Searching…

বামফ্রন্টের ৩৪ বছরের শাসনামলে কেমন ছিল পশ্চিমবঙ্গ?

ছয় দলের বামফ্রন্ট জোট জরুরি অবস্থা-পরবর্তী ১৯৭৭ সালের নির্বাচনে ক্ষমতায় আসে। ২৯৪ আসনের বিধানসভায় সিপিআই(এম) একাই ১৭৮টি আসন পেয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।

Fahim Shahriar
Written by Fahim Shahriar
364 10 মিনিট লাগতে পারে পড়তে
বামফ্রন্টের ৩৪ বছরের শাসনামলে কেমন ছিল পশ্চিমবঙ্গ?

স্বাধীনতার পর থেকে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে পাঁচটি ভিন্ন পর্যায় দেখা গেছে। প্রথম নিবন্ধে আমি বিধানচন্দ্র রায় থেকে সিদ্ধার্থশঙ্কর রায়ের সময়কাল নিয়ে আলোচনা করেছি। এই পর্বে আমি ১৯৭৭ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত বামফ্রন্টের টানা ৩৪ বছরের শাসনকালের দিকে আলোকপাত করব।

বামফ্রন্ট ক্ষমতায় এলো

নিজেদের প্রত্যাশার বাইরে গিয়েও—সিপিআই(এম)-এর নেতৃত্বে অল ইন্ডিয়া ফরওয়ার্ড ব্লক (AIFB), রেভল্যুশনারি সোশ্যালিস্ট পার্টি (RSP), মার্ক্সিস্ট ফরওয়ার্ড ব্লক (MFB), রেভল্যুশনারি কমিউনিস্ট পার্টি অফ ইন্ডিয়া (RCPI) এবং বিপ্লবী বাংলা কংগ্রেস (BBC)—এই ছয় দলের বামফ্রন্ট জোট জরুরি অবস্থা-পরবর্তী ১৯৭৭ সালের নির্বাচনে ক্ষমতায় আসে। ২৯৪ আসনের বিধানসভায় সিপিআই(এম) একাই ১৭৮টি আসন পেয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। বাকি শরিকদের আসন সংখ্যা ছিল: ফরওয়ার্ড ব্লক-২৫, আরএসপি-২০, এমএফবি-৩, আরসিপিআই-৩ এবং বিপ্লবি বাংলা কংগ্রেস-১। সিপিআই(এম)-এর জ্যোতি বসুকে মুখ্যমন্ত্রী করে তারা সরকার গঠন করে।

প্রসঙ্গগত, জনতা পার্টিকে নির্বাচনের আগে আসন সমঝোতায় ৫২ শতাংশ আসন দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হলেও, তারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ২৮৯টি আসনের মধ্যে মাত্র ২৯টিতে জয়লাভ করে।

তৎকালীন শাসক দল কংগ্রেস মাত্র ২০টি আসন পেয়ে অনেক পিছিয়ে থেকে তৃতীয় স্থানে চলে যায়। ১৯৮২ সালের নির্বাচন থেকে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (CPI), ডেমোক্রেটিক সোশ্যালিস্ট পার্টি (DSP) এবং পশ্চিমবঙ্গ সোশ্যালিস্ট পার্টিও (WBSP) এই জোটে যোগ দেয়।

১৯৯৬ সালে WBSP সমাজবাদী পার্টিতে একীভূত হয় এবং এভাবে তারাও এই জোটের অংশ হয়ে ওঠে। বামফ্রন্ট পরবর্তী ৩৪ বছর ধরে রাজ্য শাসন করে। এটি ছিল বিশ্বের দীর্ঘতম গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত কমিউনিস্ট শাসন।

গণতান্ত্রিক বিস্ময় 

বামফ্রন্ট কীভাবে এই গণতান্ত্রিক অলৌকিক ঘটনাটি ঘটাতে পেরেছিল?

এর পেছনে ছিল তাদের জনমুখী নীতি। তারা অত্যন্ত সতর্কতার সাথে একটি 'ভদ্রলোক' ভাবমূর্তি তৈরি করেছিল এবং একটি ব্যাপক সামাজিক ঐক্য গড়ে তোলার ক্ষমতা অর্জন করেছিল।

পাশাপাশি, ত্রিস্তর পঞ্চায়েতের সম্পদের ওপর দলীয় পৃষ্ঠপোষকতাও তারা নিয়ন্ত্রণ করত। সমাজ ও সর্বস্তরের মানুষের সাথে কাজ করার জন্য তাদের একটি সুসংগঠিত দলীয় কাঠামো ছিল—যেমন শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্টুডেন্টস ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া (SFI), কৃষকদের মধ্যে অল ইন্ডিয়া কিষাণ সভা (AIKS), শিল্পাঞ্চলে সেন্টার অফ ইন্ডিয়ান ট্রেড ইউনিয়নস (CITU) এবং সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে এমপ্লয়িজ কো-অর্ডিনেশন কমিটি।

এটি ছিল একটি অত্যন্ত দক্ষ ও সুপরিচালিত দলীয় কাঠামো। শুরুটা বেশ ভালো হলেও, সময়ের সাথে সাথে সবকিছুর জন্যই দলীয় কর্মীরা যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম হয়ে ওঠেন। কেউ যদি বাড়ি তৈরি বা মেরামত করতে চাইতেন, তবে তাকে নির্দিষ্ট কিছু দলীয় কর্মীর কাছে পাঠানো হতো, যারা ইট, সিমেন্ট থেকে শুরু করে লোহা ও রঙ—সবকিছুর বন্দোবস্ত করে দিত, তবে প্রায়শই বাজারমূল্যের চেয়ে বেশি দামে।

এই 'সাফল্যের সূত্রগুলোর' অনেকগুলোই পরবর্তীতে তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) নিজেদের আয়ত্তে আনে এবং তা আরও নিখুঁত করে তোলে, যার ফলস্বরূপ ২০২১ সালে তারা ৪৮ শতাংশ ভোট পেয়ে ২১৫টি আসনে জয়লাভ করে। আসল প্রশ্ন হলো: পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারী কি এই বৃত্ত থেকে বেরিয়ে আসতে পারবেন?

অপারেশন বর্গা

শুরুতেই যেখানে কৃতিত্ব প্রাপ্য, সেখানে তা দেওয়া উচিত। 'অপারেশন বর্গা' একটি বড় সাফল্য ছিল। ১৯৭৮ সালে শুরু হওয়া এই ভূমি সংস্কার আন্দোলনের মাধ্যমে ভাগচাষীদের (বর্গাদার) নাম নথিভুক্ত করা হয়েছিল। এটি তাদের জমি মালিকদের দ্বারা উচ্ছেদ হওয়া থেকে রক্ষা করেছিল।

এটি চাষীদের জমির মেয়াদের নিরাপত্তা এবং উৎপাদিত ফসলের তিন-চতুর্থাংশ পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করেছিল। ১৯৭৭ থেকে ১৯৮২ সালের মধ্যে ভূমি সংস্কার মন্ত্রী বিনয় চৌধুরী এবং ভূমি সংস্কার কমিশনার ডি. বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারি প্রশাসনকে সচল করে ১৭ লক্ষ বর্গাদারের নাম নথিবদ্ধ করেন এবং তাদের জমির অধিকার ও ঋণের সুবিধা নিশ্চিত করেন।

রাজ্য সরকার উদ্বৃত্ত জমিও অধিগ্রহণ করে এবং প্রায় ২৫ লক্ষ ভূমিহীন পরিবার ও দরিদ্র কৃষকদের মধ্যে ১০ লক্ষ একরেরও বেশি জমি বিতরণ করে। ফলে পশ্চিমবঙ্গ ১৯৮১-১৯৮২ ফসলি বছরের মধ্যে একটি দীর্ঘস্থায়ী খাদ্য-ঘাটতি রাজ্য থেকে খাদ্য-উদ্বৃত্ত রাজ্যে পরিণত হয়—যা তারা এরপর থেকে সফলভাবে বজায় রেখেছে।

বর্গাদার ও প্রান্তিক কৃষকদের অগভীর টিউবওয়েল (shallow tubewells) স্থাপন, উচ্চ ফলনশীল (HYV) বীজ গ্রহণ এবং তৃতীয় ফসল হিসেবে "বোরো" (গ্রীষ্মকালীন) ধান চাষে উৎসাহিত করা হয়েছিল। সরকার প্রান্তিক কৃষকদের মধ্যে বীজ, সার এবং কীটনাশক সমৃদ্ধ ভর্তুকিযুক্ত কৃষি মিনি-কিট বিতরণ করেছিল। ১৯৭৭ থেকে ১৯৯৪ সালের মধ্যে কৃষিখাতে বার্ষিক চক্রবৃদ্ধি বৃদ্ধির হার (CAGR) ছিল ৪.৬ শতাংশ—যা কৃষিখাতের জন্য কোনো সাধারণ অর্জন ছিল না।

বছরে তিনটি ফসল উৎপাদন, এবং ভূমিহীন মজুরদের জন্য কেন্দ্রীয় অর্থায়নে পরিচালিত 'জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান কর্মসূচি' (NREP) ও 'গ্রামীণ ভূমিহীন কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা কর্মসূচি' (RLEGP)-র দক্ষ ব্যবস্থাপনা ও নজরদারির ফলে দারিদ্র্য উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছিল।

১৯৭৭ থেকে ২০১১ সালের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে দারিদ্র্যের হার প্রায় ৬৮ শতাংশ থেকে নেমে ২০ শতাংশেরও নিচে চলে আসে। এর প্রতিফলন ঘটেছিল বামফ্রন্টের জনপ্রিয়তার ভোটব্যাংক বৃদ্ধির মাধ্যমে—১৯৮৭ সালের নির্বাচনে তারা সর্বোচ্চ ৫৩ শতাংশ পপুলার ভোট পেয়ে ২৯৪টি আসনের মধ্যে ২৫১টিতে জয়লাভ করে।

আশির দশকের শেষের দিকে এবং নব্বইয়ের দশকের শুরুতে বামফ্রন্ট রাজ্য থেকে বয়স্ক নিরক্ষরতা দূর করতে কেন্দ্রীয় অর্থায়নে পরিচালিত 'জাতীয় সাক্ষরতা মিশন' (NLM)-কে কাজে লাগায়। এর মাধ্যমে প্রশিক্ষক এবং শিক্ষণ উপকরণ—উভয় ক্ষেত্রেই সুপরিকল্পিত বয়স্কশিক্ষা পদ্ধতি (andragogical tools) ব্যবহার করে দলীয় ক্যাডাররা গ্রাম পঞ্চায়েত স্তর পর্যন্ত তাদের সংযোগ প্রসারিত করতে সক্ষম হয়েছিল।

বামফ্রন্ট শহুরে মধ্যবিত্তদের তিনটি প্রধান সমস্যারও সমাধান করতে পেরেছিল। বিদ্যুৎ খাতের সংস্কারের ফলে 'লোড শেডিং'-এর অবসান ঘটতে শুরু করে। শিক্ষাবর্ষের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা হয়েছিল—আগের দশকগুলোতে সেশন জটের কারণে অনেক শিক্ষার্থীকে একটি অতিরিক্ত বছর হারাতে হতো। পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে প্রায়শই পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠলেও, নকশাল আমলের রাস্তায় প্রকাশ্য সন্ত্রাস এবং সিদ্ধার্থশঙ্কর রায়ের আমলের বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড পুরোপুরি বন্ধ হয়েছিল।

ফাটল ভাঙনের ইঙ্গিত দিল 

যাইহোক, দল যখন তার তৃতীয় মেয়াদে পা দিল, তখনই ফাটল দেখা দিতে শুরু করল। অপারেশন বর্গা এবং জমি বণ্টন সফল হলেও, এর পরবর্তী ধাপ—যেমন ভ্যালু অ্যাডিশন বা মূল্য সংযোজন, কোল্ড চেইন, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ এবং কর্পোরেটের সাথে চুক্তিভিত্তিক চাষাবাদকে ভালো চোখে দেখা হয়নি।

ফলে আলুর উৎপাদন বাড়লেও হিমঘরের সংখ্যা বাড়েনি।

নিজেদের জমি যাতে হাতছাড়া না হয়, সেজন্য মাঝারি চাষীরা দলে দলে বামফ্রন্টে যোগ দিতে শুরু করে—যার ফলে দলটি বিপ্লবী থাকার চেয়ে আরও বেশি 'সংস্কারপন্থী' হয়ে ওঠে। পরবর্তী পদক্ষেপ—ভূমি বন্ধকী ব্যাংকের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদী অর্থায়নের ব্যবস্থা করে বর্গাদারদের জমির মালিক করে তোলা—তা আর বাস্তবায়িত হয়নি। পুঁজি বিনিয়োগ এবং আধুনিকীকরণের জন্য শিল্পের সাথে একটি বোঝাপড়া গড়ে তোলার পরিবর্তে, সিআইটিইউ (CITU) শ্রমিক অধিকারের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সংকীর্ণ ও স্বল্পমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করেছিল। তারা চট, টেক্সটাইল, চিনি, চামড়া, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ফার্মা খাতের প্রতিযোগিতামূলক চ্যালেঞ্জগুলো বোঝার চেষ্টা না করেই কেবল উচ্চ মজুরি ও বোনাসের দাবি তুলতে থাকে।

এসএফআই (SFI) প্রাতিষ্ঠানিক উৎকর্ষতাকে উপেক্ষা করে শুধুমাত্র প্রতিটি ছাত্র সংসদের নির্বাচনে জেতার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। অন্যদিকে, কো-অর্ডিনেশন কমিটি নিশ্চিত করেছিল যাতে তাদের সদস্যরা ডিএম (DM) এবং এসডিএম (SDM) অফিসগুলোর প্রভাবশালী পদগুলো পায়।

পুলিশ বাহিনীকেও এর বাইরে রাখা হয়নি। বামফ্রন্ট আনুষ্ঠানিকভাবে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশন, পশ্চিমবঙ্গ নন-গেজেটেড পুলিশ কর্মচারী অ্যাসোসিয়েশন (কর্মচারী সমিতি নামেও পরিচিত) এবং ক্যালকাটা পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনকে স্বীকৃতি দেয়। এগুলো মূলত বামপন্থী সহযোগী সংগঠন হিসেবে কাজ করত এবং বদলি, পদোন্নতি ও বিভাগীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণে সক্রিয়ভাবে হস্তক্ষেপ করত, যা মাঝে মাঝে অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক শৃঙ্খলাকে বিঘ্নিত করত।

এরপর থেকে দলটি নির্বাচনে জেতার জন্য এক বিশেষ কৌশল বা 'বুথ ম্যানেজমেন্ট' পদ্ধতি রপ্ত করে ফেলে—যার মধ্যে ছিল ভোটার তালিকায় বেছে বেছে নাম ঢোকানো বা বাদ দেওয়া, 'লাইন দেওয়া' (মধ্যবিত্ত ভোটারদের নিরুৎসাহিত করতে ভোটকেন্দ্রে অস্বস্তিকর দীর্ঘ লাইন তৈরি করা), নিজেদের অনুগতদের প্রিসাইডিং ও পোলিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ করা এবং ভোটের দিন বেশ কিছু মধ্যবিত্ত আবাসনে যাতায়াতের ওপর সরাসরি নিষেধাজ্ঞা জারি করা।

বামফ্রন্টের পতন

জনগণের ক্ষোভ ধীরে ধীরে জমছিল—কৃষি বৃদ্ধি স্থবির হয়ে পড়েছিল, নতুন কোনো কর্মসংস্থান তৈরি হচ্ছিল না, শিল্পক্ষেত্রগুলো পরস্পরবিরোধী সংকেত পাচ্ছিল, এবং ক্ষমতার ভাগাভাগি নিয়ে বামফ্রন্টের শরিকদের মধ্যে কোন্দল প্রকাশ্যে চলে এসেছিল। বিনয় চৌধুরীর মতো পুরনো ও নিবেদিতপ্রাণ বিপ্লবীরা, যারা দলের জন্য জীবন উৎসর্গ করেছিলেন, তারা প্রান্তিক হয়ে পড়ছিলেন এবং তাদের জায়গা নিচ্ছিল একদল নতুন ও উদ্ধত দলীয় সংগঠকরা।

২০০০ সালের মধ্যে জ্যোতি বসুর স্থলাভিষিক্ত হয়ে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য মুখ্যমন্ত্রী হন।

২০০৮ সালে আমেরিকার সাথে পরমাণু চুক্তির বিরোধিতায় ইউপিএ (UPA) সরকার থেকে সমর্থন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত সাধারণ মানুষের মন জয় করতে পারেনি, এবং কংগ্রেস ও বিজেপি-বিরোধী একটি তৃতীয় ফ্রন্ট গঠনের চেষ্টাও পুরোপুরি ব্যর্থ হয়।

এর ফলে, ২০০৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গের ফলাফল দাঁড়ায়: তৃণমূল-কংগ্রেস-এসইউসিআই (SUCI) জোট পায় ২৬টি আসন এবং বামফ্রন্ট পায় ১৫টি আসন। অন্যদিকে, গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার সমর্থনে দার্জিলিং আসনে যশবন্ত সিং জয়ী হওয়ায় বিজেপিও রাজ্যে খাতা খুলতে সক্ষম হয়।

এর দুই বছর পর বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট বিজয়ী হিসেবে আবির্ভূত হন।

মূল লেখক: সঞ্জীব চোপড়া ।

লেখাটি theprint.in ওয়েবসাইটে ২৬মে, ২০২৬ তারিখে প্রকাশ করা হয়। 

লেখক সঞ্জীব চোপড়া হলেন পিএমএমএল (PMML), নতুন দিল্লির সেন্টার ফর কনটেম্পোরারি স্টাডিজের একজন সিনিয়র ফেলো, লাল বাহাদুর শাস্ত্রী মেমোরিয়ালের ট্রাস্টি এবং দেরাদুন ভিত্তিক সর্বভারতীয় সাহিত্য ও শিল্প উৎসব 'ভ্যালি অফ ওয়ার্ডস'-এর ফেস্টিভ্যাল ডিরেক্টর। 


টীকা: লেখক জ্যোতি বসুর কার্যকালে কালিম্পং-এর এসডিএম, কোচবিহারের এডিশনাল ডিএম এবং মুর্শিদাবাদের ডিএম হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের আমলে কৃষি, উদ্যানপালন এবং খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ দপ্তরের সচিব ছিলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের আমলে তিনি কৃষি, পর্যটন এবং শিল্পোন্নয়ন দপ্তরের অতিরিক্ত মুখ্য সচিব ছিলেন। এছাড়াও ২০১৬-২০১৮ সাল পর্যন্ত তিনি পশ্চিমবঙ্গ আইএএস (WB IAS) অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ছিলেন।

Fahim Shahriar

About the Author

Fahim Shahriar

0

প্রোফাইল দেখুন

আলোচনায় অংশ নিন (2)

Toaha 4 দিন আগে

ক্ষমতায় টিকে থাকতে বামেদের একতাবদ্ধ হওয়া ব্যতীত উপায় নাই।

Md Shohag Fakir 2 দিন আগে

❤️❤️

আলোচনায় অংশ নিতে লগ ইন করুন অথবা এ্যাকাউন্ট খুলুন

সাইন ইন করুন

Reading

Font size

Auto scroll
Slow Fast