একটা ভালো কিছু হইব আর কিছু মৌলবাদী গোষ্ঠী বাধা দিব না, এটাতো এখন প্রায় অসম্ভব হয়ে গেছে। যাই হোক, আবারও একই কাহিনী।
এবার বিতর্ক “বনলতা এক্সপ্রেস” সিনেমা নিয়ে।
নির্মাতার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী legally সিনেমাটি প্রদর্শিত হবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৩০শে মে। কিন্তু হাতে গোনা কিছু মানুষের এতে ভয়ংকর সমস্যা। অথচ জেলায় চলমান মাদক সাম্রাজ্য, উগ্রবাদ, শিক্ষাগত অবকাঠামোর অভাব কিংবা সামাজিক অবক্ষয় নিয়ে তাদের তেমন কোনো উচ্চবাচ্য যেন হারাম প্রায়।
কিন্তু শিল্প, সিনেমা আর সংস্কৃতি এলেই হঠাৎ ধর্মীয় অনুভূতি জেগে ওঠে।
পোস্টকারী ব্যক্তি তার পোস্টে একটি পুরনো ইতিহাস ও ধর্মীয় ব্যাখ্যা তুলে ধরেছেন।
আপনার ইতিহাস মেনে নিলাম, আপনার বিশ্বাসও সম্মান করলাম। কিন্তু প্রশ্ন হলো - নিজের মতবাদ অন্যের উপর চাপিয়ে দেওয়ার অধিকার আপনাকে কে দিল?
ব্রাহ্মণবাড়িয়া শুধু একটি জেলা না, এটা বাংলার সংস্কৃতি, সংগীত, সাহিত্য আর ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র।
এই মাটি জন্ম দিয়েছে Ustad Alauddin Khan, Al Mahmud এর মতো অসংখ্য সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বকে।
তিতাস নদী, লোকসংগীত, নাটক, কবিতা সব মিলিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পরিচয় বরাবরই সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যে।
“বনলতা” নামটা বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির অংশ। সাহিত্য, শিল্প কিংবা সিনেমাকে ধর্মের প্রতিপক্ষ বানানো মানে নিজের সংস্কৃতিকেই অস্বীকার করা।
বাংলার ইতিহাস বলে এই মাটি সুফিবাদ, সহাবস্থান, গান, কবিতা আর মানবতার।
যেখানে বই, নাটক, সিনেমা আর শিল্পকে ভয় পেতে হয়, সেখানে স্বাধীন চিন্তা ধীরে ধীরে মরে যায়।
About the Author
Adnan Osman
I lean toward left-wing and socialist ideas, especially around equality and social justice. I believe everyone should have equal opportunities and less inequality in everyday life. There should be no religious, social, or political discrimination, and discussions should be logical and respectful. Any wrongdoing should be judged based on the constitution and principles of justice.
প্রোফাইল দেখুন
মন্তব্য মুছবেন?
এটা বাতিল করা যাবে না।
আলোচনায় অংশ নিন
আলোচনায় অংশ নিতে লগ ইন করুন অথবা এ্যাকাউন্ট খুলুন
সাইন ইন করুন