সকল লেখা জানতে চাই
Searching…

AI Gold Rush চলছে, কিন্তু সবাই সোনা খুঁজতে আসেনি

Tasbir Kabir
পড়তে 11 মিনিট লাগতে পারে
এই লেখাটি 1 বার পড়েছে
AI Gold Rush চলছে, কিন্তু সবাই সোনা খুঁজতে আসেনি

২০১৯ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে ঘরে ঘরে UI/UX Agency গড়ে উঠতে দেখেছি। কেউ Figma শিখেছে, কেউ দুজন ডিজাইনার নিয়ে টিম বানিয়েছে, কেউ একটা সুন্দর ওয়েবসাইট বানিয়ে এজেন্সি খুলেছে। তারপর ২০২৪ থেকে ২০২৬। এবার সেই জায়গাটা দখল করেছে Video Editing Agency। Short-form content, AI video, UGC, content agency, সবকিছু মিলিয়ে নতুন একটা ঢেউ চলছে।

এটা দেখে আমার মাঝে মাঝে মনে হয়, আমরা আসলে সুযোগ খুঁজছি, নাকি অন্য মানুষ কী করছে সেটা দেখে একই জিনিস করার চেষ্টা করছি?

কারণ একটা বিষয় খুব পরিষ্কার। কোনো একটা সার্ভিস থেকে মানুষ টাকা আয় করছে দেখলেই আমাদের একটা বড় অংশ সেই সার্ভিস বিক্রি করতে শুরু করে। মার্কেটের চাহিদা বোঝার আগেই আমরা নিজেদের পজিশনিং ঠিক করে ফেলি। অন্যের ব্যবসা দেখে নিজের ব্যবসার মডেল তৈরি করি। তারপর যখন একই কাজ করা মানুষের সংখ্যা বাড়তে থাকে, তখন অভিযোগ শুরু হয় যে মার্কেট খারাপ, ক্লায়েন্ট নেই, দাম কমে গেছে।

AI আসার পর এই ব্যাপারটা আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

Facebook এ পাঁচ মিনিট স্ক্রল করলে মনে হয় AI এসে সবার কাজ শেষ করে দিয়েছে। ডিজাইনারদের ভবিষ্যৎ নেই, ভিডিও এডিটরদের ভবিষ্যৎ নেই, ডেভেলপারদের ভবিষ্যৎ নেই। কিছু মানুষের কথা শুনলে মনে হবে AI আসার কারণে এখন মানুষের সামনে আর কোনো পথ খোলা নেই।

অথচ একই সময়ে এমন মানুষও আছে যারা AI ব্যবহার করে এক মাসে এমন পরিমাণ টাকা আয় করছে, যা অন্য কেউ হয়তো সারাজীবনেও আয় করতে পারেনি।

দুজন মানুষ একই প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। একজন সেটাকে নিজের কাজের জন্য হুমকি হিসেবে দেখছে, আরেকজন সেটাকে নিজের কাজের গতি, পরিধি এবং আয়ের সুযোগ বাড়ানোর জন্য ব্যবহার করছে।

তাহলে পার্থক্যটা কোথায়?

আমার মনে হয় পার্থক্যটা শুধু AI জানার মধ্যে নেই। পার্থক্যটা হলো কে পরিবর্তনটা বুঝতে পারছে, কে বাজার পর্যবেক্ষণ করছে, আর কে সেই পরিবর্তনের মধ্যে নিজের জন্য জায়গা তৈরি করতে পারছে।

একটা উদাহরণ দিই। আগে একটা সাধারণ ওয়েবসাইট তৈরি করতে যে সময়, দক্ষতা এবং পরিশ্রম লাগত, এখন AI এবং নতুন টুল ব্যবহার করে তার কিছু অংশ অনেক দ্রুত করা সম্ভব। একইভাবে ভিডিও এডিটিং, কপিরাইটিং, রিসার্চ কিংবা অটোমেশনের অনেক কাজ এখন আগের চেয়ে সহজ হয়ে গেছে।

এতে একটা স্বাভাবিক পরিবর্তন ঘটে। যে কাজটা আগে করতে অনেক বেশি সময় লাগত, সেটার উৎপাদন খরচ কমে যায়। আর যখন কোনো কাজ সহজে করা সম্ভব হয়, তখন শুধু সেই কাজটা করতে পারার জন্য আগের মতো বেশি দাম নেওয়া কঠিন হতে পারে।

এখানেই অনেক সার্ভিস প্রোভাইডার আটকে যায়।

তারা এতদিন একটা নির্দিষ্ট কাজ বিক্রি করছিল। AI এসে সেই কাজের কিছু অংশ সহজ করে দিল। এখন তারা ভাবছে, তাদের পুরো পেশাটাই শেষ হয়ে যাচ্ছে।

কিন্তু অন্য একজন হয়তো একই পরিস্থিতিতে ভিন্ন প্রশ্ন করছে। সে ভাবছে, এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে আমি আমার ক্লায়েন্টের জন্য আরও বড় কোন সমস্যা সমাধান করতে পারি?

একজন ভিডিও এডিটর শুধু ভিডিও এডিট করে দিতে পারে। আবার আরেকজন ভিডিও এডিটিংয়ের পাশাপাশি কনটেন্ট আইডিয়া, স্ক্রিপ্ট, রিপারপোজিং এবং নিয়মিত প্রকাশনার পুরো প্রক্রিয়াটা পরিচালনা করতে পারে। দুজনের কাজের মধ্যে কিছু মিল থাকলেও তারা যে মূল্য বিক্রি করছে, সেটা এক নয়।

একজন নির্দিষ্ট কাজের জন্য টাকা নিচ্ছে। অন্যজন একটা বড় সমস্যার সমাধান দেওয়ার চেষ্টা করছে।

এখানে AI এর একটা গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব আছে। AI অনেক ক্ষেত্রে execution সহজ করে দিচ্ছে। কিন্তু কোন কাজটা করা দরকার, কেন করা দরকার এবং কার জন্য করা দরকার, সেই সিদ্ধান্তগুলো এখনও গুরুত্বপূর্ণ।

এই জায়গাটাই আমার কাছে AI Gold Rush-এর আসল বিষয়।

Gold Rush এর সময় সবাই শুধু সোনা খুঁজতে যায়নি। কেউ খনির সরঞ্জাম বিক্রি করেছে, কেউ পরিবহন ব্যবস্থা তৈরি করেছে, কেউ থাকার জায়গা দিয়েছে। অর্থাৎ একটা বড় অর্থনৈতিক পরিবর্তনের চারপাশে একাধিক ধরনের সুযোগ তৈরি হয়েছিল।

AI এর ক্ষেত্রেও একই ব্যাপার দেখা যাচ্ছে। সবাই AI মডেল তৈরি করবে না। সবাই সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হবে না। সবাই এজেন্ট বানাবে না। কিন্তু AI যেসব নতুন সুযোগ তৈরি করছে, সেগুলোর মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা তৈরি করা সম্ভব।

কেউ পুরোনো কোনো সার্ভিসকে আরও দ্রুত ও লাভজনক করছে। কেউ নির্দিষ্ট কোনো ইন্ডাস্ট্রির ম্যানুয়াল কাজ অটোমেট করছে। কেউ নতুন সফটওয়্যার তৈরি করছে। আবার কেউ কোনো সফটওয়্যার তৈরি না করেও বিদ্যমান AI টুল ব্যবহার করে নির্দিষ্ট কোনো ব্যবসার সমস্যা সমাধান করছে।

এখানে একটা বিষয় মাথায় রাখা দরকার। AI টুলের ব্যবহার জানা আর ব্যবসার সুযোগ বুঝতে পারা এক জিনিস নয়।

আপনি যদি শুধু নতুন নতুন টুল শেখেন, তাহলে হয়তো অনেক কিছু তৈরি করতে পারবেন। কিন্তু কোন জিনিসটা তৈরি করলে মানুষ টাকা দিতে আগ্রহী হবে, সেটা না বুঝলে আপনার দক্ষতা ব্যবসায় রূপান্তরিত নাও হতে পারে।

এই কারণেই আমার কাছে Research একটা গুরুত্বপূর্ণ দক্ষতা।

Research মানে শুধু Google এ গিয়ে “Best AI business ideas” সার্চ করা নয়। Research মানে মানুষের সমস্যাগুলো বোঝা। ব্যবসায়ীরা কোন কাজ নিয়ে বারবার অভিযোগ করছে, কোন প্রক্রিয়ায় তাদের সময় নষ্ট হচ্ছে, কোন সার্ভিসের জন্য তারা টাকা খরচ করছে, কোন জায়গায় তারা ভালো সেবা পাচ্ছে না, সেগুলো পর্যবেক্ষণ করা।

কোনো একটা মার্কেট নিয়ে পর্যাপ্ত সময় ধরে কাজ করলে কিছু প্যাটার্ন চোখে পড়ে। আপনি বুঝতে শুরু করেন কোন সমস্যাগুলো বারবার ফিরে আসছে, কোন সুযোগগুলো এখনো পুরোপুরি কাজে লাগানো হয়নি এবং কোন ধরনের সেবার জন্য মানুষ বাস্তবেই অর্থ ব্যয় করতে আগ্রহী।

এটা কোনো একদিনের কাজ নয়। আর এটা এমন কোনো জ্ঞানও নয় যা কেউ আপনাকে পুরোপুরি প্রস্তুত করে দিয়ে যাবে।

আপনাকে নিজেকেই খুঁজতে হবে।

আমাদের মধ্যে অনেকেই আইডিয়া পাওয়ার আগে একটা ব্যবসা শুরু করতে চায়। নাম ঠিক করি, লোগো বানাই, ওয়েবসাইট তৈরি করি, তারপর ভাবি ক্লায়েন্ট কোথায় পাব। কিন্তু অনেক সময় সঠিক প্রক্রিয়াটা হওয়া উচিত উল্টো।

প্রথমে সমস্যা খুঁজে বের করা। তারপর বাজার বোঝা। এরপর সমাধান তৈরি করা। তারপর সেটা এমনভাবে উপস্থাপন করা, যাতে সম্ভাব্য ক্রেতা বুঝতে পারে কেন তার জন্য এই সমাধানটা মূল্যবান।

AI এই পুরো প্রক্রিয়াকে দ্রুত করতে পারে, কিন্তু আপনার হয়ে সব সিদ্ধান্ত নিতে পারে না।

আরেকটা বিষয় হলো, AI এর কারণে এখন অনেক মানুষের জন্য নতুন দক্ষতা শেখা এবং বিভিন্ন কাজ একসঙ্গে করার সুযোগ তৈরি হয়েছে। একজন মার্কেটার অটোমেশন শিখতে পারছে। একজন ডেভেলপার কনটেন্ট তৈরি করতে পারছে। একজন ডিজাইনার প্রোটোটাইপ তৈরি এবং রিসার্চের কিছু কাজ দ্রুত করতে পারছে।

আগে যে কাজের জন্য আলাদা আলাদা মানুষের সাহায্য লাগত, তার কিছু অংশ এখন একজন মানুষ নিজেই করতে পারছে। এর অর্থ এই নয় যে প্রতিটি কাজের জন্য আর কাউকে দরকার হবে না। বরং কিছু ক্ষেত্রে একজন মানুষের সক্ষমতার পরিধি বাড়ছে।

এখানে যারা নিজের পুরোনো দক্ষতাকে নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে যুক্ত করতে পারবে, তাদের জন্য নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।

তবে শুধু প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারলেই হবে না। আপনাকে সেটা বিক্রি করতেও জানতে হবে।

ব্যবসায় এই জায়গাটা অনেক সময় অবহেলিত হয়। মানুষ একটা ভালো সার্ভিস তৈরি করে, কিন্তু সেই সার্ভিসের মূল্য কী, কার জন্য এবং কোন সমস্যার সমাধান করে, সেটা পরিষ্কারভাবে বোঝাতে পারে না।

অন্যদিকে এমন কেউ হয়তো আছে যে প্রযুক্তিগতভাবে সবচেয়ে দক্ষ নয়, কিন্তু ক্লায়েন্টের সমস্যাটা ভালোভাবে বুঝতে পারে এবং নিজের অফারটা পরিষ্কারভাবে উপস্থাপন করতে পারে। ফলে সে কাজ পেয়ে যায়।

এখানে কোনো রহস্য নেই। ব্যবসায় শুধু কিছু তৈরি করাই যথেষ্ট নয়। সেই জিনিসের জন্য চাহিদা তৈরি করা, সঠিক মানুষের কাছে পৌঁছানো এবং তার মূল্য বোঝানোও ব্যবসার অংশ।

তাই এখন AI নিয়ে আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো না, “কোন টুলটা শিখব?”

বরং প্রশ্ন হলো, “কোন সমস্যাটা সমাধান করা দরকার, আর AI কীভাবে আমাকে সেটা আরও ভালোভাবে করতে সাহায্য করতে পারে?”

এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে আপনাকে অনেক কিছু শিখতে হবে। মার্কেট বুঝতে হবে, মানুষের আচরণ পর্যবেক্ষণ করতে হবে, বিভিন্ন ব্যবসার মডেল বিশ্লেষণ করতে হবে এবং নিজের দক্ষতাকে নতুনভাবে ব্যবহার করার চেষ্টা করতে হবে।

এখানে একটা ঝুঁকিও আছে। AI নিয়ে এখন এত বেশি আলোচনা হচ্ছে যে মানুষ অনেক সময় প্রযুক্তির পেছনে ছুটতে ছুটতে আসল ব্যবসাটাকে ভুলে যাচ্ছে।

একটা নতুন টুল বের হলো। সবাই সেটা নিয়ে পোস্ট করল। কেউ একটা ডেমো দেখাল। তারপর অনেকে একই ধরনের সার্ভিস বিক্রি করতে শুরু করল। কিছুদিন পর প্রতিযোগিতা বেড়ে গেল, আর সবাই বলল মার্কেট স্যাচুরেটেড।

কিন্তু একটা মার্কেটে অনেক মানুষ একই সার্ভিস বিক্রি করছে মানেই সেখানে কোনো সুযোগ নেই, এমন নয়। আবার নতুন কোনো প্রযুক্তি এসেছে বলেই সেখানে সহজে টাকা আয় করা যাবে, এমনও নয়।

আপনাকে বুঝতে হবে আপনি কী অফার করছেন, কার কাছে করছেন এবং কেন সেই মানুষটা আপনাকে বেছে নেবে।

এটা বোঝার জন্য শুধু AI শেখা যথেষ্ট নয়। আপনাকে ব্যবসা বুঝতে হবে।

আমার মনে হয় আগামী কয়েক বছরেও আমরা একই ধরনের পরিবর্তন দেখতে থাকব। আজকে ভিডিও এডিটিং এজেন্সি জনপ্রিয়, কালকে অন্য কোনো সার্ভিস হবে। আজকে যে AI টুল নিয়ে সবাই কথা বলছে, কিছুদিন পর হয়তো সেটার জায়গায় নতুন কোনো টুল আসবে।

কিন্তু মানুষের সমস্যা থাকবে। ব্যবসার প্রয়োজন থাকবে। সময় বাঁচানোর প্রয়োজন থাকবে। খরচ কমানোর প্রয়োজন থাকবে। বেশি বিক্রি করার প্রয়োজন থাকবে।

যারা এই প্রয়োজনগুলো বুঝতে পারবে, তাদের জন্য প্রযুক্তি একটা মাধ্যম হয়ে থাকবে।

তাই আমার কাছে AI Gold Rush মানে শুধু AI দিয়ে দ্রুত টাকা আয় করার চেষ্টা নয়। এটা একটা পরিবর্তনশীল বাজারের মধ্যে সুযোগ খুঁজে বের করার সময়। কেউ হয়তো নতুন কোনো সফটওয়্যার তৈরি করবে, কেউ বিদ্যমান সার্ভিসকে নতুনভাবে প্যাকেজ করবে, কেউ কোনো নির্দিষ্ট ইন্ডাস্ট্রির জন্য সমাধান তৈরি করবে।

সবাই একইভাবে সফল হবে না। সবাই যে সুযোগ দেখবে, সেটাও সবার জন্য উপযুক্ত হবে না। কিন্তু নিজের দক্ষতা, আগ্রহ এবং বাজারের প্রয়োজনের মধ্যে একটা সংযোগ তৈরি করার চেষ্টা করা যায়।

এবং এই কাজটা অন্য কেউ আপনার হয়ে পুরোপুরি করে দিতে পারবে না।

কেউ আপনাকে একটা টুলের তালিকা দিতে পারে। কেউ একটা বিজনেস আইডিয়া দিতে পারে। কেউ একটা রেডি-মেড কোর্স দিতে পারে। কিন্তু কোন সুযোগটা আপনার জন্য কার্যকর হবে, সেটা বোঝার জন্য আপনাকেই গবেষণা করতে হবে।

আপনাকেই দেখতে হবে বাজার কোথায় যাচ্ছে। কোন কাজের মূল্য কমছে। কোন নতুন কাজের চাহিদা তৈরি হচ্ছে। মানুষ কোন সমস্যার সমাধানের জন্য টাকা দিতে প্রস্তুত।

এই বিষয়গুলো নিয়ে আমি নিজেও নিয়মিত research করি এবং AI, web ও marketing নিয়ে বিভিন্ন project এ কাজ করছি। নতুন কিছু শেখা, experiment করা কিংবা আমার কাজগুলো সম্পর্কে জানতে চাইলে আমার website এ ঘুরে দেখতে পারেন।

তবে শেষ পর্যন্ত AI সবার কাছে পৌঁছে যাবে। টুল সবার কাছে থাকবে, মডেল সবার কাছে থাকবে। কিন্তু সবাই সেই প্রযুক্তি ব্যবহার করে একই ধরনের মূল্য তৈরি করতে পারবে না।

এখানেই পার্থক্যটা তৈরি হবে।

আপনি AI দিয়ে কী করতে পারেন, তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে আপনি AI দিয়ে কার জন্য কী সমাধান তৈরি করছেন এবং সেটা কতটা ভালোভাবে বিক্রি করতে পারছেন।

তাই এখন শুধু কোনো ট্রেন্ডের পেছনে ছুটে একটা নতুন এজেন্সি খোলার আগে একটু থামুন। চারপাশে দেখুন। মানুষ কী করছে, সেটা দেখার পাশাপাশি মানুষ কী সমস্যায় পড়ছে, সেটাও দেখুন।

হয়তো আপনার জন্য সুযোগটা আরেকটা Video Editing Agency খোলার মধ্যে নেই। হয়তো আপনার বর্তমান দক্ষতার সঙ্গে AI যুক্ত করে এমন কোনো সার্ভিস তৈরি করার মধ্যে আছে, যেটা এখনো অন্যরা ঠিকভাবে দিচ্ছে না।

হয়তো আপনি এমন একটা সমস্যার সন্ধান পাবেন, যেটা সমাধান করার জন্য মানুষ ইতিমধ্যে টাকা খরচ করছে, কিন্তু আরও ভালো সমাধানের প্রয়োজন রয়েছে।

সেই সুযোগটা খুঁজে বের করার জন্য আপনাকে Research করতে জানতে হবে। কারণ কেউ আপনাকে সবকিছু রেডি করে দিয়ে যাবে না।

AI Gold Rush চলছে। এখন কে কতটা ভালোভাবে সুযোগটা বুঝতে পারছে, কে বাস্তব মূল্য তৈরি করতে পারছে এবং কে সেই মূল্য বাজারে বিক্রি করতে পারছে, সেটাই দেখার বিষয়।

Tasbir Kabir

About the Author

Tasbir Kabir

Entrepreneur

Entrepreneur | Building AI-native SaaS with Agentic Engineering 🌐 tasbirkabir.me

প্রোফাইল দেখুন

মতামত

এখনও কোনো মতামত নেই।

প্রথম মতামতটি আপনিই দিন।

আলোচনায় অংশ নিতে লগ ইন করুন অথবা এ্যাকাউন্ট খুলুন

Reading

Font size

Auto scroll
Slow Fast