প্রশ্নটি
171
বার দেখা
হয়েছে
সমাজতন্ত্রে আমাদের কওমী জনতার অবস্থান কেমন?
3 মাস আগে
জানতে চেয়েছেন
Saif2 টি উত্তর
মাদ্রাসা বা কওমী শিক্ষাব্যবস্থার সাথে জড়িত মানুষজন আমাদের সমাজেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাদের অনেকেরই জীবনধারা অত্যন্ত সাধারণ এবং শ্রমনির্ভর। সমাজতান্ত্রিক কাঠামোয় তাদের এই শিক্ষাগত বা জীবনধারাগত অবস্থানকে কোনোভাবেই নিচু করে দেখার সুযোগ নেই বরং রাষ্ট্র তাদেরকে শিক্ষা এবং কর্মসংস্থানের সমান সুযোগ প্রদানের মাধ্যমে মূলধারার অর্থনৈতিক উন্নয়নে অংশীদার করবে। সমাজতন্ত্রে শোষক শ্রেণি এবং শোষিত শ্রেণির বিভাজন বিলুপ্ত করা হয়। সেখানে কওমী জনতার শ্রম এবং তাদের জ্ঞানকে দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের কাজে লাগানোর ক্ষেত্র তৈরি করা হবে।
ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায় যে সাম্রাজ্যবাদবিরোধী আন্দোলনে ধর্মপ্রাণ মানুষ এবং মাদ্রাসাভিত্তিক জনতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। সমাজতন্ত্র এই লড়াইয়ের ধারাবাহিকতাকে ধারণ করে। এখানে ব্যক্তিগত ধর্মীয় বিশ্বাসকে শোষণের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না ঠিকই কিন্তু রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিকের মর্যাদা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই হবে মূল লক্ষ্য। সমাজতন্ত্রে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো পরিচালনার ক্ষেত্রে কোনো বাধা নেই বরং প্রতিটি মানুষ যেন তাদের বিশ্বাস অনুযায়ী জীবনযাপন করতে পারে সেই পরিবেশ রাষ্ট্র তৈরি করে।
সবশেষে বলা যায় সমাজতন্ত্র কোনো ব্যক্তির বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে নয় বরং এটি পুঁজিবাদী শোষণের বিরুদ্ধে একটি বৈজ্ঞানিক এবং মানবিক ব্যবস্থা। কওমী জনতা যারা মূলত শ্রমজীবী এবং নিম্নবিত্ত শ্রেণির প্রতিনিধিত্ব করেন তাদের জন্য সমাজতন্ত্র হবে মুক্তির পথ। এখানে রাষ্ট্র তাদের ওপর কোনো কিছু চাপিয়ে দেবে না বরং তাদের জীবনমান উন্নত করার জন্য প্রয়োজনীয় সামাজিক নিরাপত্তা এবং সুযোগ সৃষ্টি করবে। তাদের অবস্থান হবে এদেশের সচেতন নাগরিক হিসেবে এবং উৎপাদনের অংশীদার হিসেবে। শোষণের পরিবর্তে সহযোগিতার ভিত্তিতে যে রাষ্ট্র গঠিত হবে সেখানে প্রতিটি মা
3 মাস আগে
উত্তর দিয়েছেন
Talha Mohammad Chowdhuryউত্তর দিন
উত্তর দিতে লগইন করুন