সকালের শুরু কিংবা অবসরে, আড্ডায়, কাজের ফাঁকে আয়েশি ভঙ্গিতে যে চায়ের কাপে চুমুক দেওয়ার অভ্যাস আমাদের। সেই চায়ের মধ্যে যে লক্ষ লক্ষ শ্রমিকদের রক্ত আর ঘাম লেগে আছে সেটা আমরা কজন দেখি! শুরু থেকেই চা শ্রমিকরা চরম অবহেলিত, নির্যাতিত এবং প্রতারণার স্বীকার । ১৯০১ সালে প্রকাশিত ‘দ্য ইকোনমিক হিস্ট্রি অব ইন্ডিয়া আন্ডার আর্লি ব্রিটিশ রুল’-এ রমেশ দত্ত চা শ্রমিকদের প্রতি ব্যবস্থাপকদের অবহেলার চিত্র উল্লেখ করতে গিয়ে লিখেছিলেন, “আ স্পেশাল ল, হুইচ ইজ কল্ড দ্য স্লেভ ল বাই দ্য পিপল অব ইন্ডিয়া, স্টিল এক্সিস্টস ফর প্রোভাইডিং লেবারারস ফর দ্য কাল্টিভেশন অব টি ইন আসাম; ইগনোরেনট ম্যান অ্যান্ড উইম্যান আর বাউন্ড ডাউন বাই পেনাল ক্লসেস, আপন দেয়ার সাইনিং আ কন্ট্রাক্ট, টু ওয়ার্ক ইন টি গার্ডেন্স ফর আ নাম্বার অব ইয়ার্স; অ্যান্ড দ্য আটমোস্ট এন্ডিভার্স অব দ্য চিফ কমিশনার অব আসাম ডিউরিং দ্য প্রেজেন্ট ইয়ার (১৯০১) হ্যাভ ফেইল্ড টু সিকিউর ফর দিজ পুওর লেবারার্স এন এডিকিউট পে ডিউরিং দেয়ার এনফোর্সড স্টে ইন দ্য গার্ডেন্স।“
উত্থান
প্রায় ২০০ খ্রিস্ট-পূর্বাব্দে চীনে চা পানের শুরু হলেও রাতারাতি জনপ্রিয় হয়ে ওঠেনি। মধ্য চীনের ইয়াং লিং সমাধি স্তম্ভে প্রাচীনকালে অন্ত্যেষ্টিক্রিয়াতে যেসব নৈবেদ্য দেওয়া হতো তার মধ্যে পাতা দিয়ে তৈরি শুকনো কেক দেখা যেতো। এইসব পাতার মধ্যে থাকা ক্যাফেইন এবং থিয়ানিন প্রমাণ করে যে, সেগুলো প্রকৃতপক্ষে ছিল চা পাতা যা কিনা মৃতদের সাথে দিয়ে দেওয়া হতো তাদের পরবর্তী জীবনের অনুষঙ্গ হিসেবে।
বর্তমানে বাংলাদেশ সহ সারা পৃথিবীতে চা’য়ের জনপ্রিয়তার পশ্চাদভূমিতে দীর্ঘ বিবর্তনের ইতিহাস লুকিয়ে আছে। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি, যা বৈশ্বিক বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করতো তারা একজন স্কটিশ উদ্ভিদ বিজ্ঞানী রবার্ট ফরচুনকে নিয়োগ করলো যিনি বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিদেশি বিভিন্ন নমুনা সংগ্রহ এবং সেগুলো অভিজাতদের কাছে বিক্রির জন্য পরিচিত ছিলেন। তাকে দায়িত্ব দেয়া হয় গোপনে চীনে যেতে, যাতে করে সেখান থেকে ভারতে চা গাছ পাচারের জন্য সেখানে বিকল্প একটি চা শিল্প গড়ে তোলা যায়। বাস্তবিকভাবেই তিনি ২০,০০০ চা গাছ ও চারাগাছ চীন থেকে দার্জিলিং-এ রপ্তানি করেন। তাই বলা যায় যে, রবার্ট ফরচুনের এই গোপন কর্মকাণ্ডের ফলাফল হিসেবে ভারতকে চায়ের আবাসস্থল হিসেবে পরিণত করেছে। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি পরীক্ষামূলকভাবে চা-বীজ, চারা ও যন্ত্রপাতির পাশাপাশি চীন থেকে দক্ষ শ্রমিক আনে। একসময় বিদেশি শ্রমিকদের সঙ্গে বনাবনি না হওয়ায় অবশেষে শ্রমিক আমদানি বন্ধ করে দেশীয় শ্রমিক দিয়েই চা-বাগানের কার্যক্রম পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেয়। সপ্তদশ শতকে চীন এবং ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের মধ্যে কূটনৈতিক এবং বাণিজ্যিক সম্পর্কে ভাঙ্গন ধরলে ব্রিটিশদের চায়ের জন্য অন্য দেশের দিকে মনোযোগ দিতে হয়।
ব্রিটিশ ভারতের বাংলাদেশ অংশে প্রথম বাণিজ্যিক-ভিত্তিতে চা চাষ শুরু হয় সিলেটের মালনীছড়া চা বাগানে ১৮৫৪ সালে। সুরমা ও বরাক উপত্যকাজুড়ে (বর্তমান সিলেট ও আসাম অঞ্চল) ছিল ভারতবর্ষের চা-বাগানের একটা বড় অংশ। ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে আসামে শ্বেতাঙ্গ চা-করেরা যখন চা-বাগান প্রতিষ্ঠা শুরু করেন, তখন স্থানীয়ভাবে চা-শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছিল না। আসাম সরকারের সহায়তায় তারা ভারতবর্ষের বিভিন্ন স্থান থেকে হাজারো চা-শ্রমিক আনার ব্যবস্থা করেন। বিহার, উড়িষ্যা (ওডিশা), মাদ্রাজ (চেন্নাই), নাগপুর, সাঁওতাল পরগনা, মধ্যপ্রদেশ ও উত্তর প্রদেশ থেকে এসব চা-শ্রমিককে নিয়ে আসা হয়। এ জন্য একটি স্বতন্ত্র বিভাগও চালু হয়। এ সময় আসাম সরকার ‘ইমিগ্রেশন অব লেবার অ্যাক্ট’ কার্যকর করে। জাতি, গোত্র, বংশ, নাম, পরিচয় সব মুছে চা বাগানে এদের এক নতুন নাম হয় 'কুলি'। ছনের কুড়ে ঘরে গাদাগাদি করে থাকার ব্যবস্থা। যা ছিলো অস্বাস্থ্যকর, অমানবিক, অসভ্য বর্বর ব্যবস্থা।

সংযুক্ত চিঠিটি তৎকালীন কাছার জেলার সুপারিনটেনডেন্ট টি প্ল্যান্টার্স (চা-কর) স্যান্ডারম্যানকে চা-শ্রমিক আমদানির প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস জানিয়ে সরকারি চিঠি। চা-শ্রমিকদের জন্য সরকারের প্রচণ্ড কঠোর ব্যবস্থা, অপরদিকে চা-মালিকদের প্রতি অপরিসীম ছাড় প্রদর্শনের এক অনন্য সামাজিক দলিল ১৮৫৮ সালের এই পত্র।
চা-শ্রমিকের ব্যবস্থা হলেও চা-বাগানের বিভিন্ন স্তরে তখনো পরিচালনা ব্যবস্থায় যোগ্য জনশক্তির অভাব ছিলো। ফলে কয়েক হাজার বাঙালি এসব পদে নিয়োগ পান। বিংশ শতাব্দীর গোড়ার দিকে বেঙ্গল-আসাম রেলপথ স্থাপিত হলে পূর্ববঙ্গের ঢাকা, ময়মনসিংহ, নোয়াখালী, ত্রিপুরা, রংপুর প্রভৃতি জেলা থেকে লাখ লাখ বাঙালি কৃষিজীবী, যাঁদের অধিকাংশই ছিলেন মুসলমান সম্প্রদায়ভুক্ত, তাঁদের কলোনাইজেশন স্কিমের আওতায় এনে তৎকালীন আসামের বিভিন্ন স্থানে অনাবাদি জঙ্গলাকীর্ণ জমি চাষাবাদের ব্যবস্থা করা হয়।বাংলাদেশ চা উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য মতে, দেশে চা বাগান রয়েছে ১৬৭টি। এর বড় অংশটি সিলেট, হবিগঞ্জ এবং মৌলভীবাজার এলাকায় অবস্থিত। আর এসব বাগানে শ্রমিক রয়েছে এক লক্ষ ৪০ হাজারের মতো।

নিপীড়ন
কাজের ধরন অনুযায়ী শ্রমিকদের কাজের হিসাব সংরক্ষণ করা হতো যেখানে, সেটা ‘গার্ডেন বুক: ডেইলি কামজারি বুক’ নামে পরিচিত ছিল। এই বই থেকে তাদের কাজের বিপরীতে মজুরির প্রাপ্যতা হিসাব করা হতো। সরদার এবং মুহুরি মূলত এই হিসাব তদারকির দায়িত্ব পালন করতেন। শ্রমিকেরা সময় সময় তাঁদের বৈষম্যমূলক আচরণ ও প্রতারণার শিকার হতেন এবং এখনো হচ্ছেন। বাধ্যতামূলক শ্রমে নিয়োজিত করা ও মালিকপক্ষের অত্যাচারের মধ্য দিয়েই চা বাগান গড়ে তুলতে মৃত্যুর মুখে পতিত হতে হয়েছে অগণিত শ্রমিকদের। দুর্গম জঙ্গল সাফ করে বাঘ, ভাল্লুক, বিষধর সাপ, মশা, বিষাক্ত কীট ও নানা বন্য প্রাণীর কামড়ে মৃত্যুবরণ করে শ্রমিকরা তৈরি করলেন চাষযোগ্য চা-বাগান ও ব্রিটিশ সাহেব ও তাদের ম্যানেজারদের জন্য বিলাসবহুল বাংলো। আর শ্রমিকরা ঠাঁই পেলো শ্রমিক কলোনির মাটির ঘরে। তাদের আবাসস্থলকে বলা হতো ‘কুলি লাইন’। আজ পৌণে দুশ বছর পরেও তাদের থাকার ব্যবস্থার পরিবর্তন হয়নি।
১৯১৭-১৯২১ সালের মাঝে আসামের চা বাগানগুলোতে সর্বমোট মৃত্যুর রেকর্ড
সাল | সর্বমোট মৃতের পরিমাণ |
১৯১৭-১৮ | ২১,৯৬১ |
১৯১৮-১৯ | ৬২,১৭৬ |
১৯১৯-২০ | ৪৪,৮৬৬ |
১৯২০-২১ | ২৮,৯২৭ |
উৎস : আসাম লেবার ইনকোয়েরি কমিটি রিপোর্ট, ১৯২১-২২
মুল্লুক চল’ আন্দোলন
সময় ২০ মে ১৯২১। মালিক পক্ষের অত্যাচার, মজুরি বৈষম্য ও প্রতারণার ভার সইতে না পেরে ‘মুল্লুকে ফিরে চল’ স্লোগানে সিলেট অঞ্চলের প্রায় ৩০ হাজার চা-শ্রমিক বিক্ষোভ শুরু করেন। উদ্যোগ নেন নিজ নিজ অঞ্চলে ফিরে যাওয়ার। কিন্তু ফিরে যাওয়া তাদের জন্য এতো সহজ ছিল না। চা-শিল্পের মালিকদের মদদে রেলওয়ে দপ্তর শ্রমিকদের টিকিট দেওয়া বন্ধ করে দেয়, যাতে শ্রমিকেরা ফিরে যেতে না পারেন। বাধ্য হয়ে শ্রমিকরা চাঁদপুরের মেঘনা ঘাট অভিমুখে হাঁটা শুরু করেন। তখন বিক্ষুব্ধ শ্রমিকদের ওপর চলে গুলিবর্ষণ। মারা যান শত শত আর আহত হন হাজার হাজার। কিছু শ্রমিক পালিয়ে যান। বাকিদের ধরে নিয়ে পুনরায় চা-বাগানের কাজ করতে বাধ্য করা হয়। গঠিত হয় গাদা গাদা কমিশন। কিন্তু তাঁদের জীবনমানে কোনো কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন ঘটেনি। চা-শ্রমিকদের দুঃখগাথা নিয়ে রচিত হয় সাড়া জাগানো উপন্যাস ‘টু লিভস অ্যান্ড আ বাড’ (১৯৩৭)। ইংরেজদের অত্যাচারের পটভূমিকায় লেখা মুলকরাজ আনন্দের এই উপন্যাসে চা-কে অলংকৃত করে বলা হয়েছে ‘দুটি পাতা একটি কুঁড়ি’ হিসেবে। অতঃপর দেশভাগ হলো। সবকিছু বদলালো, কিন্তু নতুন ভারতেও রয়ে গেল সেই চিত্র।
সারমর্মে বাংলাদেশ
১৯৭০ সালের নির্বাচনে চা-বাগানগুলোতে শতভাগ ভোট পায় নৌকা প্রতীক। কিন্তু অদ্যাবধি চা জনগোষ্ঠীর ভাগ্যের শিকে ছিঁড়েনি। মজুরি কাঠামোর বৈষম্য এবং জীবন যাত্রার ব্যয় ক্রমশ বাড়তে থাকলেও চা শ্রমিকদের দাবি দাওয়াগুলোকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে একই ব্যবস্থা চলে আসছে। বাংলাদেশের শ্রম আইন, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার আইন ও অধিকারগুলোও চা শ্রমিকদের জন্য প্রযোজ্য নয়।
সম্প্রতি দ্রব্যমূল্যের আকাশচুম্বী উর্ধ্বগতির কারনে ৩০০ টাকা মজুরির দাবীতে একটানা আন্দোলন সংগ্রামের পর বাংলাদেশে চা শ্রমিকদের বাগান মালিকদের সঙ্গে বৈঠকের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকার একজন শ্রমিকের দৈনিক মজুরি প্রথমে ১৭০ এবং পরবর্তীতে ৫% বৃদ্ধি করে ১৮৮ টাকা নির্ধারণ করেছে। এর আগ পর্যন্ত বাংলাদেশের লক্ষাধিক চা শ্রমিকরা দৈনিক ১২০ টাকা করে মজুরি পেতেন। বর্তমানে বাংলাদেশে দৈনিক ৩০০ টাকা মজুরিতে কোনো ধরনের শ্রমিক পাওয়া যায় না। যদিও প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পর বাগান মালিকরা বলেছিলেন, তারা নাকি চা-শ্রমিকদের ৪০২ টাকার সমান মজুরি ও সুযোগ, সুবিধা ভাতা দেন; যা আসলে উপহাস।কারণ, দৈনিক মজুরির অতিরিক্ত যে সুবিধাগুলো চা-শ্রমিকরা পায়, তার মধ্যে অন্যতম হলো বাসস্থান, পানি, বিদ্যুৎ, চিকিৎসা সুবিধা, অবসরভাতা বা ভবিষ্যৎ উন্নয়ন তহবিল।এসব সুবিধার কথা বলেই চা শ্রমিকদেরকে কাজের জন্য নিয়ে আসা হয়েছিলো।এছাড়া, শ্রম আইন অনুযায়ী, এসব সুবিধার কোনোটাই মালিকের মজুরির অন্তর্ভুক্ত হয় না। কারণ, শ্রমিকের গৃহায়নের সুবিধা নিশ্চিত করতে মালিকরা বাধ্য। এ ছাড়া, আইন অনুযায়ী শ্রমিকদের অতিরিক্ত কাজের জন্য পারিশ্রমিক, উৎসব বোনাস, কাজে উপস্থিতি অনুযায়ী বার্ষিক উৎসব ভাতা ইত্যাদিও কোনো অবস্থায়ই দৈনিক মজুরি হিসেবে বিবেচিত হতে পারে না।
প্রায় ২শ বছর ধরে নিজেদের সবকিছু ছেড়ে জান-প্রাণ সবকিছু বিসর্জন দিয়ে দিনশেষে থাকার জন্য এই শ্রমিকদের নিজের বলতে একটুকরো জমিও নেই। বাগানে থাকতে হলে প্রত্যেক পরিবারের একজনকে বাধ্যতামূলক বাগানে কাজ করতে হয়। মজুরি স্বল্পতার জন্য কোন শ্রমিক অসুস্থ হলে পরিবারের কাউকে বদলি কাজ করতে হয়। যার কারনে দেখা যায়, পরিবারে সক্ষম কেউ না থাকায় শিশুদেরও শ্রমে নিযুক্ত হতে হচ্ছে। ১৮ বছরের নিচে যেহেতু কেউ শ্রমিক হিসেবে নিবন্ধিত হোন না, এইজন্য চা বাগানে শিশু শ্রমও নেই। কত বড় মশকরা!
এই যে শ্রমিকদের সাথে এতো প্রহসন করা হচ্ছে, লক্ষ লক্ষ জীবন নিয়ে শত বছর ধরে মুনাফার খেলা চলছে। যাদের রক্ত ও ঘাম মিশ্রিত চায়ের রঙ আমাদের কাছে অত্যন্ত প্রিয়। যাদের সাথে তাদের পাওনা ন্যায্য মজুরি নিয়েও ঠাট্টা করা হচ্ছে।
প্রশ্ন হচ্ছে, এতে করে এসব চা শ্রমিকদের ভাগ্যের কতটুকু পরিবর্তন হলো?
তাদের ত্যাগের মূল্য এসব মানুষেরা আদৌ কি পাবে? কবে পাবে?
তথ্যসূত্রঃ আসাম লেবার ইনকোয়েরি কমিটি রিপোর্ট; হিস্ট্রি অব টি প্ল্যান্টার অ্যান্ড লেবারারস ইন কলোনিয়াল কাছার; দ্য ইকোনমিক হিস্ট্রি অব ইন্ডিয়া আন্ডার আর্লি ব্রিটিশ রুল; ইন্টারনেট;
About the Author
Fuad Hasan
Author, Editor, and Social Development Practitioner
Fuad Hasan is a Bangladeshi writer, editor, and development practitioner whose work spans literature, education, social development, and public affairs. With years of experience contributing to literary publications, journals, reports, and editorial projects, he explores issues related to society, culture, labor, migration, and human development. Drawing on both community engagement and literary practice, his writing seeks to connect lived experiences with broader social realities.
প্রোফাইল দেখুন
মন্তব্য মুছবেন?
এটা বাতিল করা যাবে না।
আলোচনায় অংশ নিন (1)
ধন্যবাদ
আলোচনায় অংশ নিতে লগ ইন করুন অথবা এ্যাকাউন্ট খুলুন
সাইন ইন করুন