আমরা আপনাদের চিনি না? আপনারাই তো মা’দক পকেটে ঢুকিয়ে বিনা কারণেই টাকা হাতিয়ে নেন! আপনারাই তো ম’দ খেয়ে পাবলিক প্লেসে মাতলামি করেন। এই আপনারাই তো পুরো থানা মিলে ইয়াসমিনরে ধর্ষ’ণ করেন, তারপর পত্রিকায় নিউজ না ছাপানোর জন্য আপনাদের পুলিশ হেডকোয়ার্টার বিদ্যুৎ বন্ধ করে দেয়। এরপর পুলিশ ও সরকারি দল থেকে ইয়াসমনিকে পতি’তা বানানোর অপচেষ্টা চলে, বানোয়াট পোস্টমর্টেম রিপোর্ট বানানো হয়। নিউজ ছাপালে, আন্দোলন শুরু হলে কারফিউ জারি করেন, সেইখানে ১৭ জনকে গু’লি কইরা মাই’রা ফালান। তারপর সরকার বাধ্য হয়ে আপনাদের গ্রে’ফতার করলেও বিচারকার্যে বাধা সৃষ্টি করেন। আপনারা সেই না, একটা মেজররে খু’ন কইরা ফালাইছিলেন। আপনারাদের এটা ভালো করে জানা যে, আপনাদের পুলিশ বিভাগেই ‘পুলিশি দুর্নীতি’ আরো ‘পুলিশ করাপশন’ নামে লম্বা ফর্দ আছে। যার মধ্যে চাঁদাবাজি, অপহরণ, নির্যাতন থেকে শুরু করে ঘুষ, মাদক চোরাকারবার, মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো, অবৈধভাবে আটক করাসহ আরো কত কী যে আছে, তা সাধারণ জনগণের বোধগম্য নয়।
রাজনীতির F*cking এ জন্মানো, আইন কম ক্ষমতারে S*cking করা বাহিনীর জন্য, D*cking করার অসৎ দুর্বলতা আমার নাই।
জুলাই আন্দোলনে মানুষ আপনাদের জনগণের সেবক রূপ দেখছে। এতো কিছুর পরেও জনগণ কিছু করে নাই। আর এইরকম জনগণের সেবা করিয়েন না প্লিজ, করলে আপনাদের D*ckরে Sick বানাই দিবে এই জনগণ। আর কতকাল, সবকিছুরই তো একটা সমাপ্তি আছে, রাইট?
আমরা ৪৭ বা ৭১-এ স্বাধীন হলেও ব্রিটিশদের এই নোংরা বাহিনী চেঞ্জ করতে পারি নাই। জনগণকে রুটিনে রাখা আইন না, বরং দাসত্ব। এই দাসত্বে রাখার নিমিত্তেই এই বাহিনীর জন্ম। শিক্ষাব্যবস্থাটাও ব্রিটিশদের রয়ে গেছে। ১৯২৬ এর ক্লাস রুম আর ২০২৬ সালের ক্লাস রুম মিলালেই এইটা ধরতে পারবেন। সিটি বদলে গেছে, অথচ স্কুলের ডিজাইন একই রকম আছে। একই রুটিনে চৌদ্দ পুরুষ ক্লাস করতেছে। এই শিক্ষাব্যবস্থার লক্ষ্য চাকর বানানো, দাস বানিয়ে রাখা। এর বাইরে শিক্ষা নাই? স্বপ্ন নাই? সবাই এই রুটিনে থাকার কারণে কেউই চিন্তা করে না এসব নিয়ে। আমার মৃ’ত্যুর ভয় নেই; তাই ভাবতে পারি, ভাবতে ভালো লাগে। আমাদের কোনো মহান সরকার কি এই সিস্টেম পরিবর্তনের কথা ভাববেন না?
আমার জানাশোনা অনেক সৎ পুলিশ আছেন। পুলিশের মধ্যে যারা ভালো, অবশ্যই তাদের প্রাপ্য সম্মান করি আমি। আমি জানি আপনারা শপথ ভুলেন না, দেশের জন্য, জনগণের জন্য জীবন বিলিয়ে দিতেও পিছপা হন না। কিন্তু একটা সৎ কথা বলেন তো, কজন সৎ কর্মকর্তারা ভালো হয়ে অটুট থাকতে পেরেছেন? কজনকে হেডকোয়ার্টার থামিয়ে দেয়নি? বদলি করেনি? কজনের প্রাণের হুমকি আসেনি? কজনের বউ-বাচ্চারে মাইরা ফালায়নি? কজন বাঁচতে পেরেছেন আইনের জন্য লড়াই করে? যেখানে আপনারাই আদর্শ মানতে গিয়ে ম’রে যেতে হয়, সেখানে আমরা তো পুঁচকে জনগণ মাত্র!
থিংক অ্যাবাউট ইট! টা টা
About the Author
Muhammadullah Bin Mostofa
মজদুরের নিয়মিত লেখকAuthor|Editor|Publisher|Organizer
আমি মুহাম্মদুল্লাহ বিন মোস্তফা। কবিতা, গল্প, উপন্যাস ও প্রবন্ধ রচনার পাশাপাশি সাহিত্য সম্পাদনা ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করার লক্ষ্য নিয়ে নিয়মিত লিখি, নতুন লেখকদের উৎসাহিত করি এবং সৃজনশীল কাজের মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার স্বপ্ন দেখি। সাহিত্য, সংস্কৃতি ও মানবিক মূল্যবোধ আমার কাজের প্রধান অনুপ্রেরণা।
প্রোফাইল দেখুন
মতামত
এখনও কোনো মতামত নেই।
প্রথম মতামতটি আপনিই দিন।
আলোচনায় অংশ নিতে লগ ইন করুন অথবা এ্যাকাউন্ট খুলুন