প্রশ্নটি
200
বার দেখা
হয়েছে
কমিউনিস্টদের কাছে দুটি প্রশ্ন
২) কমিউনিস্টরা কি ঈশ্বরের অস্তিত্বকে অস্বীকার করে?
4 মাস আগে
জানতে চেয়েছেন
Partha Pratim Panday3 টি উত্তর
কম্যুনিস্টরা মহাবিশ্ব ও সমাজকে বোঝার ক্ষেত্রে কোনো অতিপ্রাকৃতিক শক্তির ওপর নির্ভর করেন না, তবে তারা মানুষের জীবনে ধর্মের মনস্তাত্ত্বিক প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্বকে গভীরভাবে স্বীকার করেন। কার্ল মার্ক্সের ধর্মসংক্রান্ত বিশ্লেষণকে প্রায়ই ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়। তিনি ধর্মকে জনগণের আফিম বলেছিলেন। সমসাময়িক সময়ে আফিম কেবল কোনো ক্ষতিকর মাদক ছিল না, বরং তা ছিল তীব্র যন্ত্রণায় ছটফট করা রোগীর একমাত্র বেদনানাশক বা উপশমকারী ওষুধ। মার্ক্স বোঝাতে চেয়েছিলেন যে এই নিষ্ঠুর ও শোষণমূলক সমাজব্যবস্থায় মানুষ যখন চরম যন্ত্রণার মুখোমুখি হয়, তখন ধর্ম তাকে এক ধরণের মানসিক সান্ত্বনা ও বেঁচে থাকার শক্তি দেয়।
কার্ল মার্ক্স নিজেই লিখেছেন যে ধর্ম হলো নিপীড়িত প্রাণীর দীর্ঘশ্বাস, হৃদহীন পৃথিবীর হৃদয় এবং আত্মাহীন পরিস্থিতির আত্মা। অর্থাৎ, সাম্যবাদ ধর্মকে মানুষের অস্তিত্বের এক বড় অবলম্বন হিসেবে দেখে। সমাজ যখন মানুষের জন্য কঠিন ও নিষ্ঠুর হয়ে ওঠে, তখন মানুষ ধর্মের মাঝে শান্তির আশ্রয় খোঁজে। কম্যুনিস্টদের লক্ষ্য মানুষের মনের সেই সান্ত্বনাটুকুকে কেড়ে নেওয়া নয়, বরং সমাজ থেকে সেই শোষণ ও নিষ্ঠুরতাকে উপড়ে ফেলা, যা মানুষকে প্রতিনিয়ত যন্ত্রণার সাগরে নিমজ্জিত করে। শোষণহীন সমাজ প্রতিষ্ঠিত হলে মানুষ যখন পৃথিবীতেই তার ন্যায্য অধিকার, সুখ ও মর্যাদা ফিরে পাবে, তখন সান্ত্বনার জন্য তাকে আর কোনো অলীক কল্পনার ওপর নির্ভর করতে হবে না।
এই উত্তরটি সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
কারণ: উত্তরটি সঠিক নয়
এইটা পড়লে বুঝতে পারবেন
4 মাস আগে
উত্তর দিয়েছেন
Muhammad Alifউত্তর দিন
উত্তর দিতে লগইন করুন