সকল লেখা জানতে চাই
Searching…

প্রশ্নটি
128
বার দেখা
হয়েছে

ক্যাপিটালিজম ও বাংলাদেশ

একজন একটি প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে লিখেছেন যে,

বাংলাদেশে পুঁজিবাদ কখনোই প্রকৃত অর্থে বিকশিত হতে পারেনি, কারণ ঔপনিবেশিকতা তার পথ রুদ্ধ করেছে। ব্রিটিশরা আমাদের শিল্প ধ্বংস করেছে, সম্পদ লুট করেছে, এবং রেখে গেছে একটি বিকৃত, আধা-সামন্ততান্ত্রিক অর্থনীতি। আমাদের এখানে ক্যাপিটালিজম না বরং এক ধরনের crony capitalism চালু আছে যেখানে ক্যাপিটাল একুমুলেশন নির্ভর করে রাজনৈতিক নেটওয়ার্ক এর ওপর, উৎপাদনশীল শিল্পায়নের ওপর নয়।

সুতরাং, বামপন্থীদের এখনই পুঁজিবাদের বিরোধিতা করা উচিত নয়। বরং তাদের উচিত একটি প্রকৃত, উৎপাদনশীল, জাতীয় পুঁজিবাদের বিকাশকে সমর্থন করা,লাইক,শিল্পায়ন, অবকাঠামো নির্মাণ, একটি শক্তিশালী জাতীয় বুর্জোয়া শ্রেণির উত্থান। সেই ভিত্তি নির্মিত হওয়ার পরই কেবল সমাজতন্ত্রের দিকে অগ্রসর হওয়া সম্ভব।
মানে স্টেপ বাই স্টেপ আগাতে হবে।বাট বিষয় হচ্ছে,

আমরা এমন কোনো বিচ্ছিন্ন দেশে বাস করি না, যা বিশ্ববাজার থেকে নিজেকে আড়াল করে নিজস্ব গতিতে উন্নয়ন করতে পারে।

আমরা বাস করি একবিংশ শতাব্দীতে,গ্লোবালিজম,লেইট ক্যাপিটালিজমের টাইমে

আজকের পুঁজিবাদ আর জাতীয় শিল্পোন্নয়নের পুঁজিবাদ না। এটি financialized, ডিজিটাল, বর্ডারের বাইরে সাপ্লাই চেইনের মধ্য দিয়ে ফাংশনাল এবং বহুজাতিক কর্পোরেশন ও রেন্টিয়ার ক্যাপিটাল দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।

যে ধরনের জাতীয় পুঁজিবাদের কথা কল্পনা করা হচ্ছে তা সংরক্ষিত, উৎপাদনশীল, অভ্যন্তরীণ শক্তির ওপর নির্ভরশীল তা এই টাইমে আদৌ সম্ভব কি না, সে বিষয়ে আমি নিশ্চিত নই।
ওয়ার্ড লিমিট শেষ এজন্য প্রশ্ন ছোট করতে হবে।মানে লেইট ক্যাপিটালিজম টাইমে ক্লাসিকাল পুজিবাদের কন্ডিশন আর ক্রিয়াশীল নাই।তাহলে উক্ত যুক্তির অর্থ কী,বাংলাদেশের জন্য।
and i will try to ask more questions if anyone is not bothered.

4 মাস আগে

Primitive Agonies

জানতে চেয়েছেন

Primitive Agonies

1 টি উত্তর

সাম্রাজ্যবাদের বিকাশ এবং অতীতে সোভিয়েত ও চীনে শ্রমিক শ্রেণির নেতৃত্বে বিপ্লবের মধ্যে দিয়ে কোন দেশে গণতান্ত্রিক বিপ্লব সম্পন্ন করা আর বুর্জোয়াদের পক্ষে সম্ভব নয়। বুর্জোয়া শ্রেণি তাদের প্রগতিশীল চরিত্র হারিয়ে ফেলেছে। সাম্রাজ্যবাদী ব্যবস্থায় বুর্জোয়া রাষ্ট্র হয় সাম্রাজ্যবাদী হবে নয়ত সাম্রাজ্যবাদের দালাল আমলা মুৎসুদ্দি দ্বারা শাসিত নয়া-উপনিবেশিক, আধা সামন্ততান্ত্রিক হবে।
সুতরাং বর্তমান বিশ্বে নয়া উপনিবেশিক, আধা সামন্ততান্ত্রিক, অনুন্নত রাষ্ট্রে গণতান্ত্রিক বিপ্লব হবে শ্রমিক শ্রেণির নেতৃত্বে এবং নিপীড়িত ব্যপক কৃষক, নারী,আদিবাসী, মধ্যবিত্ত, জাতীয় বুর্জোয়ার অংশ গ্রহণে।
শ্রমিকের নেতৃত্বে এই গণতান্ত্রিক বিপ্লব হচ্ছে নয়াগণতান্ত্রিক বিপ্লব।
এই বিপ্লব এমনি এমনি হবে না। দীর্ঘস্থায়ী গণযুদ্ধের মধ্য দিয়ে গ্রাম দিয়ে শহর ঘেরাও নীতি বাস্তবায়নের মাধ্যমে সাম্রাজ্যবাদের দালাল বুর্জোয়া শ্রেণি এবং ক্ষয়িষ্ণু সামন্তবাদকে উচ্ছেদের মাধ্যমে নয়াগণতান্ত্রিক বিপ্লব সম্পন্ন হবে।
এবং এই নয়াগণতান্ত্রিক বিপ্লব হচ্ছে সমাজতন্ত্র অভিমূখী জাতীয় গণতান্ত্রিক বিপ্লব। নয়াগণতান্ত্রিক বিপ্লবের পরবর্তী স্তর হচ্ছে সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব।

4 মাস আগে

Asad

উত্তর দিয়েছেন

Asad

উত্তর দিন

উত্তর দিতে লগইন করুন

Reading

Font size