সকল লেখা জানতে চাই
Searching…

প্রশ্নটি
91
বার দেখা
হয়েছে

অর্থ যোগান কর্মময় পদ্ধতি?

মৌলিক চাহিদা ৫টি যে স্তর, খ্যাদ,বস্র,বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা।
এই পাঁচি সেক্টর,ডানপন্থী ও মধ্যপন্থা সরকারি প্রতিষ্ঠান ছাড়াও একটি গ্রামের একটি ওয়ার্ড পর্যায়ে ব্যক্তিগত ও নিজ উদ্যোগে ছোট ছোট ক্ষুদ্র অর্থ উপার্জনের ক্ষেত্রগুলো দখল করে আছে, একটু শহর পর্যায়ে খেয়াল করলে দেখা যাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হাসপাতাল যেমনটা ধরুন ইবনে সিনা মেডিক্যাল কলেজ ও
হাসপাতাল ইত্যাদি,কমিউনিস্টদের প্রতিষ্ঠান কি গড়ে উঠবে বা কমিউনিজম সেটাকে কতটুকু সমর্থন করে, তার বাস্তব রূপ রেখা কি হতে পারে কৌশল কত দিক থেকে?

4 মাস আগে

MD. NUR ALAM

জানতে চেয়েছেন

MD. NUR ALAM

1 টি উত্তর

সেরা উত্তর
প্রশ্নকর্তা কর্তৃক নির্বাচিত
বাংলাদেশের প্রায় সব মৌলিক সেবা খাত; শিক্ষা, চিকিৎসা, আবাসন, খাদ্য সরবরাহ ও ক্ষুদ্র ব্যবসা আজ মূলত ব্যক্তিমালিকানাধীন বা পুঁজিবাদী কাঠামোর অধীনে পরিচালিত হচ্ছে। একটি ইউনিয়ন, ওয়ার্ড বা উপজেলা পর্যায়ে দেখলেও স্কুল, কোচিং, ফার্মেসি, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, মুদি দোকান, পরিবহন, আবাসন, সবখানেই ব্যক্তিগত উদ্যোগের আধিপত্য দেখা যায়।

তাহলে কমিউনিস্টরা কী করতে পারে?

বাংলাদেশের বাস্তবতায় প্রথম ধাপে রাষ্ট্রীয় বিপ্লব নয়, বরং সমবায়ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলাই সবচেয়ে বাস্তবসম্মত পথ হতে পারে। যেমন খাদ্য খাতে কৃষক সমবায়, যৌথ শস্য সংরক্ষণ কেন্দ্র, সমবায়ভিত্তিক বাজার। শিক্ষা খাতে অলাভজনক স্কুল, গণপাঠাগার, স্বল্প খরচের কোচিং ও কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। চিকিৎসা খাতে সমবায় ক্লিনিক, কম খরচের ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ওষুধ সমবায়। বাসস্থানে আবাসন সমবায়, যেখানে জমি ও অবকাঠামো যৌথভাবে পরিচালিত হবে। কর্মসংস্থানে গার্মেন্টস, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ, সফটওয়্যার বা ক্ষুদ্র উৎপাদন খাতে শ্রমিক-মালিকানাধীন সমবায় প্রতিষ্ঠান।

উদাহরণ হিসেবে, যদি একটি ওয়ার্ডে ৫০০ পরিবার থাকে, তাহলে তারা একটি সমবায় গঠন করে মুদি দোকান, ধান-চাল সংগ্রহ কেন্দ্র, প্রাথমিক ক্লিনিক ও শিক্ষাকেন্দ্র পরিচালনা করতে পারে। লাভ কোনো একক মালিকের কাছে না গিয়ে সদস্যদের মধ্যে বণ্টিত হবে বা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে বিনিয়োগ হবে।

তবে বাস্তবতা হলো, বাংলাদেশে কমিউনিস্ট দলগুলো ঐতিহাসিকভাবে শ্রমিক আন্দোলন ও রাজনৈতিক সংগ্রামে বেশি মনোযোগ দিয়েছে; শক্তিশালী অর্থনৈতিক বিকল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তাদের সাফল্য সীমিত। ফলে আজ ইবনে সিনা, ইউনাইটেড হাসপাতাল বা বড় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো কমিউনিস্ট-পরিচালিত সমমানের প্রতিষ্ঠান প্রায় দেখা যায় না।

তাই বাংলাদেশের কমিউনিস্ট রাজনীতির সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ শুধু পুঁজিবাদের সমালোচনা নয়; বরং এমন সফল সমবায় ও গণমালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা, যা বাস্তবে মানুষের শিক্ষা, চিকিৎসা ও কর্মসংস্থানের চাহিদা পূরণ করতে পারে এবং ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের কার্যকর বিকল্প হিসেবে দাঁড়াতে পারে।

4 মাস আগে

Talha Mohammad Chowdhury

উত্তর দিয়েছেন

Talha Mohammad Chowdhury

উত্তর দিন

উত্তর দিতে লগইন করুন

Reading

Font size