সকল লেখা জানতে চাই
Searching…

প্রশ্নটি
87
বার দেখা
হয়েছে

How feminism should be in contemporary time

Much of contemporary feminism seems focused on securing equal opportunities within the existing system,like, equal pay, equal representation, women in positions of power. I understand the importance of that struggle. But I wonder whether it challenges the system itself.
Earlier feminist movements often linked patriarchy to capitalism and questioned deeper assumptions about work, value, competition, and human flourishing and they wanted more than equal access to the existing orderthey wanted to transform it.
So my question is,has feminism today become primarily/all bout a struggle for a "fair share" within the current framework, or is there still room for a feminism that seeks to change the framework itself? Can these two goals coexist, or are they ultimately in tension? And if feminism achieves equality within a system that remains exploitative, what has really been won i dont understand.That's why i am trying to get a picture of that how Bangladeshi left see this situation.

4 মাস আগে

Primitive Agonies

জানতে চেয়েছেন

Primitive Agonies

1 টি উত্তর

আপনার প্রশ্নটি অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক এবং বেশিরভাগ সোশ্যালিস্ট ফেমিনিস্ট এটাই মনে করে। আসলেই এটা আজকের নারীবাদী আন্দোলনের মূল দুর্বলতা। আমরা যে নারীবাদ দেখি বাংলাদেশে তা বেশিরভাগই উদারপন্থী ঘরানার। তারা যে সমানাধিকারের কথা বলে তা মূলত বিদ্যমান পুঁজিতান্ত্রিক কাঠামোর ভেতরেই নারী পুরুষের অবস্থান বদল করতে চায়। তাদের লক্ষ্য হলো কর্পোরেট বোর্ডে বা রাষ্ট্রযন্ত্রে নারীর সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। কিন্তু সমস্যা হলো এই কাঠামোর ভেতরে নারীর অংশগ্রহণ বাড়ালেও শোষণ বা বৈষম্যের মূল উৎসগুলো অস্পৃশ্য থেকে যায়। মার্কসবাদী দৃষ্টিভঙ্গিতে পিতৃতন্ত্র এবং পুঁজিবাদ বিচ্ছিন্ন কোনো বিষয় নয় বরং এরা একে অপরের পরিপূরক।
পুঁজিবাদ নারীর গৃহস্থালি শ্রমকে বিনা মূল্যে ব্যবহার করে তাদের মুনাফা নিশ্চিত করে। যখন আমরা শুধু সমান সুযোগ বা সমান বেতনের কথা বলি তখন আমরা আসলে শোষণের ওই পুরো ব্যবস্থাটিকেই পরোক্ষভাবে বৈধতা দিচ্ছি। একজন নারী যখন প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা হন তিনি আসলে ওই একই শোষক শ্রেণির অংশ হয়ে ওঠেন। তাই কেবল বিদ্যমান ব্যবস্থায় নারীর সমান অংশীদারিত্ব অর্জন করা মানেই মুক্তি নয়। এটি বড়জোর সুযোগের সাম্য হতে পারে কিন্তু ন্যায়ের সাম্য নয়। বাংলাদেশের গার্মেন্টস শ্রমিকদের ক্ষেত্রে বিষয়টি আরও স্পষ্ট। কেবল নারী ব্যবস্থাপক থাকলেই শ্রমিকদের পরিস্থিতির উন্নতি হয় না যতক্ষণ না উৎপাদনের সম্পর্কের আমূল পরিবর্তন ঘটে।
এই সংস্কার এবং বিপ্লবের লড়াইয়ের মধ্যে দ্বন্দ্বটি আসলে রণকৌশলের। আমাদের মনে রাখতে হবে যে ছোট ছোট অধিকার আদায় বা সংস্কারের লড়াইগুলো আন্দোলনেরই অংশ কিন্তু সেগুলোই শেষ কথা নয়। সংস্কারের লড়াইগুলো শ্রমিক শ্রেণি বা নারী সমাজকে সংগঠিত করার হাতিয়ার মাত্র। যখন আমরা কর্মক্ষেত্রে হয়রানি বা মজুরি বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়ি তখন আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত এই লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে নারীদের এটা বুঝতে শেখানো যে তাদের আসল শত্রু কে। পুঁজিবাদের কাঠামো টিকিয়ে রেখে শুধু নারীর ক্ষমতায়ন সম্ভব নয়। তাই লড়াইটা হতে হবে এই শোষক ব্যবস্থার বিরুদ্ধেই।
তাই বলা যায় যদি আমরা কেবল লিঙ্গ সমতাকে গুরুত্ব দেই কিন্তু শ্রেণির লড়াইকে এড়িয়ে যাই তবে আমরা শেষ পর্যন্ত এমন এক ব্যবস্থার দিকে যাব যেখানে শোষক শ্রেণিতে নারীর সংখ্যা হয়তো বেড়েছে কিন্তু শোষিত নারীর মুক্তি আসেনি। তাই আমাদের নারীবাদ হতে হবে শ্রেণি সংগ্রামের সাথে গভীরভাবে যুক্ত।

4 মাস আগে

চিত্রণ ভট্টাচার্য আদি

উত্তর দিয়েছেন

চিত্রণ ভট্টাচার্য আদি

ছাত্রনেতা, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট

উত্তর দিন

উত্তর দিতে লগইন করুন

Reading

Font size