সকল লেখা জানতে চাই
Searching…

প্রশ্নটি
676
বার দেখা
হয়েছে

মার্ক্সবাদ কি?

আমি মার্ক্সবাদ সম্পর্কে সহজে জানতে চাই। বিভিন্ন প্রবন্ধ, বই, ইন্টারনেট ঘেটেও মার্ক্সবাদ সম্পর্কে ভালোভাবে বুঝতে পারলাম না। কোনো কমরেড একটু সহজ ভাষায় বুঝিয়ে দিলে উপকৃত হবো।

4 মাস আগে

Toaha

জানতে চেয়েছেন

Toaha

Student

7 টি উত্তর

সেরা উত্তর
মজদুর কর্তৃক নির্বাচিত
মার্ক্সবাদ আসলে সমাজকে দেখার একটা চিন্তাধারা। এটা শুরু করেন Karl Marx। তিনি দেখেছিলেন, সমাজে যারা অনেক টাকা আর ব্যবসার মালিক, তারা ধীরে ধীরে আরও শক্তিশালী হয়ে যায়। আর যারা দিনরাত কাজ করে, তারা কষ্ট করেও খুব বেশি এগোতে পারে না। মার্ক্স বলেছিলেন, এই বৈষম্যটা শুধু কাকতালীয় না, পুরো অর্থনৈতিক ব্যবস্থার কারণেই এটা হয়।

ধরো একটা কারখানায় শ্রমিকরা সকাল থেকে রাত পর্যন্ত কাজ করছে। তাদের পরিশ্রমে মাল তৈরি হচ্ছে, কোম্পানি লাভ করছে। কিন্তু লাভের বড় অংশ যাচ্ছে মালিকের কাছে। শ্রমিক শুধু মাস শেষে নির্দিষ্ট বেতন পাচ্ছে। মার্ক্সের মতে, শ্রমিক আসল মূল্য তৈরি করলেও সে তার পরিশ্রমের পুরো মূল্য পায় না। এই জায়গাটাকেই তিনি শোষণ বলতেন।

মার্ক্সবাদ মনে করে সমাজে সবসময় একটা শ্রেণির সাথে আরেকটা শ্রেণির স্বার্থের সংঘর্ষ থাকে। আগে ছিল রাজা-প্রজা, জমিদার-কৃষক; এখন অনেক ক্ষেত্রে সেটা মালিক-শ্রমিক। তাই মার্ক্সবাদীরা চায় এমন একটা সমাজ, যেখানে শুধু অল্প কয়েকজনের হাতে সব সম্পদ থাকবে না, বরং সাধারণ মানুষেরও অর্থনীতি ও সম্পদের উপর নিয়ন্ত্রণ থাকবে।

তবে মার্ক্সবাদ শুধু অর্থনীতি না, এটা রাজনীতি, সমাজ, এমনকি মানুষের জীবনযাত্রাকেও ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করে। কেউ এটাকে গরিব মানুষের অধিকারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ চিন্তা মনে করে, আবার কেউ বলে বাস্তবে অনেক মার্ক্সবাদী রাষ্ট্র স্বৈরাচারী হয়ে গিয়েছিল। তাই মার্ক্সবাদকে শুধু ভালো বা খারাপ বলে শেষ করা যায় না; এটা মূলত সমাজকে বোঝার একটা বড় তত্ত্ব।

4 মাস আগে

Meghdut Shuvro

উত্তর দিয়েছেন

Meghdut Shuvro

Student

একটাই প্রশ্ন দিয়ে শুরু কর —
তুমি সারাদিন কাজ করো, তবু গরিব কেন?
এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়েই মার্ক্স পুরো একটা দর্শন দাঁড় করিয়ে ফেললেন।

ব্যাপারটা এরকম
তুমি গার্মেন্টসে কাজ করো। শার্ট বানাও। সেই শার্ট বিকোয় ১০০০ টাকায়। তুমি পাও ২০০।
বাকি ৮০০ কোথায়?
মালিক নিয়ে যায়। কেন? কারণ কারখানাটা তার।
মার্ক্স বললেন — এটাই সমস্যার গোড়া। কারখানা, জমি, মেশিন — এগুলো যার, ক্ষমতাও তার। তুমি যতই খাটো, সিস্টেমটাই এমনভাবে বানানো যে সম্পদ উপরে যাবেই।
এটার নাম দিলেন Exploitation — শোষণ।

তাহলে ইতিহাসটা কী?
মার্ক্স বললেন, ইতিহাস মানে রাজা-বাদশাহর গল্প না।
ইতিহাস মানে —
দাসমালিক vs দাস, জমিদার vs কৃষক, এখন মালিক vs শ্রমিক।
সবসময় দুইটা দল। একটা খাটে, একটা খায়।

সমাধান?
কারখানা, জমি, উৎপাদনের সব মাধ্যম — এগুলো মুষ্টিমেয় কারো না হয়ে সবার হোক।
কেউ কাউকে শোষণ করবে না। যে যতটুকু পারে কাজ করবে, যতটুকু দরকার পাবে।
এটাই Communism-এর স্বপ্ন।

এক লাইনে?

যে বানায় সে পায় না, যে পায় সে বানায় না — এই সিস্টেমটাই ভাঙতে হবে।

4 মাস আগে

Lazim Mustahab Adib

উত্তর দিয়েছেন

Lazim Mustahab Adib

student

মার্কসবাদ হলো এমন এক সমাজের ধারণা , যেখানে সমাজের প্রয়োজন অনুসারে উৎপাদন হবে এবং সমতার ভিত্তিতে সকলের মধ্যে বন্টন হবে। কোন একটা নির্দিষ্ট শ্রেণী সম্পদের মালিক হবে না।

4 মাস আগে

Swakkhor Dutta

উত্তর দিয়েছেন

Swakkhor Dutta

Study

মার্ক্সবাদ হচ্ছে মানব সমাজের বিশ্লেষণ এবং পরিবর্তনের বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি।ঐতিহাসিক বস্তুবাদ এবং দ্বন্দ্ব মূলক বস্তুবাদ হচ্ছে মার্ক্সবাদের ভিত্তি। ঐতিহাসিক এবং দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদের মাধ্যমে মানব সমাজকে বিশ্লেষণ এবং রাজনৈতিক প্রয়োগ হচ্ছে মার্ক্সবাদ।
প্রয়োগ ছাড়া মার্ক্সবাদ অসম্পূর্ণ। মার্ক্সবাদ সবচেয়ে অগ্রসর এবং বৈজ্ঞানিক মতাদর্শ এর প্রায়োগিক চরিত্রের কারণে।
মহান কমরেড লেনিন এবং মাও সে তুং মার্ক্সবাদকে আরো বিকশিত করেন ভিন্ন ভিন্ন পরিস্থিতিতে এর সফল প্রয়োগ এর মাধ্যমে।

4 মাস আগে

Asad

উত্তর দিয়েছেন

Asad
১) প্রথমে মার্ক্সবাদ একটি বিশ্বদৃষ্টিভংগি, a guide to practice and action। দর্শন হলো মার্ক্সবাদের প্রাণভোমরা, এর দার্শনিক পদ্ধতি হলো দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ (dialectical materialism)। কিছু দর্শনে process তথা প্রকিয়াকে মেইন রিয়ালিটি হিসেবে দেখে। প্রসেসকে বুঝতেই দ্বান্দ্বিক তথা ডায়ালেক্টিক যুক্তির আবিষ্কার। ডায়ালেক্টিক হলো বস্তুর গতি,সমাজ, রাজনীতি, অর্থনীতি এবং মানবচিন্তার ও জ্ঞানের বিকাশের সাধারণ সূত্রমালা। আজ যা জীবিত কাল তা মৃত, আজ যা প্রয়োজনীয় কাল তা বর্জনীয়। তাই দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ আমাদের বলে দুনিয়া,বিশ্বের আদিতে হলো বস্তু যা সদা পরিবর্তনশীল। এভাবে হেগেলের দ্বান্দ্বিক পদ্ধতি, এবং দার্শনিক ফয়েরবাখের বস্তুবাদী দর্শনের রসদ আহরণ করে ইতিহাসের মঞ্চে মার্ক্সবাদের ১ম অংশ তথা দর্শনের আবির্ভাব।
আর এই সূত্রমালা দিয়ে যখন বস্তুবাদী পদ্ধতিতে সমাজের যাবতীয় বিষয়ের বিকাশকে বিশ্লেষণ ও সুত্রবদ্ধ করা হয় আমরা পাই ঐতিহাসিক বস্তুবাদ। এটি আমাদের বলে একটি সমাজ ভিত্তি (base) ও উপরকাঠামো( super structure) নিয়ে গঠিত। ভিত্তি (base) - অর্থনীতি উৎপাদন, পুনঃ উৎপাদন, উৎপাদন সম্পর্ক ও উৎপাদকী শক্তি। এগুলা চূড়ান্ত চালিকা শক্তি। উপরকাঠামো( super structure) - আইন,বিজ্ঞান, ধর্ম, শিল্প সাহিত্য, সংস্কৃতি। এটি ভিত্তিকে সাপোর্ট করে। এভাবে সমাজের বস্তুগত ভিত্তি হলো অর্থনীতি, উৎপাদন ও পুনঃউৎপাদন।

২) এভাবে একটি সমাজকে বুঝতে অর্থনীতিকে বোঝার প্রয়োজনীয়তা আসে। তখন মার্ক্স-এঙ্গেলস ক্ল্যাসিকাল ব্রিটিশ অর্থনীতির দিকপাল এডাম স্মিথ ও ডেভিড রিকার্ডের দ্বারস্থ হন। তাদের লেবার থিওরি অব ভ্যালু কে আরো বিকশিত করেন ও বিজ্ঞানসম্মত ভিত্তির উপর দাড় করান। এই থিওরি আমাদের বলে সমগ্র মানব সভ্যতা শ্রম দিয়ে বিকশিত। মনে রাখতে হবে মার্ক্সবাদ সম্পূর্ণ আলদা চিন্তাপদ্ধতি তাই এটি শ্রমকে অন্যভাবে দেখে , তাই এটি বুদ্ধির অবদানকে খাটো করে দেয় না। বরং বুদ্ধি-মানসিক শ্রম ও কায়িক শ্রমকে ঐক্য স্থাপন করে। এরপর পণ্য কী, পন্য’র লাভ, মজুরি, পুজি, পুজির সার্কুলেশন এইসব নিয়ে আলোচনা আরো বিস্তৃতি হয়। এটি দেখায় মালিক কীভাবে শ্রমিককে শোষণ করছে, কীভাবে একদিক চরম দারিদ্র্য এবং অন্যদিকে সম্পদ ও সেবার নহর বইছে। এটি মার্ক্সবাদের ২য় অংশ।

4 মাস আগে

নাজমুল হাসান ফাহিম

উত্তর দিয়েছেন

নাজমুল হাসান ফাহিম
৩) প্রশ্ন হচ্ছে অর্থনীতিকে পালটানো যায় কি? আর তা কীভাবে? উত্তরঃ হ্যা । আর এই “কীভাবে” এর উত্তর খুজতে গিয়ে চলে আসে ফরাসি বিপ্লব, শ্রেণী সংগ্রাম, সমাজতন্ত্র। উল্লেখ্য যে, শ্রেণী সংগ্রাম এর ধারণা ফরাসি সমাজতন্ত্রীরাই দিয়েছেন। ফরাসি দেশে শার্ল ফ্যুরিয়ে (charles fourier), স্যা সিমো (saint simon) ও ইংল্যান্ডের রবার্ট ওয়েনসহ নানান মতের সমাজতন্ত্রীরা ছিলেন। তবে এদের সমাজতন্ত্রকে ইউটোপীয় সমাজতন্ত্র বলা হয়। কারণ হলো তাদের সমাজতন্ত্র ধারাগুলোর ভিত্তি ছিলো নৈতিক - যেমন “মালিক শ্রমিক ভাই ভাই”, “মানুষের বিবেক জাগ্রত হবে তখন সবাই পরস্পর মিলে শোষণ থেকে উত্তরণের চেষ্টা করবে”। মার্ক্স-এঙ্গেলস এসে সমাজতন্ত্রের ধারণাকে শ্রেণী সংগ্রামের উপর দাড় করান। শ্রেণী লড়াইয়ের মাধ্যমে বলপ্রয়োগ ও রাজনৈতিক ক্ষমতা দখল করে পুরাতন ব্যাবস্থার উৎখাত করতে হবে। মার্ক্সবাদ দেখায় আগের সমাজগুলো উথান পতনের মাধ্যমে বিলুপ্ত হয়েছে, একইভাবে বিপ্লবের মাধ্যমে পুজিবাদকে বিলুপ্ত করে কমিউনিজমের দিকে যেতে হবে। এই রাজনীতি ও শ্রেণী সংগ্রাম মার্ক্সবাদের ৩য় অংশ।

বি দ্রঃ
১) মার্ক্সবাদ নিজে কোনো সমাজব্যবস্থা নয় বরঞ্চ এটি বিশ্লেষনের মাধ্যমে নতুন সমাজ ব্যবস্থা (ব্যাক্তি মালিকানা ও রাষ্ট্র বিলোপ) কমিউনিজম এর ধারণা দেয়।
২) পুজিবাদ পৃথিবীর শেষ সমাজ ব্যাবস্থা নয়। এর আগেও যেমন অনেক সমাজের উত্থান ও পতন হয়েছে তেমনি এরপরে মানুষের লড়াই সঠিক দিকে থাকলে কমিউনিজম নির্মান করতে হবে। এঢ় অন্যতম নীতি - from each according to their ability , to each according to their need
৩) মার্ক্সবাদকে scientific socialism বলা হয়। তবে অর্থনীতি, উৎপাদন সম্পর্ককে প্রধান চালিকা শক্তি গণ্য করা হয় বলে, অনেকে একে অর্থনীতির উপর একতরফা নির্ভরশীল ব্যাখা বলে চালিয়ে দেন। কিন্তু মার্ক্সবাদে অর্থনৈতিক উৎপাদন, পুনঃউতপাদনকে একমাত্র চালিকা শক্তি বলা হয়নি। বরঞ্চ এটি শেষ মূহুর্তে চূড়ান্ত নির্ধারক হয়ে উঠে। যেমনঃ জুলাই অভ্যুথানে অর্থনীতি নিয়ে লড়াই শুরু হয়নি, তবে চূড়ান্তভাবে আমরা অর্থনীতির কাঠামোতে কোনো পরিবর্তন আনতে পারিনি। তাই কোনো ফলাফল পাওয়া যায়নি।

4 মাস আগে

নাজমুল হাসান ফাহিম

উত্তর দিয়েছেন

নাজমুল হাসান ফাহিম
মার্কসবাদ এমন একটি দৃষ্টিভঙ্গি, যার মাধ্যমে বিশ্বকে সবচেয়ে কার্যকরভাবে বোঝা ও ব্যাখ্যা করা যায়। এর চারটি মৌলিক ধারণা হল: (১) সবকিছুই পরিবর্তনশীল, (২) সমাজ, চেতনা ও বস্তুজগতের সবকিছু পরস্পর-সম্পর্কযুক্ত, এবং (৩) প্রতিটি বস্তু, প্রক্রিয়া ও সমাজব্যবস্থার অভ্যন্তরে দ্বন্দ্ব বিদ্যমান। এই দ্বন্দ্বই পরিবর্তন ও বিকাশের চালিকাশক্তি; এর মধ্য দিয়েই পুরোনো রূপ ভেঙে নতুন রূপের জন্ম হয়। এছাড়াও, (৪) মার্কসবাদ দেখায় যে মানুষের চিন্তা, নৈতিকতা, ধর্ম, দর্শন বা রাজনীতি আকাশ থেকে পড়ে না, কিংবা কেবল মহান ব্যক্তিদের মস্তিষ্কপ্রসূত নয়। মানুষ যেভাবে উৎপাদন করে এবং যে সামাজিক সম্পর্কের মধ্যে জীবনযাপন করে, সেই বস্তুগত বাস্তবতাই শেষ বিচারে তার চেতনাকে গড়ে তোলে। অর্থাৎ মানুষের চেতনা সামাজিক অস্তিত্বকে নির্ধারণ করে না; বরং সামাজিক অস্তিত্বই চেতনাকে নির্ধারণ করে।

ইতিহাসের চালিকাশক্তিও এই দ্বন্দ্ব। ইয়োরোপের প্রেক্ষিতে দাস ও দাসমালিক, ভূমিদাস ও সামন্তপ্রভু, শ্রমিক ও পুঁজিপতি— উৎপাদনকারী ও শোষক শ্রেণির সংঘাতই সামাজিক পরিবর্তনের ভিত্তি। উৎপাদনশক্তির বিকাশের এক পর্যায়ে বিদ্যমান উৎপাদন সম্পর্ক তারই বাধা হয়ে দাঁড়ায়। তখন পুরোনো সমাজের ভেতরেই নতুন সমাজের উপাদান জন্ম নেয় এবং সংগ্রাম ও বিপ্লবের মধ্য দিয়ে নতুন সামাজিক-অর্থনৈতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়। পুঁজিবাদ এই প্রক্রিয়ার সর্বাধিক উন্নত রূপ। এখানে উৎপাদনের প্রকৃত স্রষ্টা শ্রমিক শ্রেণি এবং মুনাফাভোগী পুঁজিপতি শ্রেণির মধ্যে দ্বন্দ্ব ক্রমাগত তীব্র হয়। মার্কসবাদ দেখায় কীভাবে শ্রমিক শ্রেণি সংগঠিত সংগ্রামের মাধ্যমে ব্যক্তিমালিকানা ও মুনাফাকেন্দ্রিক এই ব্যবস্থাকে অতিক্রম করে শ্রেণিবিভক্ত সমাজের ভিত্তি বিলোপ করতে পারে।

তবে এই পরিবর্তন স্বয়ংক্রিয় নয়। সমাজের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব নতুন সমাজের বস্তুগত ভিত্তি তৈরি করলেও, সেই সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দেয় সংগঠিত মানুষ। তাই শ্রমিক শ্রেণিকে রাজনৈতিকভাবে সংগঠিত হতে হয় এবং রাষ্ট্রক্ষমতার জন্য সংগ্রামে অবতীর্ণ হতে হয়। সমাজে বহু দ্বন্দ্ব একইসঙ্গে কাজ করে। কোন পরিস্থিতিতে কোন দ্বন্দ্ব প্রধান হয়ে ওঠে এবং তার সঙ্গে অন্যান্য দ্বন্দ্বের সম্পর্ক কী, তা বোঝার পদ্ধতিও মার্কসবাদ দেয়। কোনো কিছুকে তার সামগ্রিক সম্পর্ক ও বিকাশের প্রক্রিয়া থেকে বিচ্ছিন্ন করে বোঝা যায় না। এই বৈজ্ঞানিক, ঐতিহাসিক ও সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গির নামই মার্কসবাদ।

4 মাস আগে

Sankalpa

উত্তর দিয়েছেন

Sankalpa

শিক্ষার্থী

উত্তর দিন

উত্তর দিতে লগইন করুন

Reading

Font size