বামপন্থীরা ক্ষমতায় আসবে।
বর্তমান সময়ের উপর দাঁড়িয়ে একে নিছক একটি কল্পনা মনে হতে পারে।কিন্তু সমাজে যে মাত্রায় বৈষম্য বিদ্যমান তাতে এটি কোনো অলীক কল্পনা নয় বরং বাস্তবতা।
কিন্তু এর জন্য দলের ভিতরে যে রকম সাংগঠনিক প্রস্তুতি দরকার,দলকে শোষণ বিরুদ্ধ শক্তি হিসেবে জনগণের সামনে দাঁড় করানো দরকার তা পারছেনা বামপন্থীরা।শুধু শ্রমিক কৃষকদের দল হিসেবে নিজেকে জাহির করে হালে পানি পাওয়া সম্ভবনা।কারণ সংঘবদ্ধ হয়ে লড়াই করে যে তারা শোষণ থেকে মুক্তি পাবে তার জন্য শোষক আর শোষিতের মাঝে যে মনস্তাত্বিক ব্যাবধান লাগে তা বাংলাদেশে নেই।
গার্মেন্টসের ক্ষেত্রে বিষয়টি ভিন্ন সেখানে সাংগঠনিক ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে আন্দোলন গড়ে তোলা সম্ভব কিন্তু তার মাধ্যমে ক্ষমতায় যাওয়া সম্ভবনা।এজন্য মধ্যবিত্ত শ্রেণিকেও দলে টানতে হবে অন্তত আন্দোলন গড়ে তোলার স্বার্থে হলেও।কৃষক শ্রমিকের স্বার্থ নিয়ে যেমন আওয়াজ উঠবে তেমনি মধ্যবিত্তের সমস্যা নিয়েও কথা বলতে হবে।প্রচারমাধ্যমকে শক্তিশালী করতে হবে।এর জন্য বুঝতে হবে মধ্যবিত্ত মানুষদের তথ্যের উৎস কি।তারা কোন জায়গার তথ্যের উপর বেশি নির্ভর করেন।আর খেঁটে খাওয়া মানুষের তথ্যের উৎস কি।তারা কিভাবে তথ্য নিজেদের ভিতর আদান প্রদান করেন।
মধ্যবিত্তের তথ্যের একটি বড় অংশ এখন ফেসবুক, সোশ্যালমিডিয়া নির্ভর।কাজেই এখানে তাদের চাহিদা মোতাবেক প্রচারণা চালাতে হবে।খেঁটে খাওয়া মানুষেরা অতিমাত্রার শোষণের কারণে এখনও অনেক পিছিয়ে আছে।তাদের মধ্যে ট্রেড ইউনিয়নের মাধম্যে,গানের মাধ্যমে,মাইকিং এর মাধ্যমে, ছবির পোস্টারিং মাধম্যে তাদেরকে কিভাবে শোষণ করা হচ্ছে তা বুঝাতে হবে। জনগণের আশা আকাঙ্খার কথা বেশি বেশি বলতে হবে।তাদের উপর হওয়া যেকোনা শোষণের প্রতিবাদ করতে হবে।জনগণের আস্থা অর্জনের মাধম্যেই শুধু জনগণের সমর্থন পাওয়া সম্ভব এবং সেই সমর্থন দিয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতায় যাওয়া সম্ভব।কিন্তু সে আস্থা অর্জনই সবচেয়ে বড় চ্যালেন্জ।
মন্তব্য মুছবেন?
এটা বাতিল করা যাবে না।
আলোচনায় অংশ নিন (2)
আমাদের বামেদের একতাবদ্ধ হওয়া ছাড়া কোন উপায় দেখছি না।
ঐক্যবদ্ধ হওয়া বাস্তবে সম্ভব নয়।দলের নেতাদের ভিতর শুধু নিজেরাই সঠিক এই ধরণের প্রবণতা আছে।এই কারণেই বিভেদের সৃষ্টি হয়।এখানে একটি দলকে তার চিন্তা,সঠিক এবং বিস্তৃত কর্মপদ্ধতির মাধ্যমে এগিয়ে যেতে হবে।
আলোচনায় অংশ নিতে লগ ইন করুন অথবা এ্যাকাউন্ট খুলুন
সাইন ইন করুন