২৪ এর ৫ অগাস্ট এর ঠিক পরেই তানিয়া আমাকে “লাল বদর” গালি দিয়ে ফেসবুকে ব্লক করে দিলো। মন টা খুব খারাপ হলো। অন্য অনেকেই আমাকে নানান গালি গালাজ করেছে, তর্ক করতে এসেছে। আমি তেমন কিছুই বলিনি। কিন্তু তানিয়া’র কাছে “লাল বদর” গালি টা কেমন জানি লাগলো। তানিয়া আমার মামাতো বোন। আমার চাইতে বছর তিনেক এর বড়।
তানিয়ার জন্য আমার মন কেমন কেমন করা ব্যপারটা শুরু হয়েছিলো যখন আমি ক্লাস নাইনে পড়ি। বড় মামাকে কখনোই বলতে পারি নি তানিয়ার কথা। মামা কখনোই মেনে নিতো না।
বিয়ে করে এখন বিদেশে থাকে। বাচ্চাও হয়ে গেছে। আসলে তানিয়া ছাড়া মনের কথা খুলে বলার মতো তেমন কেউ ছিলো না। মাঝখানে রাজন ভাই এর সাথে বেশ আড্ডা হতো। সেই রাজন ভাই ও নেই। আমাদের ৫ তলা বিল্ডিং এর উপর চিলেকোঠায় রাজন ভাই থাকতো এক সময়। রাজন কুমার ঘোষ। আমার হয়তো দাদা ডাকার কথা ছিলো, কিন্তু আমি রাজন ভাইই ডাকতাম। রাজন ভাই এর সাথেও যোগাযোগ কমে গেলো। ঢাকা থেকে যাওয়ার পর , চাকরি আর নতুন সংসার নিয়ে উনিও ব্যস্ত হয়ে পড়লেন। আমারও ব্যবসা আর দোকানের কাজ চলছিলো।
রাজন ভাই ঢাকায় মাঝে মাঝে কোন দরকারে আসলে সব সময় চেষ্টা করতেন আমার সাথে দেখা করার। আমরা ছাদে সেই চিলেকোঠার ঘরের সামনে বসেই কিছুক্ষণ আড্ডা মারতাম। একবার উনি চিটাগাং থেকে ফিরলেন, ঢাকায় স্টপেজ নিলেন। বাড়িতে এলেন। রাজন ভাই কে মা বরাবরই স্নেহ করতেন। রাজন ভাই তাই আসলে, মা খুব খুশি হতেন। আমার ধারণা রাজন ভাই কে দেখলে মা এর মিতুল ভাই এর কথা মনে পড়ে। তো সেবার ২০২৩ এর দিকে, বেশ গরম পড়েছিলো, আমরা ছাদে বসেছি, রাজন ভাই তার মুড়ি মাখা নিয়ে ব্যস্ত। মানে ব্যপারটা হচ্ছে মুড়িমাখাকে যদি কেউ শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারে সেটা হচ্ছে রাজন ভাই। আমি মনে মনে খুশি। রাজন ভাই বেশ হালকা পাতলা গড়নের,গায়ে একটা সাদা রঙ এর স্যান্ডো গেঞ্জি আর পরেছেন লুঙ্গি, রাজন ভাই কে দেখতে মামা বাড়ির মাঝি নাদের আলীর মতো লাগছে। আমি জানি না, নাদের আলী’র দেখতে কেমন হওয়ার কথা। কিন্তু আমার ধারণা, সুনীলের নাদের আলী দেখতে ছিলো রাজন ভাই এর মতোন। আমি পরেছি একটা লাল রঙ এর টি শার্ট আর হাফপ্যান্ট। লাল রঙ আমার অপছন্দ, কিন্তু এই টিশার্ট পাঠিয়েছে তানিয়া। তানিয়া নানান সময়েই আমাদের জন্য উপহার পাঠায়। জানি না ওর জামাই এগুলো নিয়ে ঝামেলা করে কিনা। ফেসবুকে তানিয়া কে দেখলে খুব সুখিই মনে হয়। তানিয়ার জামাই কে আমার ভালো মানুষ মনে হয়, হাসি খুশি ফ্যামিলি ম্যান টাইপ লোক। শুধু মাঝে মাঝে শালা বাবু বললে মনে হয় কোমড় বরাবর একটা লাথি দেই। কিন্তু কিছু করার নেই।
মুড়ি মাখাতে মাখাতে রাজন ভাই বললেন আচ্ছা রাতুল, আমাকে কি দেখতে বুইড়া চাচা মনে হয়? আমি জানি রাজন ভাই বিয়ের জন্য পাত্রী দেখছেন, সম্ভবত মনের মতো কম বয়সী পাত্রী পাচ্ছেন না, তাই এমন প্রশ্ন আসতে পারে। আমি বললাম এইরকম লুঙ্গি আর সাদা স্যান্ডো গেঞ্জি পরলে তো বুইড়া চাচাই লাগবে।
রাজন ভাই আগে ছোট খাটো নানান কথাতে ক্ষেপে গেলেই বলতেন, “ রাতুল তুমি একটা বেয়াদব, বড়দের সাথে কি করে কথা বলতে হয়, তার তুমি কিছুই জানো না”। কিন্তু এইবার রাজন ভাই কিছুই বললেন না। হালকা মন খারাপ করলেন। উনি চিটাগাং কেন গিয়েছিলেন জানালেন। যেটা ধারণা করেছিলাম তাই। উনি গিয়েছিলেন পাত্রী দেখতে। উনাদের কোন এক আত্মীয় সম্বন্ধ এনেছেন। উনি একলা আর ওই চিটাগাং এর কয়েকজন আত্মীয় মিলে গিয়েছিলেন পাত্রী দেখতে। পাত্রীর উনাকে পছন্দ হয় নি। এরপর উনি গেলেন চিটাগাং ইউনিভার্সিটিতে। উনার শাটল ট্রেনে চড়ার ইচ্ছে ছিলো। মূলত উনার কি জানি এক আত্মীয়ের মেয়ে চিটাগাং ইউনিভার্সিটিতে পড়ে তো সেই মেয়ের মা কিছু জিনিস রাজন ভাই এর হাতে গছিয়ে দিয়েছে যেন, উনার মেয়েকে দিয়ে আসে। রাজন ভাই এর পাশে বসে ছিলো একটা ছেলে। হালকা পাতলা গড়নের, কালো গায়ের রঙ। ছেলেটার সাথে পরিচিত হয়ে উনার নাকি ভালোই লেগেছিলো, অল্প যেটুকু সময় বেশ গল্প করেছেন উনি ছেলেটার সাথে। রাজন ভাই গাল ভরা হাসি নিয়ে বললেন, ছেলেটা হিন্দু। আমি বললাম ছেলে হিন্দু তাই এরকম হাসি দিয়ে ফেললেন। আপনি তো আগে এইরকম হিন্দু মুসলমান করতেন না। রাজন ভাই বললেন, আরে রাতুল তুমি বুঝতেছো না, দিনকাল তো কঠিন হয়ে গেছে। এরপর রাজন ভাই ছেলেটার ফেসবুকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠাতে গিয়ে দেখে, ছেলেটা ফেসবুকে লিখে রেখেছে, “ আমার কপালডা যে ফুডা সেটা আজকে আরেকবার প্রমানিত হলো, ফ্যাক্ট: ট্রেনে পাশের সিটে বুড়া চাচা”। আমি বললাম আপনি তো বুড়া চাচার মতোই আচরণ করলেন, পোলাপানের জন্য রাখা শাটল ট্রেনে চেপে বসেছেন, নিজে থেকে গায়ে পড়ে আলাপ জুড়েছেন, আবার ছেলেটাকে স্টক করেছেন। আপনি এইরকম গে পনা করেন কেন রাজন ভাই? কী বললে রাতুল? রাতুল তুমি একটা বেয়াদব, বড়দের সাথে কিভাবে কথা বলতে হয় তার তুমি কিছুই জানো না।
আমি কিছুক্ষণ প্রাণ খুলে হাসলাম। এরকম করে কতোদিন রাজন ভাই আমাকে বলে নি বলেই না ক্ষেপালাম। রাজন ভাই বললো, হিন্দু ছেলে, ইউনিভার্সিটিতে পড়ছে, কখন কাজে টাজে লেগে যায়, এইসব যোগাযোগ তো থাকতেই পারে। আর আগের দিনে আমাদের বাপ চাচারা তো এইভাবেই নেটওয়ার্কিং করতো। আমি বললাম এই জন্যই আপনি বুড়া চাচা, আপনার চিন্তা ভাবনা বাপ চাচাদের আমলের। রাজন ভাই আবারো ক্ষেপে গেলেন,বললেন- রাতুল তুমি কিন্তু খুব বেয়াদবি করছো। কি আর করা যাবে, রাজন ভাই কে খ্যাপাতে আমার ভালো লাগে। এর ঠিক কয়েক মাস পড়েই জানলাম রাজন ভাই এর বিয়ে। পাত্রী তাদেরই এলাকার।
পরের বছরই ২৪ এর জুলাই। ৭ জুলাই আমি একটা কাজে বাংলা মোটরের দিকে, গিয়েছিলাম, মামার পরিচিত একজনের সাথে ব্যবসা বিষয়ে কথা বলতে। কোথাও কোন রিকশা সি এন জি পাচ্ছিলাম না। বাংলা মোটর থেকে কিছু পোলাপান, রাস্তা আটকে দিয়েছে। বাংলা মোটর থেকে শাহবাগ হেটে গেলাম। ২০১৮ এর দিকেও এই কোটা নিয়ে আন্দোলন হয়েছিলো। সত্যি কথা বলতে আমার এই দেশের রাজনীতি, দেশের অবস্থা নিয়ে কোন মাথা ব্যাথা নেই। আমি জানি রাজা যায় রাজা আসে, দেশের কিসসু পরিবর্তন হয় না। দেশ প্রেম বলতে এই রাজন ভাই এর সাথেই আমি মাথায় পতাকা বেঁধে শাহবাগ গিয়েছিলাম রাজাকারের ফাঁসি চাইতে। সেখানেও কয়েকদিন পর সরকারী দলের ছাত্র উইং যেভাবে মঞ্চ দখল করেছিলো, দেখে ভয়ানক বিরক্ত লেগেছিলো। ২৪ এর জুলাই এ তখন ১৬ তারিখ, আমি একটা কাজে পুরানা পল্টন এর দিকে যাবো, মা আমাকে যেতে দিবে না। দেশের অবস্থা খারাপ, মোবাইলের নেটওয়ার্ক খুব বাজে, মোবাইলের ইন্টারনেট বন্ধ। আমি একটা রিকশা নিলাম, আজিমপুর বাস স্ট্যান্ড এর দিকে যেতেই পুলিশের টিয়ারশেল এর শব্দ। আমি তড়িঘড়ি করে বাসায় ফিরলাম। বাসায় বসে টেলিভিশন দেখা ছাড়া উপায় নেই। সরকারি চাকরি তো আমি করবো না, সেরকম যোগ্যতা আমার কখনোই ছিলো না। পড়েছি তেজগাঁ কলেজে ইতিহাসে। মামার ব্যবসা আছে, ব্যবসা পাতি করে খাবো এইটুকুই ছিলো চিন্তা। কোভিডের পর অনলাইন ব্যবসা শুরু করেছিলাম।
মামা কে এলাকার কয়েকজন নেতা ফেতা কে খুশি রাখতে সব সময়ই চাঁদা দিতে হয়েছে। আমি যখন স্টুডেন্ট তখন প্রায়ই আমাকে তাদের মিছিল টিছিল এ যেতে বলতো। যেতে হয়েছে বাধ্য হয়ে কয়েকবার। এলাকারই ভাঙ্গাড়ি আর মুরগীর ব্যাবসা করা খালেক চাচা কে দেখেছি রাতারাতি ৫ তলা বিল্ডিং করে ফেলতে, কারণ উনি নাকি এলাকার কি একটা উপশাখার সাধারণ সম্পাদক হয়েছিলেন সেই সময়ে। সব কিছুই তো চুপচাপ দেখেছি। আমাদের মতো লোকেদের প্রতিবাদ তো ওই শুধু ফেসবুকেই। তাই যেদিন দেখলাম ক্ষমতাসীন দলের ছাত্ররা কয়েকজন মেয়েকে মারছে, একটা মেয়েকে এমন ভাবে মেরেছে যে রক্তে ভিজে জুবুথুবু হয়ে গেছে, কিভাবে মানুষ চুপচাপ সব সহ্য করে? এবং আর কতটুকু পর্যন্ত সহ্য করে?
জুলাই এর ১৯ তারিখ আমি বাসা থেকে আবার বের হতে চাইলাম, এবং সেই দিনও একই রকম আতংক নিয়ে ফিরলাম, দুই কদম যেতেই টিয়ারশেল। দেশের অবস্থা খারাপ, ইন্টারনেট নাই, আমার অনলাইন ব্যবসা বন্ধ, দোকান বন্ধ করে ঘরে বসে আছি। দু একদিন পর, ইন্টারনেট কিছুটা ঠিকঠাক হলে, রাজন ভাই আমাকে কল করে ঠিক আছি কিনা জানতে চাইলো। আর বললো রাতুল, একটা ছেলের কথা বলেছিলাম মনে আছে? চিটাগাং ভার্সিটিতে পড়ে। আমি বললাম হ্যাঁ, আপনাকে বুড়া চাচা বলেছিলো। রাজন ভাই বললো ছেলেটা মারা গেছে গুলি খেয়ে। ১৮ জুলাই গুলি খেয়ে, ২৩ জুলাই মারা গেছে, বাঁচানো যায় নি। ছেলেটার নাম হৃদয় চন্দ্র তড়ুয়া, পড়তো চিটাগাং ইউনিভার্সিটিতে ইতিহাসে। পটুয়াখালী’র ছেলে। বাবা কাঠমিস্ত্রী, মা মানুষের বাড়িতে কাজ করতেন।
সেদিন রাতে কেন জানি না আমি ঘুমাতে পারলাম না। আমার চোখের সামনে বারবার ভেসে আসছিলো হৃদয় চন্দ্র তড়ুয়ার মুখ। ফেসবুকে ঢুকে ছেলেটাকে দেখলাম। একটা সাধারণ হালকা পাতলা গড়নের কালো ছেলে। আন্দোলনে ছিলো, একটা পোস্টার ধরে রেখেছে যেখানে লেখা, “আমার সোনার বাংলায় বৈষম্যের ঠাঁই নাই”। প্রোফাইলে লেখা, “পৃথিবীটা হোক মনুষত্বের এটাই আমার প্রত্যাশা”। ছেলেটা দূর্গা পূজায় আনন্দ করছে, ঈদেও আনন্দ করছে। নিজের গরিব হওয়া নিয়ে নিজের উপরই মজা করছে। একটা জ্বলজ্যান্ত ছেলে, তার হয়তো স্বপ্ন ছিলো ভালো একটা চাকরি করবে পড়া শেষে, যেন বাবা মা কে একটু ভালো রাখতে পারে। মনে মনে একটু স্বপ্ন, জীবনে ভালোবাসার কেউ আসবে। টিউশনির টাকা জমিয়ে, এক বেলা বা দুই বেলার খাবার না খেয়ে যে কয়টা মানুষ স্বপ্ন জমায়, তাদের মধ্যে একজন হৃদয় চন্দ্র তড়ুয়া। সেই ছেলেটা সেই স্বপ্নবাজ ছেলেটা, অপুর সংসারের অপুর মতোন, যে ভাবলো সে তার বাবার মতোন কাঠমিস্ত্রী হবে না, সে পড়বে। “শিক্ষার মধ্য দিয়ে তার সমস্ত গোড়ামি কুসংস্কার কেটে যাচ্ছে, বুদ্ধি দিয়ে ছাড়া সে কোনকিছু মানতে চাইছে না। কিন্তু তার কল্পনা শক্তি আছে, তার অনুভূতি আছে, ছোট খাটো জিনিস তাকে মুভ করছে তাকে আনন্দ দিচ্ছে, হয়তো তার মধ্যে মহৎ একটা কিছু করার ক্ষমতা আছে, সম্ভাবনা আছে, কিন্তু করছে না। কিন্তু সেটাই শেষ কথা নয়, সেটা ট্রাজেডিও নয়, সে মহৎ কিছু করছে না, তার দারিদ্র যাচ্ছে না, তার অভাব মিটছে না, কিন্তু তা সত্বেও সে জীবন বিমুখ হচ্ছে না, সে পালাচ্ছে না, এস্কেপ করছে না, সে বাঁচতে চাইছে, সে বলছে বাঁচার মধ্যেই স্বার্থকতা, তার মধ্যেই আনন্দ” –
সেই স্বপ্নবাজ বৈষম্যের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো হিন্দু ছেলেটা আর নেই। বুকের ভেতর কেমন যেন করলো। সেই বেদনা, সেই হাহাকার, সেই যন্ত্রণা নিয়ে আমিও অনেকের মতো সেদিন প্রোফাইল পিকচার লাল করলাম।
শাহজালাল হল এর সামনে দেখতে তেমন স্মার্ট না, হালকা পাতলা গড়নের কালো একটা ছেলে, বাবা কাঠমিস্ত্রী, মা বাড়িতে কাজ করে , খেয়ে না খেয়ে কষ্ট করে, টিউশনি করে নিজের খরচ চালানো ছেলেটা, শখ করে ছবি তুলে ক্যাপশন দিয়েছে-
যদি আমায় ভালোবাসো,
তবে নব সাজে এসো।
এসে বইসো আমার হৃদয় মন্দিরে,
অনুরাগের বীণা বাজিয়ে।
এই ছেলেটার মৃত্যু শোকে, তার মত অসংখ্য হৃদয়ের মৃত্যু শোকে আমি আর কিইবা করতে পেরেছি। শুধু সেইদিনের রাষ্ট্রীয় শোক প্রত্যাখ্যান করে আমার ব্যক্তিগত ফেসবুকের প্রোফাইল পিকচার লাল করেছিলাম।
যারা চেতনা ব্যবসায়ী তারা মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ব্যবসা করেছে, তারা জুলাই নিয়েও করেছে, করছে, ভবিষ্যতেও করবে। এই চেতনার দোকান আর চেতনার ব্যবসা নিয়েই তারা বেঁচে থাকে, টিকে থাকে, তারা আবু সাইদ, মুগ্ধ, আর হৃদয় এর রক্তের উপর দাঁড়িয়ে।
তানিয়া’র রাগ হয়তো কমে যাবে কয়েকদিন পর। তানিয়া’র লালবদর ট্যাগ নিয়ে আমার কিছুতেই কিছু যায় আসে না। আমি শুধু এইটুকু জানি, আমার মতো মানুষের মনের হাহাকার আর ক্ষোভের নাম জুলাই। অনল বর্ষার জুলাই।
#গল্প
About the Author
Proma Israt
মজদুরের নিয়মিত লেখকWriter, Lawyer and Human Rights Activist
I write to understand life a little better and to give shape to the things we often feel but don’t always say out loud. I have written and published two feminist storybooks that explore gender, social norms, and the everyday experiences of women. For me, writing is a way of connecting—listening to people, noticing small truths, and turning them into words that feel real and human. I believe deeply in humanity and human rights. I stand against all forms of discrimination—whether based on class, social status, economy, or gender. Every person deserves dignity, respect, and equal value.
প্রোফাইল দেখুন
মতামত
এখনও কোনো মতামত নেই।
প্রথম মতামতটি আপনিই দিন।
আলোচনায় অংশ নিতে লগ ইন করুন অথবা এ্যাকাউন্ট খুলুন