সকল লেখা জানতে চাই
Searching…

প্রশ্নটি
188
বার দেখা
হয়েছে

বামপন্থীদের কাছে আমার ৬টি প্রশ্ন

একসময় আমি সমাজতন্ত্র, মার্কসবাদ ও বামপন্থী চিন্তাধারার প্রতি সমর্থনশীল ছিলাম। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে কিছু প্রশ্ন ও সংশয় তৈরি হয়েছে। সেগুলোর উত্তর জানতে চাই।

১. মার্কসবাদ ও লেনিনবাদের অনুসারীরা বিভিন্ন দেশে ভিন্ন ভিন্ন পথ অনুসরণ করেছে। যেমন চীন, কিউবা, ভিয়েতনাম বা সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নীতির মধ্যে পার্থক্য দেখা যায়। যদি আদর্শ একই হয়, তাহলে এত বিভাজন কেন?

২. বামপন্থীরা বৈষম্যের বিরুদ্ধে সংগ্রামের কথা বলে। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায় কিছু বামপন্থী সংগঠন বা গোষ্ঠীর মধ্যেও মতাদর্শগত অসহিষ্ণুতা, গোষ্ঠীবাদ বা অন্য ধরনের বৈষম্যের অভিযোগ ওঠে। এই বিষয়টিকে আপনারা কীভাবে দেখেন?

৩. বাংলাদেশে বামপন্থী দল ও সংগঠনের সংখ্যা অনেক। কিন্তু তারা সাধারণ মানুষের মধ্যে শক্তিশালী জনসমর্থন গড়ে তুলতে পারেনি। বর্তমান সময়ে বাংলাদেশের বামপন্থী দলগুলো তুলনামূলকভাবে দুর্বল কেন?

৪. ইসলামপন্থী ও বামপন্থীদের মধ্যে প্রায়ই মতাদর্শগত সংঘর্ষ, বিতর্ক বা দ্বন্দ্ব দেখা যায়। এর মূল কারণ কী? বামপন্থীরা কি ধর্মের বিরোধী, নাকি এটি একটি ভুল ধারণা?

৫. অনেক ধর্মপ্রাণ মানুষের ধারণা, কেউ ইসলাম বা ধর্মীয় মূল্যবোধ প্রচার করতে গেলে কিছু বামপন্থী তার বিরোধিতা করে। এই ধারণার পেছনে কি কোনো বাস্তব কারণ আছে, নাকি এটি রাজনৈতিক ও সামাজিক ভুল বোঝাবুঝির ফল?

৬. ইতিহাসে যেসব দেশ নিজেদের সমাজতান্ত্রিক বা কমিউনিস্ট রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছিল, তাদের অনেকগুলোর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা পরে পরিবর্তিত হয়েছে বা ভেঙে পড়েছে। বামপন্থী বিশ্লেষণে এর কারণ কী? এটি কি আদর্শের ব্যর্থতা, নাকি নেতৃত্ব, নীতি ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির ব্যর্থতা?

আমি সমালোচনা করার জন্য নয়, বরং বামপন্থী দৃষ্টিকোণ থেকে এই প্রশ্নগুলোর উত্তর জানতে আগ্রহী।

4 মাস আগে

Yousuf

জানতে চেয়েছেন

Yousuf

3 টি উত্তর

হ্যাঁ ভাই, একজন প্রাক্তন সমর্থক হিসেবে আপনার মনের এই সংশয়গুলো অত্যন্ত যৌক্তিক এবং কমিউনিস্ট আন্দোলনের আত্মবিকাশের জন্যই এগুলোর মুখোমুখি হওয়া প্রয়োজন।
প্রথমত, বিভিন্ন দেশের নীতির মধ্যে পার্থক্যের মূল কারণ হলো মার্কসবাদ কোনো স্থবির ধর্মগ্রন্থ নয়, এটি সমাজ পরিবর্তনের বিজ্ঞান। প্রতিটি দেশের নিজস্ব সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বাস্তবতা ভিন্ন। সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন, চীন, কিউবা বা ভিয়েতনামের কমিউনিস্টরা নিজ নিজ দেশের বাস্তব পরিস্থিতি ও শ্রেণী বিন্যাস বিশ্লেষণ করে বিপ্লবের রণকৌশল নির্ধারণ করেছেন। একেই বলা হয় দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদের সৃজনশীল প্রয়োগ। আদর্শ এক হলেও দেশ ও কালভেদে তার বাস্তবায়ন ভিন্ন হতে বাধ্য।
দ্বিতীয়ত, বামপন্থী সংগঠনগুলোর ভেতরের মতাদর্শগত বিতর্ককে বুর্জোয়া দলগুলোর ক্ষমতার কোন্দলের সাথে গুলিয়ে ফেলা ঠিক হবে না। সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থায় পেটি-বুর্জোয়া মানসিকতা ও শ্রেণী সংগ্রামের প্রতিফলন দলের ভেতরেও ঘটে। তবে এই বৈচিত্র্য কখনো কখনো সংকীর্ণ গোষ্ঠীবাদে রূপ নিলে তা অবশ্যই বিচ্যুতির লক্ষণ, যা কঠোর আত্মসমালোচনার মাধ্যমে সংশোধনযোগ্য।
তৃতীয়ত, বাংলাদেশে বামপন্থীদের বর্তমান দুর্বলতার পেছনে ঐতিহাসিক ও কৌশলগত কারণ রয়েছে। একাত্তর-পরবর্তী সময়ে সঠিক রাজনৈতিক রণকৌশল নির্ধারণে ব্যর্থতা, শাসকশ্রেণীর তীব্র দমনপীড়ন এবং বড় দলগুলোর লেজুড়বৃত্তি করার প্রবণতা বামপন্থীদের প্রান্তিক করে তুলেছে। এছাড়া বিশাল শ্রমজীবী মানুষের প্রতিদিনের অর্থনৈতিক লড়াইকে রাজনৈতিক লড়াইয়ে রূপান্তর করার সাংগঠনিক দুর্বলতাও এখানে স্পষ্ট।
চতুর্থ ও পঞ্চমত, বামপন্থীরা ধর্মের বিরোধী নয়, বরং ধর্মকে ব্যবহার করে যে শোষণ ও রাজনৈতিক ফায়দা লোটা হয়, তার বিরোধী। ইসলামের মানবিক ও সাম্যবাদী মূল্যবোধের সাথে বামপন্থার কোনো বিরোধ নেই। কিন্তু যখন ধর্মকে শোষণের হাতিয়ার বা প্রগতির পথে বাধা হিসেবে ব্যবহার করা হয়, তখনই দ্বন্দ্ব তৈরি হয়। এটি মূলত সাম্রাজ্যবাদী ও পুজিঁবাদী প্রচারণার ফলে তৈরি হওয়া একটি ঐতিহাসিক ভুল বোঝাবুঝি, যা বামপন্থীদের সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষ থেকে দূরে রাখার জন্য ব্যবহার করা হয়।
সর্বশেষ অংশটা দ্বিতীয় উত্তরে লিখছি। দয়া করে পড়ে নিবেন। ২০০০ শব্দের ভিতরে আসলে এত বিশাল প্রশ্ন ভান্ডারের উত্তর দেওয়া খুবই কষ্টকর।

4 মাস আগে

চিত্রণ ভট্টাচার্য আদি

উত্তর দিয়েছেন

চিত্রণ ভট্টাচার্য আদি

ছাত্রনেতা, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট

তো যা বলছিলাম, সর্বশেষ, সমাজতান্ত্রিক শিবিরের বিপর্যয় আদর্শের ব্যর্থতা নয়। সোভিয়েত ইউনিয়ন বা পূর্ব ইউরোপের পতন ঘটেছিল আমলাতান্ত্রিক বিকৃতি, মার্কসবাদী তত্ত্বের যান্ত্রিক প্রয়োগ, দলের অভ্যন্তরে গণতন্ত্রের অভাব এবং আন্তর্জাতিক পুঁজিবাদের ক্রমাগত ষড়যন্ত্রের কারণে। এটি অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের কৌশলগত ব্যর্থতা, যা থেকে শিক্ষা নিয়ে বর্তমান কমিউনিস্টরা নতুন পথ সন্ধান করছেন।

4 মাস আগে

চিত্রণ ভট্টাচার্য আদি

উত্তর দিয়েছেন

চিত্রণ ভট্টাচার্য আদি

ছাত্রনেতা, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট

ভাই, প্রশ্নগুলো গুরুত্বপূর্ণ। সমালোচনা মনে না করেই উত্তর দিচ্ছি।
১. মার্কসবাদী-লেনিনবাদী দেশগুলোর মধ্যে পার্থক্য কেন
চীন, কিউবা, ভিয়েতনাম, সোভিয়েত ইউনিয়ন, এদের নীতির পার্থক্যের মূল কারণ হলো প্রতিটা দেশ ভিন্ন বস্তুগত পরিস্থিতি থেকে শুরু করেছিল। কোনোটা কৃষিপ্রধান সমাজ, কোনোটা শীতল যুদ্ধের মাঝামাঝি ঘেরাও অবস্থায়, কোনোটা জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের পর গঠিত। কিন্তু আমার দৃষ্টিকোণ থেকে আরেকটা গভীর কারণ আছে। এই সব দেশই একই কাঠামোগত মডেল গ্রহণ করেছিল, লেনিনবাদী ভ্যানগার্ড পার্টি, কেন্দ্রীভূত রাষ্ট্র, শ্রমিকশ্রেণীর "প্রতিনিধি" হিসেবে একটা দলের একচ্ছত্র ক্ষমতা। যখন আদর্শ একই কিন্তু ক্ষমতার কাঠামো হয় কেন্দ্রীভূত ও জবাবদিহিহীন, তখন সেই কাঠামো প্রতিটা দেশে স্থানীয় নেতৃত্বের ব্যক্তিত্ব ও জাতীয় স্বার্থ অনুযায়ী আলাদা আলাদা রূপ নেয়। তাই বিভাজনটা আদর্শের ব্যর্থতা না, বরং কেন্দ্রীভূত একদলীয় কাঠামোর স্বাভাবিক পরিণতি বলেই আমি দেখি।
২. বামপন্থী সংগঠনের ভেতরের অসহিষ্णুতা ও গোত্রবাদ
এটা দুর্ভাগ্যজনকভাবে সত্য এবং অস্বীকার করার কিছু নেই। ট্রটস্কাইট, মাওবাদী, স্ট্যালিনিস্ট, অ্যানার্কিস্ট, সোশ্যাল ডেমোক্র্যাট, এই গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে নিজেদের মধ্যেই যে শত্রুতা দেখা যায়, তা অনেক সময় শাসকশ্রেণীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ের চেয়েও তীব্র হয়ে ওঠে। এর একটা কারণ হলো "শুদ্ধতার রাজনীতি", মতাদর্শগত বিশুদ্ধতাকে সংগঠনের পরিচয়ের কেন্দ্রে রাখা, যা বাস্তব জোট গঠনের চেয়ে মতবাদের লাইন রক্ষাকেই বেশি গুরুত্ব দেয়। সোশ্যাল ডেমোক্র্যাট ও বহুত্ববাদী বাম ধারাগুলো সাধারণত এই সমস্যা কম ভোগে, কারণ তারা গণতান্ত্রিক প্রতিযোগিতা ও মতপার্থক্যকে স্বাভাবিক ধরে নেয়, একে "বিচ্যুতি" বা "শ্রেণীশত্রু" হিসেবে দেখে না।
৩. বাংলাদেশে বামপন্থী দল কেন দুর্বল
কয়েকটা কারণ আছে। প্রথমত, ১৯৭১ পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগ "সমাজতন্ত্র"কে সংবিধানের মূলনীতি বানিয়ে বামপন্থী রাজনৈতিক স্থান অনেকটা দখল করে নিয়েছিল, তারপর বাস্তবে সেই নীতি থেকে সরে গেছে, কিন্তু এর মধ্যে স্বাধীন বামপন্থী রাজনীতির জায়গা সংকুচিত হয়ে গেছে। দ্বিতীয়ত, বাংলাদেশের বামপন্থী দলগুলো অসংখ্য টুকরো টুকরো গ্রুপে বিভক্ত, যাদের প্রতিটাই নিজস্ব মতাদর্শগত লাইন আঁকড়ে ধরে আছে, ফলে একটা ঐক্যবদ্ধ গণভিত্তি গড়ে ওঠেনি। তৃতীয়ত, এই দলগুলো মূলত শহুরে মধ্যবিত্ত বুদ্ধিজীবী কেন্দ্রিক, গ্রামীণ ও শ্রমজীবী জনগোষ্ঠীর সাথে সাংগঠনিক সংযোগ তৈরি করতে পারেনি। চতুর্থত, ১৯৯০ পরবর্তী সময়ে NGO খাতের বিস্তার অনেক জায়গায় গ্রাসরুট আন্দোলনের জায়গা নিয়ে নিয়েছে, যেখানে রাজনৈতিক সংগঠনের বদলে সেবামূলক প্রকল্প প্রাধান্য পেয়েছে। আর পঞ্চমত, ধর্মীয় ও জাতীয়তাবাদী পরিচয়ভিত্তিক রাজনীতি শ্রেণী রাজনীতির চেয়ে অনেক বেশি সহজে মানুষকে সংগঠিত করতে পারে, কারণ এটা বিদ্যমান সামাজিক কাঠামোর সাথে সরাসরি যুক্ত।
৪. ইসলামপন্থা ও বামপন্থার মধ্যে সংঘর্ষ
এটা পুরোপুরি ভুল ধারণা না, কিন্তু পুরোপুরি বাস্তব দ্বন্দ্বও না, দুটোর মিশ্রণ। মূল দার্শনিক পার্থক্য হলো জ্ঞানতাত্ত্বিক, বামপন্থা বস্তুবাদী বিশ্লেষণ থেকে সমাজ বোঝে, ইসলামপন্থা ঐশী নির্দেশনা থেকে। আরেকটা পার্থক্য হলো সংহতির ভিত্তি, বামপন্থা শ্রেণী সংহতিতে বিশ্বাস করে যা ধর্ম নির্বিশেষে, ইসলামপন্থা ধর্মীয় পরিচয়ের সংহতিতে। এর বাইরে নারীর অধিকার, ব্লাসফেমি, মুক্তচিন্তা, এই প্রশ্নগুলোতে বাস্তব নৈতিক মতপার্থক্য আছে। কিন্তু এটাও সত্য, বামপন্থীরা সাধারণভাবে "ধর্ম" এর বিরোধী না, বরং রাষ্ট্রক্ষমতার সাথে ধর্মের সংযোগের বিরোধী। তাই অনেক সময় ব্যক্তিগত ধর্মবিশ্বাসের প্রতি সহনশীল বামপন্থীও রাজনৈতিক ইসলামের বিরোধী হতে পারে, এটা ভুল বোঝাবুঝি না, এটা একটা সচেতন রাজনৈতিক অবস্থান।
৫. ধর্মপ্রচারের বিরোধিতা
এক্ষেত্রে বাস্তব ও ভুল বোঝাবুঝি দুটোই আছে। কিছু কিছু কমিউনিস্ট রাষ্ট্রের ইতিহাসে রাষ্ট্রীয় নাস্তিকতা চাপিয়ে দেওয়ার যে চেষ্টা হয়েছিল, তা আসলে একটা বাড়াবাড়ি ছিল, যা ব্যক্তিস্বাধীনতার নীতির সাথেই সাংঘর্ষিক। আমার দৃষ্টিকোণ থেকে এটা সমর্থনযোগ্য না। কিন্তু অন্যদিকে, যখন ধর্মীয় প্রচার রাজনৈতিক ক্ষমতা দখলের হাতিয়ার হয়ে ওঠে, বা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর চাপ সৃষ্টি করে, তখন বামপন্থীদের বিরোধিতা ধর্ম নিজে নয়, বরং সেই রাজনৈতিক প্রকল্পের বিরুদ্ধে। সমস্যা হলো বাইরে থেকে এই দুটো বিরোধিতা একই রকম দেখায়, ফলে ধর্মপ্রাণ মানুষ মনে করেন তার বিশ্বাসকেই আক্রমণ করা হচ্ছে, যা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আসলে উদ্দেশ্য না।
৬. সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলোর পরিবর্তন বা পতন
এর কারণ একসাথে কয়েকটা স্তরে আছে। প্রথমত আদর্শগত স্তরে, লেনিনবাদী ভ্যানগার্ডিজম একটা স্থায়ী একদলীয় শাসন তৈরি করে, যেখানে জবাবদিহিতার কোনো গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া থাকে না, ফলে আমলাতন্ত্র ধীরে ধীরে নিজেই একটা নতুন শাসকশ্রেণী হয়ে যায়। দ্বিতীয়ত নীতিগত স্তরে, কেন্দ্রীয় পরিকল্পনা অর্থনীতি একটা সীমা পর্যন্ত কার্যকর কিন্তু জটিল আধুনিক অর্থনীতিতে তথ্যের অভাবে দক্ষতা হারিয়ে ফেলে। তৃতীয়ত আন্তর্জাতিক স্তরে, শীতল যুদ্ধের সামরিক প্রতিযোগিতা, অবরোধ ও বৈশ্বিক বিচ্ছিন্নতা এই দেশগুলোর অর্থনীতির ওপর বিশাল চাপ সৃষ্টি করেছিল।
আমার ব্যক্তিগত মত হলো, এই পতন মূলত একদলীয় কাঠামোর জবাবদিহিতার অভাবের ব্যর্থতা, সামাজিক বা শ্রমিক মালিকানার ধারণার ব্যর্থতা না। যেখানে সামাজিক মালিকানা গণতান্ত্রিক ও বহুদলীয় কাঠামোর ভেতরে চর্চা হয়েছে, সেখানে ফলাফল অনেক বেশি টিকসই হয়েছে। স্পেনের মন্ড্রাগন সমবায় গোষ্ঠী এর একটা ভালো উদাহরণ, কয়েক দশক ধরে শ্রমিক মালিকানাধীন সমবায়ের একটা বিশাল নেটওয়ার্ক বাজার অর্থনীতির ভেতরেই গণতান্ত্রিক অভ্যন্তরীণ পরিচালনা নিয়ে চলছে। ভারতের কেরালায় নির্বাচিত বাম সরকারগুলোর অধীনে ভূমি সংস্কার, বিকেন্দ্রীকৃত পরিকল্পনা ও সমবায় খাতের সম্প্রসারণ দেখিয়েছে যে শ্রেণী-পুনর্বণ্টনমূলক নীতি নির্বাচনী প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়েও এগিয়ে নেওয়া সম্ভব।

4 মাস আগে

Shams-uddin byapari

উত্তর দিয়েছেন

Shams-uddin byapari

উত্তর দিন

উত্তর দিতে লগইন করুন

Reading

Font size