ,রাজনীতি, ট্রেকিং, সাইক্লিং, বই পড়া এবং সংগীত, যা তাঁর চিন্তা ও সৃষ্টিশীলতাকে আরও সমৃদ্ধ করে। এই বহুমাত্রিক গবেষণা-আগ্রহ ও আদর্শগত অবস্থান সোহমকে বিজ্ঞান, সমাজ ও রাষ্ট্রের পারস্পরিক সম্পর্ককে সমালোচনামূলক ও বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিতে বিশ্লেষণকারী এক স্বতন্ত্র কণ্ঠ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত ।
প্রোফাইল দেখুন
মতামত
এখনও কোনো মতামত নেই।
প্রথম মতামতটি আপনিই দিন।
আলোচনায় অংশ নিতে লগ ইন করুন অথবা এ্যাকাউন্ট খুলুন