সকল লেখা জানতে চাই
Searching…

মরীচিকার হ্যামিলন: ডিজিটাল প্রদর্শনবাদ এবং এক বিপন্ন সভ্যতার অন্তরালাপ

এই মরীচিকার হ্যামিলন আমাদের তরুণ প্রজন্মকে এক মারাত্মক মানসিক দেউলিয়াত্বের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। অল্প বয়সে ঘর পালানো, মা-বাবার অবাধ্য হওয়া কিংবা খুব দ্রুত ধনী হওয়ার নেশায় অপরাধে জড়িয়ে পড়ার পেছনে রয়েছে এই ভার্চুয়াল ইনফ্লুয়েন্স।

Asif Tanvir Arian
পড়তে 9 মিনিট লাগতে পারে
এই লেখাটি 98 বার পড়েছে
মরীচিকার হ্যামিলন: ডিজিটাল প্রদর্শনবাদ এবং এক বিপন্ন সভ্যতার অন্তরালাপ

কয়েক দিন আগেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের দেয়ালে একটি ভিডিও তুমুল ঝড় তুলল। এক তরুণ দম্পতি, যাঁদের ‘অনলাইন কাপল গোলস’ দেখে প্রতিদিন লাখো তরুণ-তরূণী দীর্ঘশ্বাস ফেলতেন, তাঁরা নিজেদের পাঁচ বছর পূর্তির এক জাঁকজমকপূর্ণ ভিডিও আপলোড করেছেন। ব্যাকগ্রাউন্ডে রোমান্টিক সুর, ড্রোন শটে ধারণ করা মালদ্বীপের নীল জলরাশি, আর একে অপরের চোখে হারিয়ে যাওয়ার নিখুঁত অভিনয়। অথচ এই ভিডিওর পেছনের নির্মম সত্যটা উন্মোচিত হলো মাত্র চব্বিশ ঘণ্টা পর, যখন সেই দম্পতিরই একজন পারিবারিক কলহ আর মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ এনে ডিভোর্সের আইনি নোটিশটি ফেসবুকে পোস্ট করলেন। ক্যামেরার পেছনের যে জীবনটা প্রতিনিয়ত বিষিয়ে উঠছিল, তা ঢাকা পড়েছিল স্পন্সরড ট্রিপ আর ফিল্টারের কৃত্রিম আলোয়।


আরেকটি চোরকুঠুরির গল্প বলা যাক। মফস্বল শহরের সতেরো বছরের এক কিশোরী। প্রতিদিন মাঝরাত পর্যন্ত সে স্ক্রল করত তথাকথিত ‘ইনফ্লুয়েন্সার’দের ভ্লগ। যেখানে দেখানো হয়—প্রেম মানেই মধ্যরাতে বাইক রাইড, প্রেম মানেই পরিবারের অমতে গিয়ে ‘স্বাধীনতা’র উদযাপন, আর অল্প বয়সে পালিয়ে বিয়ে করাটাই যেন সাহসিকতার চরম পরাকাষ্ঠা। বাস্তবের কঠিন সমীকরণ না জানা সেই মেয়েটি একদিন এক ফেসবুক বন্ধুর হাত ধরে ঘর ছাড়ল। এর মাত্র কয়েক মাস পরের দৃশ্যপটটি কোনো রোমান্টিক সিনেমার মতো ছিল না। ধারণক্ষমতাহীন এক কামরার সস্তা বাসায় যখন তীব্র আর্থিক সংকট আর পারিবারিক ভাঙন এসে দরজায় কড়া নাড়ল, তখন সেই রূপকথার বেলুন ফেটে গেল। মেয়েটির স্থান হলো এক অন্ধকার গলিতে, আর তার সেই ‘সাহসী’ সঙ্গীটি উধাও হয়ে গেল নতুন কোনো শিকারের খোঁজে। এই যে শো-অফের আড়ালে খোকলা লাইফস্টাইল এবং এর প্রতিক্রিয়ায় তৈরি হওয়া সামাজিক বিপর্যয়, তা আজ আর কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এটি আমাদের সমসাময়িক সমাজের এক ভয়াবহ ক্যানসার।


আমরা এক অদ্ভুত রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি, যেখানে মানুষের অস্তিত্বের প্রমাণ আর তার ভেতরের গভীরতায় নেই, বরং তা নির্ভর করছে সে কতটা দেখাতে পারছে তার ওপর। একসময় মানুষের মেধার পরিমাপ হতো তার পড়া বইয়ে, তার চিন্তার মৌলিকত্বে, তার ভেতরের সৃজনশীলতায়। আজ সেই স্থান দখল করেছে এক সর্বগ্রাসী মানসিক মিডিওক্রিটি বা গড়পড়তা মানসিকতা। এই মিডিওক্রিটি কোনো অজ্ঞতা নয়, এটি হলো ‘অল্প বিদ্যা ভয়ঙ্করী’র এক ডিজিটাল সংস্করণ। তথ্য এখন সবার হাতের মুঠোয়, কিন্তু জ্ঞানের অভাব প্রকট। গুগলে দুটি লাইন সার্চ করেই কেউ নিজেকে মনোবিজ্ঞানী ভাবছেন, তো কেউ উইকিপিডিয়ার একটা অনুচ্ছেদ পড়েই হয়ে উঠছেন ইতিহাসের পণ্ডিত। এই অগভীর জ্ঞান নিয়েই যখন সমাজ মেতে উঠছে, তখন চিন্তাশীলতার জায়গাটা দখল করে নিচ্ছে সস্তা ট্রল, কুরুচিপূর্ণ রিলস আর লাইকের কাঙালপনা।

সবচেয়ে বড় সংকট তৈরি হয়েছে আমাদের লাইফস্টাইলে। সমাজ এখন এক অদৃশ্য প্রতিযোগিতার মঞ্চে দাঁড়িয়ে আছে, যেখানে সবাই সবাইকে ছাড়িয়ে যেতে চায় এক কৃত্রিম জীবনযাত্রার প্রদর্শনীতে। রেস্তোরাঁয় গিয়ে খাবারের স্বাদ নেওয়ার চেয়ে বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে টেবিলের ওপর আইফোন আর নান্দনিক প্লেটার সাজিয়ে ছবি তোলা। বইমেলার উপচে পড়া ভিড়ে বই কেনার চেয়ে ‘বই হাতে ছবি’ পোস্ট করার তাগিদ অনেক বেশি। এই যে ভেতরের শূন্যতাকে বাইরের চাকচিক্য দিয়ে ঢেকে রাখার আপ্রাণ চেষ্টা, একেই সমাজবিজ্ঞানীরা বলছেন ‘সিন্ড্রোম অফ এম্পটিনেস’। মানুষ ভেতরে ভেতরে প্রচণ্ড একাকী, বিষণ্ণ এবং লক্ষ্যহীন। আর এই লক্ষ্যহীনতা ঢাকতেই দরকার হয় এক বিলাসবহুল খোলসের। দামি ব্র্যান্ডের পোশাক, ইএমআই-তে কেনা গ্যাজেট আর ক্রেডিট কার্ডের ঋণে নেওয়া ট্যুরের ছবি দিয়ে সমাজকে বোঝানো হচ্ছে—‘দেখো, আমি কত সুখী!’ কিন্তু রাতের অন্ধকার যখন সব স্ক্রিন নিভিয়ে দেয়, তখন সেই মানুষটিই মুখোমুখি হয় এক তীব্র হাহাকারের।


এই খোকলা সংস্কৃতির সবচেয়ে বড় শিকার হচ্ছে আমাদের চারপাশের মানবিক সম্পর্কগুলো, বিশেষ করে প্রেম ও দাম্পত্য। ‘অনলাইন কাপল’ নামের যে নতুন প্রজাতিটির জন্ম হয়েছে, তাদের জীবনের প্রধান চালিকাশক্তি হলো ভিউ আর সাবক্রিপশন। সম্পর্ক এখন আর দুজন মানুষের একান্ত আবেগ বা বোঝাপড়ার বিষয় নয়, এটি একটি বাণিজ্যিক পণ্য। ক্যামেরার সামনে হাসিমুখে জড়িয়ে ধরা, দামি মোবাইলের আনবক্সিং ভিডিও করা, কিংবা কৃত্রিম খুনসুটির স্ক্রিপ্টেড নাটক তৈরি করা—সবই করা হচ্ছে পেজের রিচ বাড়ানোর জন্য। ভালোবাসার মতো একটি পবিত্র ও ব্যক্তিগত অনুভূতি যখন লাইক আর কমেন্টের মুদ্রায় বিক্রি হতে শুরু করে, তখন তার ভেতরের স্পন্দনটাই মরে যায়। এই কাপলদের দেখে সাধারণ দর্শকেরা নিজেদের বাস্তব জীবনকে মেলাতে যান। ঘরের সাধারণ ডাল-ভাত, কিংবা সঙ্গীর ক্লান্ত মুখের সাধারণ অভিমানকে তখন বড্ড সাদামাটা আর ব্যর্থ মনে হয়। ফলে ঘরে ঘরে জন্ম নেয় তুলনা, ক্ষোভ আর দীর্ঘশ্বাস। অথচ তারা বোঝে না, স্ক্রিনে যা দেখানো হচ্ছে তা কোনো বাস্তব জীবন নয়, তা কেবলই একটি সুসম্পাদিত ফিকশন।


এই মরীচিকার হ্যামিলন আমাদের তরুণ প্রজন্মকে এক মারাত্মক মানসিক দেউলিয়াত্বের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। অল্প বয়সে ঘর পালানো, মা-বাবার অবাধ্য হওয়া কিংবা খুব দ্রুত ধনী হওয়ার নেশায় অপরাধে জড়িয়ে পড়ার পেছনে রয়েছে এই ভার্চুয়াল ইনফ্লুয়েন্স। তরুণ মন স্বভাবতই অনুকরণপ্রিয়। সে যখন প্রতিদিন দেখে যে পড়াশোনা না করেও, কোনো কঠিন পরিশ্রম ছাড়াই কেবল ক্যামেরার সামনে অদ্ভুত অঙ্গভঙ্গি করে বা নিজের ব্যক্তিগত জীবনকে হাটে হাঁড়ি ভেঙে কোটিপতি হওয়া যায়, তখন সে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা বা নৈতিকতার গুরুত্ব হারিয়ে ফেলে। মেধাচর্চার চেয়ে তার কাছে তখন বেশি আকর্ষণীয় মনে হয় সস্তা সাকসেস স্টোরি। তারা ভাবছে, জীবনটা বুঝি কোনো ফিল্টার লাগানো ১৬:৯ ফ্রেমের ভিডিও, যেখানে ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক পরিবর্তন করলেই দুঃখ উধাও হয়ে যায়। কিন্তু বাস্তব জীবনের থাপ্পড়টা যখন আসে, তখন তা সহ্য করার মতো কোনো মানসিক প্রতিরোধ ক্ষমতা তাদের থাকে না।


এই মানসিক মিডিওক্রিটি শুধু ব্যক্তির ক্ষতি করছে না, এটি পুরো সমাজকে এক ধরনের বুদ্ধিবৃত্তিক বন্ধ্যাত্বের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। আমাদের গণমাধ্যম, সাহিত্য ও বিনোদন জগৎও এখন এই ভিউ-কালচারের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। গভীর কোনো বিশ্লেষণাত্মক লেখা বা জীবনমুখী সিনেমা এখন আর পাঠক-দর্শক টানে না, কারণ আমাদের মস্তিষ্ককে অভ্যস্ত করে তোলা হয়েছে ১৫ সেকেন্ডের রিলস বা শর্টসের ডোপামিনে। দীর্ঘক্ষণ কোনো বিষয়ে মনোযোগ দেওয়া বা কোনো জটিল সামাজিক সমস্যা নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করার ধৈর্য আমরা হারিয়ে ফেলেছি। ফলে সমাজ জুড়েই এক ধরনের স্থূলতা রাজত্ব করছে। রাজনীতি থেকে শুরু করে সংস্কৃতি—সবখানেই এখন তর্কের চেয়ে ট্রল বেশি, যুক্তির চেয়ে চিৎকার বেশি। ভার্চুয়াল জগতের এই কৃত্রিম জাঁকজমক মানুষের ভেতর থেকে সহানুভূতি এবং সহমর্মিতার মতো মৌলিক গুণগুলোকেও কেড়ে নিচ্ছে। রাস্তায় কোনো মানুষ দুর্ঘটনায় পড়লে এখন উদ্ধারের চেয়ে ভিডিও করার হিড়িক পড়ে বেশি। কোথাও কোনো ট্র্যাজেডি ঘটলে সমবেদনা প্রকাশের চেয়ে সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কীভাবে ‘কনটেন্ট’ তৈরি করা যায়, সেই প্রতিযোগিতায় নামে তথাকথিত ইনফ্লুয়েন্সাররা। মানুষের এই চরম অসংবেদনশীলতা প্রমাণ করে যে, স্ক্রিনের অতিরিক্ত আলো আমাদের ভেতরের মানবিক আলোটাকে ক্রমান্বয়ে নিভিয়ে দিচ্ছে। আমরা এমন এক প্রজন্ম তৈরি করছি যারা চমৎকার ক্যাপশন লিখতে পারে, কিন্তু অন্যের চোখের জল পড়তে দেখলে যার হৃদয় সামান্যতমও আলোড়িত হয় না।


এর পাশাপাশি পারিবারিক বন্ধনগুলোর মধ্যেও ঢুকে পড়েছে এক অদৃশ্য দেয়াল। একই ঘরের ড্রয়িংরুমে বসে চারজন মানুষ চারটা স্ক্রিনে তাকিয়ে আছে—এই চেনা দৃশ্যটি আজ আর কাউকে অবাক করে না। বাবা-মায়ের সাথে সন্তানের দূরত্ব বাড়ছে, কারণ বাবা-মা হয়তো ব্যস্ত তাঁদের ফেসবুক প্রোফাইল সতেজ রাখতে, আর সন্তান বুঁদ হয়ে আছে ভার্চুয়াল গেম বা চ্যাটিংয়ের দুনিয়ায়। মুখোমুখি বসে দুটো সুখ-দুঃখের কথা বলার যে আদিম আনন্দ, তা আজ হারিয়ে গেছে ইমোজির ভিড়ে। মানুষ এখন এক হাজার ভার্চুয়াল বন্ধুর ভিড়েও প্রচণ্ড নিঃসঙ্গ। এই নিঃসঙ্গতা ঢাকতেই সে আবার শরণাপন্ন হয় সেই প্রদর্শনবাদের, যেখানে সে নিজেকে সুখী প্রমাণ করার আপ্রাণ চেষ্টা চালায়। এ যেন এক অন্তহীন দুষ্টচক্র, যা থেকে বের হওয়া দিন দিন কঠিন হয়ে পড়ছে।


এই অন্ধকূপ থেকে বের হওয়ার পথ কোথায়? উত্তরটা কঠিন, কিন্তু এর সমাধান ব্যক্তিমানুষের নিজের ভেতরেই লুকিয়ে আছে। আমাদের প্রথমে স্বীকার করতে হবে যে, আমরা এক কৃত্রিম জগতে বাস করছি। স্ক্রিনের ওপারে থাকা জীবনটা চকচক করলেই তা সোনা নয়—এই সাধারণ সত্যটা আমাদের অনুধাবন করতে হবে। মানুষের মূল্য তার গ্যাজেটে নয়, তার চিন্তায়; সম্পর্কের গভীরতা তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে নয়, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধে। অনলাইন দুনিয়াকে জীবনের একটি অংশ হিসেবে গ্রহণ করা যেতে পারে, কিন্তু একেই পুরো জীবন ভাবাটাই সবচেয়ে বড় মূর্খতা। আমাদের চিন্তা ও মননের ওপর পুনরায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে হবে, প্রযুক্তি যেন আমাদের নিয়ন্ত্রণ করতে না পারে।


আমাদের আবার ফিরে যেতে হবে মাটির কাছাকাছি, বাস্তবের মুখোমুখি। বই পড়ার অভ্যাস, প্রকৃতির সাথে সংযোগ, মুখোমুখি বসে আড্ডা দেওয়া আর অন্যের সুখে সত্যিকারের আনন্দ পাওয়ার যে চিরন্তন মানবিক গুণগুলো ছিল, সেগুলোকে আবার পুনরুজ্জীবিত করতে হবে। শিক্ষার উদ্দেশ্য শুধু সিজিপিএ বা করপোরেট চাকরি পাওয়া হওয়া উচিত নয়, বরং তা হওয়া উচিত একটি সংবেদনশীল ও সুস্থ মনন তৈরি করা। মা-বাবাদেরও সচেতন হতে হবে, সন্তানদের স্ক্রিনটাইম কমানোর আগে নিজেদের ফোন সরিয়ে রেখে সন্তানদের সাথে গুণগত সময় কাটাতে হবে।

ভার্চুয়াল হাততালির চেয়ে বাস্তব জীবনের একটা শান্ত বিকেল, বা কোনো নিঃস্বার্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আনন্দ যে অনেক বেশি টেকসই, তা তরুণ প্রজন্মকে বোঝানোর দায়িত্ব সমাজের সচেতন অংশের। খোলসের জাঁকজমক ভুলে যদি আমরা ভেতরের আত্মাকে সমৃদ্ধ করতে না পারি, তবে অদূর ভবিষ্যতে আমরা হয়তো এক বিশাল জনসংখ্যার দেশ পাব, কিন্তু এক জনমানবহীন, যান্ত্রিক ও কঙ্কালসার সমাজকে আমাদের মেনে নিতে হবে। যেখানে মানুষ থাকবে, কিন্তু মানুষের মনুষ্যত্ব আর মননশীলতা থাকবে কেবলই কোনো জাদুঘরের প্রদর্শনীতে। এখনই সময় এই ডিজিটাল মরীচিকার পিছে ছোটা বন্ধ করে জীবনের আসল সৌন্দর্যের দিকে মুখ ফেরানোর।


Asif Tanvir Arian

University of Chittagong

Asif Tanvir Arian

About the Author

Asif Tanvir Arian

Music, Tutoring

শিক্ষার্থী, লোকপ্রশাসন বিভাগ (চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়) । প্রগতিশীল চিন্তাধারা থেকে সমাজ ও রাজনীতির নানান অসঙ্গতি নিয়ে লিখি। আর জীবনের বাকিটা জুড়ে আছে মিউজিক—গিটার আর পিয়ানোই আমার অবসরের সঙ্গী।

প্রোফাইল দেখুন

মতামত

এখনও কোনো মতামত নেই।

প্রথম মতামতটি আপনিই দিন।

আলোচনায় অংশ নিতে লগ ইন করুন অথবা এ্যাকাউন্ট খুলুন

Reading

Font size

Auto scroll
Slow Fast